প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

* ১৮শ শতাব্দীর বোসনিয়াক কাহিনীকার মুলা মুস্তাফা বাশেস্কিয়া তাঁঁর সংগৃহীত বসনীয় কবিতার বর্ষপঞ্জিতে যুক্তি দেন যে "বসনীয় ভাষা" আরবি থেকে অনেক বেশি সমৃদ্ধশালী, কারণ বসনীয়তে "যাওয়া" ক্রিয়াটির জন্য ৪৫টি শব্দ রয়েছে।
* ভেনিসবাসী লেখক, প্রকৃতিবিদ এবং মানচিত্রকার আলবের্তো ফোর্তিস (১৭৪১-১৮০৩) তাঁঁর ভিয়াজ্জিও ইন দালমাৎসিয়া (ডালমাশিয়া ভ্রমণে) লেখায় মোর্লাখদের ভাষাকে ইলিরীয়, মোর্লাখ, এবং বসনীয় বলেছেন।
* ক্রোয়েশীয় লেখক এবং অভিধান সংকলক মতিয়ামাতিয়া পেতার কাতানচিচকাতাঞ্চিচ ১৮৩১ সালে বাইবেলের অনুবাদগুলির ছয়টি খন্ড প্রকাশ করেছিলেন যা "স্লাভো-ইলিরীয় থেকে বসনীয় ভাষার উচ্চারণে স্থানান্তরিত" হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
* ক্রোয়েশীয় লেখক মতিয়া মাজুরাঞ্চিচ তাঁঁর পোগ্লেদ উ বোস্নু (১৮৪২) লেখায় বসনীয়দের ভাষাকে তুর্কীয় শব্দ মিশ্রিত ইলিরীয় (১৯শ শতকের দক্ষিণ স্লাভীয় ভাষাসমূহের সমার্থক) হিসাবে উল্লেখ করেছেন, এবং এও বিবৃতি দিয়েছেন যে তারা বসনিয়াকভাষী।
* বসনীয় ফ্রান্সিসীয় ইভান ফ্রানিয়ো ইউকিচ তাঁর জেমলিয়োপিস ই পোভিয়েস্তনিৎসা বোস্নে (১৮৫১) লেখায় বলেছেন যে বসনিয়া ছিল একমাত্র তুর্কীয় জমি (অর্থাৎ উসমানীয় সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে) যেটি তুর্কীয়ভাষীদের অনুপস্থিতিতে সম্পূর্ণরূপে বিশুদ্ধ ছিলো, গ্রামেও এবং উচ্চভূমিতেও। তিনি আরও বলেছেন "[...] [বসনিয়ায়] বসনীয় ব্যতীত অন্য কোনও ভাষা বলা হয় না, শ্রেষ্ঠ তুর্কীয় [অর্থাৎ মুসলিমরা] ভদ্রলোকরা উজিরাতে শুধুমাত্র তুর্কি ভাষায় কথা বলেন।"
* ১৯শ শতাব্দীর ক্রোয়েশীয় লেখক ও ইতিহাসবিদ ইভান কুকুলিয়েভিচ সাকৎসিনস্কি তার পুতোভানিয়ে পো বোসনি (বসনিয়াতে ভ্রমণ) লেখায় বলেছেন, মুসলিম বিশ্বাসে রূপান্তরিত হওয়া সত্ত্বেও তুর্কি (অর্থাৎ মুসলিম) বোসনিয়াকরা কীভাবে তাদের ঐতিহ্য এবং স্লাভিক মেজাজ সংরক্ষণ করেছিলেন, তারা তাদের শব্দভাণ্ডারে তুর্কি শব্দ যুক্ত করতে অস্বীকার করে বসনীয় ভাষার বিশুদ্ধ সংস্করণ কথা বলতেন।
 
== লিখন পদ্ধতি ==