বাংলাদেশে বিহারী নিপীড়ন

বাংলাদেশে বিহারী নিপীড়ন একটি বিতর্কিত প্রপঞ্চ। ১৯৪৭-এ পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর ভারতের বিহার অঞ্চল থেকে স্থানীয় উর্দুভাষী মুসলিমদের একটি অনেক বড় অংশ পাকিস্তানের তৎকালীন পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) আসে। সাধারণভাবে এদেরকেই বিহারী বলা হয়ে থাকে। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের করা যাটের দশকের শেষাংশে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, পূর্ব পাকিস্তানে আসা উর্দুভাষী বিহারীর সংখ্যা ২০ লক্ষ।[১] পূর্ব পাকিস্তানের স্থানীয় মানুষের ভাষা ছিল বাংলা। সাংস্কৃতিক ভিন্নতাও ছিল। ফলে সব মিলিয়ে এই কয়েক লক্ষ লোকের আগমন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালীদের কাছে আগন্তুকের মত ছিল।[১] ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বিহারিদের একটি বৃহৎ অংশ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা প্রদান করে এবং মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ বাঙালি নিধনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। তারা লুটতরাজ, ধর্ষণ ও বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে। ফলে বাঙালি ও বিহারিদের মধ্যে একধরনের বৈরি সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। এর ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে বিচ্ছিন্নভাবে বাঙালিদের মাধ্যমে বিহারী নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট বিহারীদেরকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভের উপযুক্ত বলে আদেশ দিয়েছিল' কিন্তু ৫০০০০০ জন পাকিস্তানে প্রত্যাবর্তন বেছে নিয়েছিল।[২][৩] কিছু প্রত্যাবর্তন রেডক্রসের মাধ্যমে কয়েক বছর ধরে বাস্তবায়িত হয়েছিল[৪], কিন্তু ১৯৭৮ সালে পাকিস্তানী সরকার বাংলাদেশের বাকি পাকিস্তানীদের পাকিস্তানী নাগরিকত্ব লাভের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করে।[৩]

ইতিহাসসম্পাদনা

বিহার ত্যাগসম্পাদনা

১৯৫১ সালের শুমারি অনুযায়ী পূর্বপাকিস্তানে ৬৭১০০ জন বিহারী ছিল; ১৯৬১ সালে  বিহারী জনসংখ্যা ৪৫০০০০ জনে পৌঁছে। বিস্তারিত হিসাবমতে, ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের পরবর্তী দুই দশকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মুসলিম পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহার থেকে পূর্ববাংলায় চলে এসেছিল।[৫] দেশভাগ ১২.৫ মিলিয়ন পর্যন্ত মানুষকে বাস্তুচ্যুত করেছিল, লক্ষ লক্ষ মুসলমান ও হিন্দু দেশ ত্যাগ করে যথাক্রমে পাকিস্তান ও ভারতের স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চলে এবং হিন্দুরা বর্তমানকালের পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে গিয়েছিল।[৬][৭]

পটভূমিসম্পাদনা

বিহারী ও বাঙালিদের ভেতর সাম্প্রদায়িক নৃশংসতার কারণ হিসেবে যা উল্লেখ করা হয় তা হল বাঙালিদের রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে উর্দুর বিরোধীতা করা, যার ফলাফল বাংলা ভাষা আন্দোলন। পূর্ব পাকিস্তানের অপেক্ষাকৃত ধর্মনিরপেক্ষ মনোভাব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের ধর্মভিত্তিক রাজনীতি দুই সম্প্রদায় ও দেশের দুই অঞ্চলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছিল।[৮] ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিহারীরা আওয়ামী লীগের পরিবর্তে মুসলিম লীগকে সমর্থন করেছিল। সংগত কারণেই মুক্তিযুদ্ধেও তারা বাংলাদেশ-বিরোধী অবস্থান নেয়। অবিচ্ছিন্ন পাকিস্তান সময়ে (১৯৪৭-৭১) তারা নিজেদেরকে পশ্চিম পাকিস্তানী বলে পরিচয় দিত।[৯]

সশস্ত্র প্যারামিলিশিয়া গ্রুপ, যেমন আল-শামস, রাজাকার এবং আলবদরকে সশস্ত্র বাহিনীকে বিহারীরা সমর্থন করেছিল। এই বাহিনীগুলো বাঙালি, সাধারণ মানুষ, ধর্মীয় ও সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিরুদ্ধে গণহত্যার পরিচালনা করে। গবেষকদের মতে, এই হত্যাযজ্ঞে মৃত মানুষের সংখ্যা বিশ থেকে ত্রিশ লক্ষ। আরজে রুমেল ও ম্যাথু হোয়াইট এর হিসেবে, মৃত সাধারণ বাঙালির সংখ্যা ১.৫ মিলিয়ন।[১০][১১] হামুদুর রহমান কমিশনের বিতর্কিত রিপোর্ট মতে, পাকিস্তানিরা মাত্র ২৫,০০০ হত্যাকাণ্ড পরিচালনার কথা স্বীকার করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিহারীরা মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে নারী নির্যাতনেও ব্যাপকভাবে অংশ নেয়। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতা, লুটপাট, অত্যাচার ও বাঙালি নিধনের কারণে বিহারীদের সঙ্গে বাঙালিদের বিদ্বেষপূর্ণ সম্পর্কের সূত্রপাত হয়।

মুক্তিযুদ্ধকালীন ইতিহাসসম্পাদনা

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর পূর্বপাকিস্তানের বাঙালি প্রতিরোধ বাহিনী অবাঙালিদের (মূলত পশ্চিম পাকিস্তানী ও বিহারী) হত্যা করেছিল বলে দাবি করা হয়।[১২] লেখক শর্মিলা বোস, তার ডেড রিকোনিংঃ মেমোরিস অব দ্যা ১৯৭১ বাংলাদেশি ওয়ার বইতে এই দাবি তুলেছেন, যদিও বোসের বই বিতর্কিত বলে বিবেচিত হয়। তার বই বহু ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক এবং লেখক দ্বারা কঠিন সমালোচিত হয়েছিল।[১৩][১৪][১৫]

বর্তমান অবস্থাসম্পাদনা

যদিও অনেক বিহারী বাংলাদশের বাঙালি জনসাধারণের ভেতর অঙ্গিভূত হয়ে গিয়েছে, কিছু পাকিস্তানে চলে গিয়েছে এবং বাংলাদেশজুড়ে শরনার্থী শিবিরে অবস্থান নিয়েছে।[১৬] এক হিসাবমতে বাংলাদেশের শহুরে শরনার্থী শিবিরে এখনো কমপক্ষে ২,৫০,০০০ বিহারী রয়েছে।[১৭] ক্যাম্পগুলো বস্তিতে পরিণত হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড়টি (জেনেভা ক্যাম্প নামে পরিচিত, যাতে ২৫,০০০ এর বেশি লোক আছে) ঘনবসতিপূর্ন ও অনুন্নত; ১০ জন লোকের একটি পরিবার একটি কক্ষে থাকে[১৮],৯০ টি পরিবার একটি ল্যাট্রিন ভাগাভাগি করে এবং পাঁচ শতাংশের কম লোকের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আছে। শিক্ষার সুযোগের অভাবে এবং জীবনের নিম্ন মানের কারণে বস্তির তরুনেরা সম্প্রদায়ে শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধির জন্য উর্দুভাষী যুব উন্নয়ন সংগঠন (উর্দুভাষী তরুন ছাত্র সংস্থা) প্রতিষ্ঠা করেছে। খারাপ ড্রেইনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে স্বাস্থ্য[১৯] ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সমস্যা লেগেই থাকে এবং খবর প্রতিবেদনে ও একাডেমিক জার্নালে বিহারীদের অর্থনৈতিক অবস্থা অতি দরিদ্র বলে  প্রকাশিত হয়েছে।[১৮]

২০১৪ সালের কালশী সংঘর্ষসম্পাদনা

২০১৪ সালে মিরপুরে স্থানীয়দের সঙ্গে বিহারীদের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।[২০] এই সংঘর্ষের একপর্যায়ে কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাঙালি একটি বিহারী পরিবারের আটজনসহ মোট নয় জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরে ফেলে।[২১]

আক্রমণে প্ররোচনাদানের জন্য বিহারীরা আওয়ামী লীগের জনৈক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লাকে দোষারোপ করেছিল।[২২] ইলিয়াস মোল্লা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন এবং অভিযোগটি তার বিরুদ্ধে একধরনের "স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র" বলে জানান।[২৩]

নাগরিকত্ব প্রদানসম্পাদনা

২০০৩ সালের মে মাসে বাংলাদেশে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে দশজন বিহারী শরণার্থীকে নাগরিকত্ব ও ভোটের অধিকার প্রদান করে।[২৪] এই আইন বিহারীদের মধ্যে প্রজন্মের ব্যবধান উন্মোচিত করেছিল; তরুন বিহারীরা পরম উল্লাসিত হয়েছিল, কিন্তু অনেক বয়স্ক মানুষ "উৎসাহে ভাটা" অনুভব করেছিল এবং বলেছিল তাদের আসল বাড়ি পাকিস্তানে।[২৫] অনেক বিহারী এখন বৃহত্তর নাগরিক অধিকার এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রত্যাশী।[২৬]

২০০৮ এর ১৯ মে, ঢাকা হাই কোর্ট ১,৫০,০০০ জন শরণার্থী যারা ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংখ্যালঘু ছিল, তাদের নাগরিকত্ব ও ভোটের অধিকার অনুমোদন করে।[২৭][২৮] যারা যুদ্ধের পর জন্ম নিয়েছিল তারাও নাগরিকত্ব ও ভোটের অধিকার অর্জন করে। ২০০৮ সালের সাধারন নির্বাচনে অনেক রাজনৈতিক দল বিহারী ভোটের জন্য ক্যাম্পে প্রচার অভিযান চালিয়েছিল এবং দলটি পার্টি ও প্রার্থীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়েছিল।[২৯]

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. পারভীন, ফারহানা (২০১৭-০৮-১৮)। "উর্দুভাষীরা কেন বাংলাদেশের মূল সমাজে মিশতে পারেনি?"BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৫-২২ 
  2. Khan, Borhan Uddin; Muhammad Mahbubur Rahman (২০১০)। Rainer Hofmann, Ugo Caruso, সম্পাদক। Minority Rights in South Asia। Peter Lang। পৃষ্ঠা 101। আইএসবিএন 978-3631609163 
  3. Abdus Sattar Ghazali (২৪ জানুয়ারি ২০১৩)। "Four decades of sufferings of the stranded Pakistanis in Bangladesh" 
  4. "Bangladesh: ICRC honoured for helping victims of 1971 conflict"। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০১৩ 
  5. Joya Chatterji (২০১০)। The Spoils of Partition। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 166। আইএসবিএন 978-1-139-46830-5। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৩ 
  6. Veena Kukreja; M P Singh (২৩ নভেম্বর ২০০৫)। Pakistan: Democracy, Development and Security Issues। SAGE Publications। পৃষ্ঠা 40–। আইএসবিএন 978-0-7619-3416-5। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৩ 
  7. Nazli Kibria (২০১১)। Muslims in Motion: Islam and National Identity in the Bangladeshi Diaspora। Rutgers University Press। পৃষ্ঠা 11–। আইএসবিএন 978-0-8135-5055-8। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৩ 
  8. James Heitzman and Robert Worden (eds), সম্পাদক (১৯৮৯)। "Pakistan Period (1947–71)"Bangladesh: A Country Study। Government Printing Office, Country Studies US। আইএসবিএন 0-16-017720-0। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০০৭ 
  9. M. R. Biju (২০১০)। Developmental Issues in Contemporary India। Concept Publishing Company। পৃষ্ঠা 246। আইএসবিএন 978-81-8069-714-2। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০১৩ 
  10. "Statistics Of Pakistan's Democide"। Hawaii.edu। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৩ 
  11. White, Matthew J। The Great Big Book of Horrible Things। New York: W.W. Norton। পৃষ্ঠা 190। 
  12. Gerlach, Christian (১৪ অক্টোবর ২০১০)। Extremely Violent Societies: Mass Violence in the Twentieth-Century World। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 148ff। আইএসবিএন 978-1-139-49351-2। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৩ 
  13. "Controversial book accuses Bengalis of 1971 war crimes"BBC। ১৬ জুন ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  14. "Bose is more Pakistani than Jinnah the Quaid"The Sunday Guardian। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  15. "Flying Blind: Waiting for a Real Reckoning on 1971"The Daily Star। ৩ অক্টোবর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  16. "Biharis"। Minority Rights Group International। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৩ 
  17. "Biharis of Bangladesh, World Directory of Minorities"। Faqs.org। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৩ 
  18. Rafferty, Mark; Anna Gilmer (১৭ জুলাই ২০১০)। "Bangladesh's forgotten students: The Biharis struggle"Global Post 
  19. Farzana, Kazi Fahmida (২০০৮)। "The Neglected Stateless Bihari Community in Bangladesh: Victims of Political and Diplomatic Onslaught" (PDF)Journal of Humanities and Social Sciences2 (1)। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৩ 
  20. Azad, Adib; Shaon, Ashif Islam (১৮ জুন ২০১৪)। "Mirpur clashes kill 10 Biharis"Dhaka Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  21. "9 burnt dead, another 'gunned down'"The Daily Star। ১৪ জুন ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  22. "Biharis point fingers at Elias"The Daily Star। ১৬ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  23. Chowdhury, Kamran Reza (২৩ জুন ২০১৪)। "Bihari Camp Arson Attack: Elias Mollah denies role"Dhaka Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  24. Rahman, Waliur (৬ মে ২০০৩)। "Vote for 'stranded Pakistanis'"BBC 
  25. Lawson, Alastair (২৮ মে ২০০৩)। "Mixed feelings over Bihari ruling"BBC 
  26. "Bangladesh: Stateless Biharis Grasp for a Resolution and Their Rights" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২১ মার্চ ২০০৭ তারিখে, Refugees International
  27. Dhaka, Reuters (১৮ মে ২০০৮)। "Court rules that young Biharis are Bangladesh citizens"Reuters 
  28. Shahnaz Parveen (২৬ মে ২০০৬)। "Citizenship debate comes to end but doubts and worries remain"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০১৩ 
  29. Manik, Julfikar Ali (২৬ ডিসেম্বর ২০০৮)। "Parties go innovative to grab Bihari votes"The Daily Star 

উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "BBC 19 May 2008" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "MAR-1" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Bradley 2013 p201" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Singh 1996 p256" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Southwick 2012 p117" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Siddiqi 2005 p171" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Yasmin 2007 p174" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Saikia 2011 p3" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Brownmiller p81" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Chitkara1997" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Jacobs2009" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Democide" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Saikia Women, War" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Gerlach" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Bennett Jones" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Jones" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "The Age 1972" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Mirza 2005" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Dawn 2004" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "McRobie 2003" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "safhr" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "RefInt" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "BBC 31 July 2002" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "rediff" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Mahmud 1995" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "Shah1997" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।

উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "TOI" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।