"শিশু নির্যাতন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্য থাকল এর পরিচালককে জানান।)
কমিউনিষ্ট যুগের সমাপ্তির পরে, অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। বাবা-মায়ের কর্তব্য পালনের ধারায় অনেক খোলাখুলি আর মেনে নেয়ার ব্যাপার যোগ হয় এবং শিশুদের সাথে বন্ধন দৃঢ় হয়, শিশু নির্যাতন তখনও ছিল একটি মারাত্মক চিন্তার বিষয় হিসেবে। যদিও এটি এখন সহজেই চিহ্নিত করা যায় তবুও এটি পুরোপুরি কখনোই বন্ধ হয়নি। পিতা-মাতার নিয়ন্ত্রনমূলক মনোভাব, অর্থ কষ্ট, বেকারত্ব লাঘব হলেও নেশাজাতীয় দ্রব্যে ব্যবহার ফলত নির্যাতন এখনও পূর্ব ইউরোপে শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে একটি বড় উপাদান।<ref name="Sebre, S. 2004" />
 
একটি গবেষনা চালানো হয় যাতে বাল্টিক, পূর্ব ইউরোপের দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা ছিলেন তারা [[লাটভিয়া]], [[লিথুনিয়া]], [[মেসিডোনিয়া]] এবং [[মালডোবা]] ইত্যাদি দেশে শিশু নির্যাতনের কারন পর্যালোচনা করেন। এ দেশগুলোতে যথাক্রমে ৩৩%, ৪২%, ১৮% এবং ৪৩% শিশু কমপক্ষে একটি শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে।<ref>{{সাময়িকী উদ্ধৃতি |authors=Sebre S, Sprugevica I, Novotni A, Bonevski D, Pakalniskiene V, Popescu D, Turchina T, Friedrich W, Lewis O |title=Cross-cultural comparisons of শিশু-reported emotional এবং শারীরিক নির্যাতন: Rates, risk factors এবং [[psychoসামাজিক]] উপসর্গ |journal=শিশু নির্যাতন & অবহেলা, the International Journal |volume=28 |issue=1 |pages=113–127 |year=2004 |pmid=15019442 |doi=10.1016/j.chiabu.2003.06.004}}</ref> তাদের পাওয়া ফলাফলের মতে, বাবা-মায়ের চাকুরি করা বা বেকার থাকা, মদ্যপান, পারিবারিক আকার ইত্যাদির সাথে শিশু নির্যাতনের সম্পর্ক রয়েছে।<ref name="Sebre, S. 2004" /> চারটি দেশের মধ্যে তিনটি দেশেই বাবা-মায়ের বস্তুগত নির্যাতনের সাথে শিশু নির্যাতনের সম্পর্ক পাওয়া গেছে এবং যদিও খুব কম হার দেখাচ্ছে তবুও এটি চতুর্থ দেশেও পাওয়া গেছে।<ref name="Sebre, S. 2004" /> Eachপ্রত্যেকটি countryদেশেই alsoদেখা showedগেছে aবাড়ির connectionবাইরে betweenকাজ theকরেন fatherনা notএমন workingপিতার outsideউপস্থিতির ofসাথে theশারীরিক homeঅথবা এবংমানসিক eitherশিশু emotionalনির্যাতনের or শারীরিক শিশুসম্পর্ক নির্যাতন.রয়েছে।<ref name="Sebre, S. 2004" />
 
সাংস্কৃতিক এই পার্থক্য অনেক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পর্যালোচনা করা যায়। বেশি গুরুত্বপূর্ন হল সবদেশেই বাবা-মায়ের আচরণ একেক রকম। একটি সংস্কৃতিতে একটি আচরণ একেকভাবে গ্রহণ করা হয় এবং হয়ত অন্য সংস্কৃতিতে তা অগ্রহণযোগ্য। এক দেশে হয়ত যেটা স্বাভাবিক অন্য দেশে তা নির্যাতন বলে ধরা হয় এসবই ঐ দেশের সামাজিক রীতিনীতি।<ref name="Sebre, S. 2004" />
১,৯৩১টি

সম্পাদনা