প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

== সাহিত্য ধারা ==
 
তিনিবাংলাদেশের প্রধানতঅন্যতম একজনজনপ্রিয় ও আধুনিক কবি।কবি নির্মলেন্দু গুণ। ৬৬’ এর ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে আত্মিকভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন এ কবি; এরপর বাদ পড়েনি স্বাধীনতার পূর্বে এবং স্বাধীনতা পরবর্তী কোনো বিপর্যয়, যতবার এ রাষ্ট্র বিপথগামী হয়েছে- কলম ধরেছেন তিনি, লিখেছেন একের পর এক শ্রেণীসংগ্রাম এবং স্বৈরাচার-বিরোধী কবিতা। বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা প্রথম কবিতার কবি তিনি, পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কলম তিনিই ধরেছেন। ১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ প্রকাশিত হবার পর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এ-গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা হুলিয়া কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। শ্রেণীসংগ্রাম, স্বৈরাচার-বিরোধিতা, [[প্রেম]] ও [[নারী]] তার কবিতার মূল-বিষয় হিসেবে বার বার এসেছে। কবিতার পাশাপাশি ভ্রমণ কাহিনীও লিখেছেন। নিজের লেখা [[কবিতা]] এবং গদ্য সম্পর্কে তার নিজের বক্তব্য হলো -
{{উক্তি|অনেক সময় কবিতা লেখার চেয়ে আমি গদ্যরচনায় বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করি। বিশেষ করে আমার আত্মজৈবনিক রচনা বা ভ্রমণকথা লেখার সময় আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে আমি যে গদ্যটি রচনা করতে চলেছি, তা আমার কাব্য-রচনার চেয়ে কোনো অর্থেই ঊনকর্ম নয়। কাব্যকে যদি আমি আমার কন্যা বলে ভাবি, তবে গদ্যকে পুত্রবৎ। ওরা দুজন তো আমারই সন্তান। কাব্যলক্ষ্মী কন্যা যদি, গদ্যপ্রবর পুত্রবৎ।}}
বহুল আবৃত্ত কবিতাসমূহের মধ্যে - ''হুলিয়া'', ''অসমাপ্ত কবিতা'', ''মানুষ'' (১৯৭০ প্রেমাংশুর রক্ত চাই), ''আফ্রিকার প্রেমের কবিতা'' (১৯৮৬ নিরঞ্জনের পৃথিবী) - ইত্যাদি অন্যতম।
৩৭৫টি

সম্পাদনা