বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি

৩১ মার্চ, ১৯৭৩ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটি আদেশে ১৯৭৩ (পিও-২৬) জারি করেন । এই আদেশের বলে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল থেকে 'বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটি' স্বীকৃতি লাভ করে।[১] এরপর, ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রেডক্রসের ২২তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তেহরানে বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটি আন্তর্জাতিকভাবে পূর্ণ স্বীকৃতি লাভ করে।[১] দেশ বিভাগের পরবর্তী ১৯৪৭ সালের ২০ ডিসেম্বর দুই পাকিস্তান যখন এক ছিল তখন থেকে এর কার্যক্রম এই অন্ঞলে শুরু হয়েছিল অবশ্য।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
Bangladesh Red Crescent Society Logo.png
গঠিত১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১; ৫০ বছর আগে (1971-12-16)
সদরদপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
দাপ্তরিক ভাষা
বাংলা, ইংরেজি
সভাপতি
আব্দুল হামিদ
চেয়ারম্যান
মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহ্হাব
ওয়েবসাইটhttp://www.bdrcs.org/

১৯৮৮ সালে সংগঠনটির নাম পরিবর্তন করে 'বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি' রাখা হয়।[২] সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। সংস্থাটি দেশের বিভিন্ন মানবিক বিপর্যয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আর্তমানবতার সেবা করে থাকে। সংগঠনটির বর্তমান চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম ‍আব্দুল ওয়াহাব[৩]

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, জাতীয় সদর দপ্তর, মগবাজার, ঢাকা -১২১৭। প্রবেশপথ, হাতিরঝিল, মগবাজার।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "মানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্ট"সমকাল। ৮ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০১৯ 
  2. "বিশ্ব রেড ক্রিসেন্ট দিবস মঙ্গলবার"বাংলানিউজ২৪.কম। ৮ মে ২০১২। ২৭ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০১৯ 
  3. প্রতিবেদক, নিজস্ব। "বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নতুন চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহ্হাব"Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১১-২৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]