"আবদুল্লাহ আল নোমান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(তথ্যসূত্র পরিষ্কারকরণ)
 
== তথ্যসূত্র ==
{{সূত্র তালিকা}}রাজনীতি
 
স্বাধীনতার পর মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সঙ্গে রাজনীতি করেছেন তিনি। ১৯৭২ সালের ৯ই ডিসেম্বর তার বিয়ের পরদিন ছিল ন্যাপের প্রথম কংগ্রেস। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই তিনি চট্টগ্রাম থেকে ছুটে গিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। সে কংগ্রেসে তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বর্তমান বেসরকারি বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সে কমিটির প্রচার সম্পাদক ও বিএনপি’র বহিষ্কৃত মহাসচিব প্রয়াত আবদুল মান্নান ভূঁইয়া সে কমিটির কৃষি সম্পাদক ছিলেন। জিয়াউর রহমানের সময়ে বিএনপিতে যোগ দেয়ার পর তিনিই মনোনীত করেছিলেন শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি। স্বৈরাচারী এরশাদ আমলে কারাভোগ করেছেন। দলের টালমাটাল অবস্থায় খালেদা জিয়াকে ছেড়ে যাননি। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দলের যে ক’জন সিনিয়র নেতা নিরবচ্ছিন্নভাবে বিএনপি’র রাজনীতি করে গেছেন তাদের অন্যতম আবদুল্লাহ আল নোমান। দলের সাংগঠনিক সম্পাদক, যুগ্ম মহাসচিব, শ্রমিক দলের সভাপতি, বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন পর্যায়ক্রমে।
 
{{পূর্বনির্ধারিতবাছাই:নোমান, আবদুল্লাহ আল}}
২টি

সম্পাদনা