"কালীগঞ্জ উপজেলা, লালমনিরহাট" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎শিক্ষা: কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
(→‎কৃতী ব্যক্তিত্ব: নুরুজ্জামান আহমেদ এম, পি সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ( বীর মুক্তিযোদ্ধা ))
(→‎শিক্ষা: কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়)
 
== শিক্ষা ==
<nowiki>*</nowiki><nowiki>[[কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়]]</nowiki>
 
১৯৫৯ খৃষ্টাব্দের ০৪ জানুয়ারী অনাড়ম্বর পরিবেশে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন। প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসের চেয়ে সেদিন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের অভিমত গুলি বেশী অর্থবহ বলে এখানে আরেকবার স্মরন করা হলো। সাবেক পার্লামেন্ট সেক্রেটারী প্রয়াত জছির উদ্দিন আহম্মেদ অনাড়ম্বর পরিবেশের কথা উল্লেখ করে বলেন- কোন মহৎ কাজই তুর্যধ্বনী দিয়ে আসে না। মহা অনাড়ম্বরে শুরুও হয় না। সেই আলোকে আজ আমরা একটি মহৎ কাজই আল্লাহ চায় সূচনা করলাম। সাংগঠনিক কমিটির সম্পাদক প্রয়াত জনাব শেখ ফজলে করিম বলেন- সব দীর্ঘ যাত্রাই তো ছোট একটি পদক্ষেপ দিয়ে শুরু হয়। এখানে হয়তো সেরুপই হলো। সাংগঠনিক কমিটির প্রথম সভায় প্রয়াত জনাব আব্দুল জব্বার মিয়া বলেন, এখানে করিম উদ্দিন আহম্মেদ এর সব কাজেই এলাকাবাসী ‌‌<nowiki>''</nowiki>ভাল ভাল<nowiki>''</nowiki> বলেই মাথায় তুলে নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটির নাম করিম উদ্দিন পাবলিক জুনিয়র স্কুল বলেই এলাকাবাসীর দৃষ্টিটা এদিকেই থাকবে। প্রতিষ্ঠাতা করিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, হাজার বক্তৃতার চেয়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করলেই বক্তব্য পরিস্কার হয়। শিক্ষার সাগরে অনেক বড় বড় জাহাজ ভাসানো হয়েছে। আজ আমি এক টুকরা কাঠ ভাসালাম। কারো উপকার হবে ভেবে ভাসাই নাই। মনের আনন্দে ভাসালাম। প্রানের তাগিদে ভাসালাম। লাভ হল কিনা ভবিষ্যতেই বলবে।
 
বিদ্যালয়টি ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অনুমতি লাভ করে । পরিবেশটি স্নিগ্ধ ও সুনিবিড় হওয়ার কারনে ১৯৬৭ সালে থানা হেড কোয়ার্টার হিসেবে ঘোষিত হয়। ১৯৬৯ সাল থেকে এটি বহুমুখি পর্যায়ে উন্নীত হয়। ১৯৭১সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে অনুমতি প্রাপ্ত হয় এবং ১৯৮০সালে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
 
বর্তমানে একশ শতকের মোকাবেলায় প্রতিষ্ঠানটিতে কারিগরি শিক্ষাসহ সাধারন শিক্ষার সব রকম সুয়োগেই বর্তমান। পাঠ্যক্রমের অনেক শিক্ষার্থীদের ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ১৯৯৫ সালে বাংলদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউটোরিয়াল কেন্দ্র হিসেবে এস,এস,সি কোর্সেও চালু আছে বর্তমানে ২৮জন শিক্ষকসহ ৬জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। বৃত্তিমুলক শিক্ষার জন্য ৭জন অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষক আছেন। বিদ্যালয়টিতে যন্দ্রপাতি সংযোজিত রয়েছে।
 
বিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠে প্রতিনিয়তই পুরানো ছাত্র-ছাত্রীরা আসে দল বেধে শুভেচ্ছা জানাতে। যেন শরতের নীল আকাশে দল ছুটো মেঘ। এখানে প্রাক্তনরা ফিরে এসে স্মৃতি মন্থন করছে আর নব প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীরাও গেীরবময় ইতিহাস শুনে মুগ্ধ হচ্ছে। ২০০৯সালে সারাদেশে TQI SEPএর ১৫টি নির্বাচিত CCS (Cluster Center School) এর ১টি CCS হিসেবে নির্বাচিত হয় ২০১০সালে British Council এর Schools online প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জনাব খুরশীদুজ্জামান আহমেদ যিনি প্রতিষ্ঠাতার ৫ম পুত্র তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিলের একজন স্কুল এম্বাসেডর ( Schools Ambassador) নিযুক্ত হন।
 
বিতর্কে দেশ সেরা লালমনির হাটের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানশুধু প্রথমবারের পর পুনরায় ২০১৩ সালে সোমা, রুমা, রাব্বীর, টুম্পা ও সঞ্চয় এর একটি দল জাতীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে জয় রথ। ২০১৪ সালে প্রথম আলো ও পেপসোডেন্ট এর আয়োজনে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে জাতীয় পর্যায়ে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত অংশগ্রহণ এই টিম। এবার দল চ্যাম্পিয়ন না হলেও বারোয়ারী বিতর্কে জান্নাতুল নাঈম সোমা জাতীয়ভাবে  সেরাদের সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অর্থাৎ ২০১৪ সালেই  বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র, রংপুর অঞ্চলের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগীতায় কে,ইউ,পি স্কুল  চ্যাম্পিয়ন হয় এবং শ্রেষ্ঠ বক্তাদের মধ্যে বারোয়ারী বিতর্ক হলে সেখানেও  আলীরাজ আনছারী চ্যাম্পিয়ন হয়।
 
জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর আয়োজন ২০১৩ সালে উপস্থিত বিতর্কে কে ইউ পি স্কুলের দল জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে। ২০১৩ সালে ইসলামিক ফাঊন্ডেশন আয়োজিত তাৎক্ষণিক বক্তৃতায় জাতীয় ভাবে শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় শাহনেওয়াজ সম্রাট। শুধু দলগতভাবে নয় একক অর্জনেও সেরা শিক্ষার্থীরা। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী আয়োজিত একক বক্তৃতায় আমীর সোহেল রাব্বী জাঁতীয় ভাবে স্বর্ণ পদক লাভ করে।  ২০১৭ সালেও বাংলাদেশ শিশু একাডেমী আয়োজিত একক বক্তৃতায় দশম শ্রেণির ছাত্রী হাবিবা সুলতানা বন্যা শ্রেষ্ঠ হয় এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ আব্দুল হামিদ মহোদয়ের হাত থেকে স্বর্ণ পদক গ্রহণ করেন। 
 
২০১৬ সালের শুরুতেই আফিয়া জাহিন রোদসী জাঁতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে একক বিতর্কে” জাঁতীয় ভাবে অংশগ্রহণ করে তাঁরা বিভাগীয় পর্যায়ে সেরাদের তালিকায় থাকে।  গত ৬ ও ৭ মে, ২০১৬ তারিখে জাঁতীয় মানবাধিকার কমিশন, বিডিএফ ও ইউনিসেফ আয়োজিত জাঁতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রংপুর অঞ্চল চ্যাম্পিয়ন হয় । জাতীয়ভাবে উক্ত আয়োজনে তাঁরা প্রথম রানার আপ। ‘সমকাল বিজ্ঞান বিষয়ক বিতর্ক ২০১৬’ এ তাঁরা রংপুর জেলা চ্যাম্পিয়ন হয় । তাঁদের বির্তক বাসনা অদম্য। দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত হলেও বির্তক কর্মে প্রতিষ্ঠানের নাম ছড়িয়েছে সারা দেশে।
 
প্রতি বছরেই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ছাত্রছাত্রীরা অংশ নিয়ে আসছে।
 
এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালে ৯-১৩ ফেব্রুয়ারী এ বিদ্যালয় থেকে দুই কৃতি ছাত্রী উম্মে হাবিবা লিমা ও আফিয়া জাহীন রোদসি এশিয়ান ইংলিশ অলিম্পিকে অংশ নিতে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় নেয়। ২০১৮ সালে নেপালে পোখারায় ৬-৯ জানুয়ারী আন্তর্জাতিক স্ক্র্যাবল চ্যাম্পিয়নশীপে ১০ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে অংশ নিলেও এ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবু সাকিব চৌধুরী চ্যাম্পিয়ন হয়।
 
== অর্থনীতি ==
৩৯টি

সম্পাদনা