"অলি আহমেদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

59.153.103.29-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Ahmad Kanik-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
(59.153.103.29-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে Ahmad Kanik-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা পুনর্বহাল
{{তথ্যছক ব্যক্তি
| name = কর্নেল অলি আহমেদ (পেয়ারে পাকিস্তান)
| image = Oli Ahmed , President - LDP.jpg
| office =
| birth_date =
| birth_place =
| known = মুক্তিযোদ্ধা, [[বীর বিক্রম]]
| known = পাকি দালাল
| occupation =
| birth name =
}}
 
কর্ণেল (অবঃ) '''অলি আহমেদ''' (জন্ম:১৩ ই মার্চ ১৯৩৯) [[বীর বিক্রম]] [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের]] পাকিস্তানি[[মুক্তিযোদ্ধা]] ও সাবেক মন্ত্রী। ১৯৭১ সালে তিনি [[জিয়াউর রহমান|জিয়াউর রহমানের]] নেতৃত্বে চট্টগ্রামে [[পাকিস্তান]] সেনাবাহিনীর পক্ষেবিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশ নেন। [[চট্টগ্রাম]] [[কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র]] থেকে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার তিনি অন্যতম স্বাক্ষী। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য পাকিস্তানবাংলাদেশ সরকার তাকে [[বীর বিক্রম]] খেতাব প্রদান করে।<ref>[http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-16/news/305896 দৈনিক প্রথম আলো, "তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না" | তারিখ: ১৬-১১-২০১২]</ref>
 
== জন্ম ও শিক্ষাজীবন ==
 
== মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা ==
১৯৭১ সালের ২০শে এপ্রিল অলি আহমদের নেতৃত্বে এক দল মুক্তিযোদ্ধা অবস্থান নেন [[চট্টগ্রাম জেলা|চট্টগ্রাম জেলার]] মিরসরাইয়ে। মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে দুই ভাগে ছিলেন এবং সামনে ও পেছনে ছিল তাঁদের প্রতিরক্ষা। সম্ভাব্য যুদ্ধের সব ব্যবস্থা দ্রুত সম্পন্ন করে অলি আহমদ পার্শ্ববর্তী [[চট্টগ্রাম]]-[[ঢাকা]] মহাসড়কে যান। তখন তিনি দেখতে পান, ফাঁকা রাস্তায় সীতাকুণ্ড থেকে তীব্র বেগে একটি জিপ আসছে। জিপে ছিলেন সিরাজুল ইসলাম এবং অন্য একজন। তারা দুজন অলিকে জানান, পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাঁদের দেখে ফেলেছে। দুই মিনিট পর অলি ফাঁকা রাস্তায় দেখতে পান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি জিপ ও ট্রাকবহর আসছে এবং দুই শ গজ দূরে থেমে গুলি শুরু করে তারা। অলির ৫০ গজ দূরে মেশিনগান নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন দু-তিনজন সহযোদ্ধা। তার নির্দেশে তারা পাকিস্তানি বহরের একদম পেছনের গাড়ি লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। পাঁচ গজের মধ্যে এলএমজি নিয়ে পজিশনে ছিলেন তাঁর আরেক যোদ্ধা। তিনি তাঁকে বলেন জিপ লক্ষ করে গুলি করতে। গজ বিশেক দূরে ছিল মর্টার দল। তারা মাঝের ট্রাক লক্ষ করে মর্টারের গোলাবর্ষণ করে। তিনি নিজে রিকোয়েললেস রাইফেল দিয়ে পাকিস্তানিদের মোকাবেলা করেন। আরআরের ছিল মাত্র দুটি গোলা। একটি আমগাছের ডালে লাগায় কোনো ক্ষতি হয়নি পাকিস্তানিদের। দ্বিতীয়টি সরাসরি আঘাত হানে ট্রাকে। খবর পেয়ে আরও পাকিস্তানি সেনা সেখানে আসে এবং যুদ্ধে যোগ দেয়। রাত ১০টা পর্যন্ত যুদ্ধ চলে। অলি আহমদ দক্ষতা ও সাহসিকতার সঙ্গে কম পরিমান অস্ত্র এবং সহযোদ্ধা নিয়ে পাকিস্তানিদের মোকাবিলা করেন।<ref>{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম= একাত্তরের বীরযোদ্ধা, খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা (দ্বিতীয় খন্ড)|শেষাংশ= |প্রথমাংশ= |লেখক-সংযোগ= |coauthors= |বছর=মার্চ ২০১৩ |প্রকাশক= প্রথমা প্রকাশন |অবস্থান= |আইএসবিএন= 9789849025375|পাতা= ৭১|পাতাসমূহ= |সংগ্রহের-তারিখ= |ইউআরএল=}}</ref>
১৯৭১ সালে পাকিস্তানের গুপ্তচর হিসেবে কাজ করেন
 
== সেনাবাহিনীতে কর্মজীবন ==