বানৌজা সালাম বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি পরিবর্তিত টাইপ ০২১ ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজ। এটি ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত রয়েছে।

ইতিহাস
বাংলাদেশ নৌবাহিনী
নাম: বানৌজা সালাম
নির্মাতা: জিয়াংনান শিপইয়ার্ড, সাংহাই
কমিশন লাভ: ২০০২
কার্যসময়: ২০০২ – বর্তমান
মাতৃ বন্দর: চট্টগ্রাম
শনাক্তকরণ: Pennant number: P 712
অবস্থা: সক্রিয়
বাংলাদেশ নৌবাহিনী
নাম: বানৌজা দুর্বার
কমিশন লাভ: ১০ নভেম্বর ১৯৮৮
কার্যসময়: ১৯৮৮ – ১৯৯১
শনাক্তকরণ: Pennant number: P 8127
নিয়তি: ডুবে যাওয়া
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার ও শ্রেণী: টাইপ ০২১-শ্রেণী গানবোট
ওজন:
  • 171 tons standard
  • 205 tons full load
দৈর্ঘ্য: ৩৮.৬ মি (১২৭ ফু)
প্রস্থ: ৭.৬ মি (২৫ ফু)
গভীরতা: ২.৭ মি (৮ ফু ১০ ইঞ্চি)
প্রচালনশক্তি:
  •  × ৪,০০০ পিএইচ ডিজেল ইঞ্চিন
  • থ্রি শ্যাফট
গতিবেগ: ৩৫ নট (৬৫ কিমি/ঘ; ৪০ মা/ঘ)
সীমা: ৮০০ নটিক্যাল মাইল (১,৫০০ কিমি; ৯২০ মা) at ৩০ নট (৫৬ কিমি/ঘ; ৩৫ মা/ঘ)
লোকবল: 28
সেন্সর এবং
কার্যপদ্ধতি:
1 × Type 352 Square Tie
রণসজ্জা:

জাহাজটি ৪০০০ অশ্ব শক্তির তিনটি ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত। সালাম সর্বোচ্চ গতি ৩৫ নট (ঘন্টায় ৬৫ কিলোমিটার বা ৪০ মাইল)। এর রেঞ্জ ৩০ নট (ঘন্টায় ৫৭ কিলোমিটার বা ৩৫ মাইল) এর ৮০০ ন্যাটিক্যাল মাইল (১৫০০ কিলোমিটার, ৯২০ মাইল)।[১]

জাহাজটি যুদ্ধ সরঞ্জাম হিসেবে একটি ৪০ মিমি এএ বন্দুক এবং দুটি ৩০ মিমি এএ বন্দুক বহন করে। এছাড়া এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ অনুসন্ধানের জন্য এক ধরণের ৩৫২ স্কয়ার টাই রাডার দিয়ে সজ্জিত।[১][২][৩]

১৯৮৮ সালের ১০ নভেম্বর বানৌজা দুর্নিবার হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করে। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে জাহাজটি অকেজো হয়ে কর্ণফুলী নদীতে ডুবে যায়। পরবর্তীতে এটিকে সংস্কার করে গানবোটে পরিবর্তন করা হয় এবং ২০০২ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বানৌজা সালাম নামে কমিশন লাভ করে।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Saunders, Stephen (২০০৭)। Jane's Fighting Ships 2007–2008। Coulsdon, Surrey, UK: Jane's। পৃষ্ঠা 49। আইএসবিএন 978-0-7106-2799-5 
  2. Friedman, Norman (২০০৬)। The Naval Institute Guide to World Naval Weapon Systems। Annapolis, MD: Naval Institute Press। আইএসবিএন 978-1557502629 
  3. "Huangfeng Class (Type 021)"GlobalSecurity.org। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৫