প্রোটেস্ট হল যে কোনও ইউক্যারিওটিক জীব (যা একটি জীব যার কোষে কোষের নিউক্লিয়াস থাকে) যা প্রাণী, উদ্ভিদ বা ছত্রাক নয়। যদিও প্রোটেস্টরা একটি সাধারণ পূর্বপুরুষ (সর্বশেষ ইউক্যারিওটিক সাধারণ পূর্বপুরুষ) ভাগ করে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, ইউক্যারিওটসকে বাদ দেওয়ার অর্থ প্রতিবাদীরা একটি প্রাকৃতিক দল বা শ্লেড গঠন করে না সুতরাং কিছু প্রতিবাদকারী আরও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হতে পারে প্রাণী, গাছপালা বা ছত্রাকের চেয়ে অন্য প্রতিবাদকারীদের তুলনায়; তবে শৈবাল, ইনভার্টেবারেটস বা প্রোটোজোয়ানের মতো গ্রুপিংটি সুবিধার্থে ব্যবহৃত হয়। প্রতিবাদকারীদের অধ্যয়নকে প্রোটেস্টোলজি বলা হয়।

প্রোটিস্ট
সময়গত পরিসীমা: নিওপ্রোটেরোজোয়িক-বর্তমান
Protist collage.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
ক্ষেত্র: সুকেন্দ্রিক
জগৎ: প্রোটিস্টা*
হ্যাকেল, ১৮৬৬
আদর্শ পর্বসমূহ

আরও অনেক;
শ্রেণীবিন্যাস সুনির্দিষ্ট নয়


আদ্যপ্রাণী বা প্রোটিস্টা (গ্রিক প্রোটিস্টন/প্রোটিস্টা - সবথেকে প্রথম) হল বিভিন্ন ধরনের সরল, ইউক্যারিওট, এককোষী, আণুবীক্ষণিক জীবের শ্রেণী যাদেরকে ছত্রাক, প্রাণী বা উদ্ভিদ কোন বিভাগেই ফেলা যায় না।

বৈশিষ্ট্যসম্পাদনা

  • এককোষী, আণুবীক্ষণিক প্রাণী।
  • দ্বিবিভাজন বা বহুবিভাজন পদ্ধতিতে শুধুমাত্র অযৌন জনন সম্পন্ন করে।
  • সাধারণত এককোষী দেহে একটিমাত্র নিউক্লিয়াস থাকে। ব্যতিক্রম: প্যারামিসিয়ামের দুটি নিউক্লিয়াস এবং ওপালিনাতে বহু নিউক্লিয়াস থাকে।
  • বিশেষ গমনাঙ্গের সাহায্যে গমন করে। যেমন-- অ্যামিবার ক্ষণপদ, প্যারামিসিয়ামের সিলিয়া এবং ইউগ্লিনার ফ্ল‍্যাজেলা আছে।
  • শুধুমাত্র অন্তঃকোষীয় পরিপাক পদ্ধতি দেখা যায়।
  • সমগ্র দেহাবর্ণী দিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাসীয় আদানপ্রদানের সাহায্যে শ্বসন প্রক্রিয়া চলে।
  • দেহে বিভিন্ন প্রকার গহ্বর বা ভ্যাকুওল (vacuole) দেখা যায়। যেমন—১। খাদ্যগহ্বর, ২। রেচনগহ্বর, ৩। জলগহ্বর, ৪। সংকোচনশীল গহ্বর ইত্যাদি।
  • সংকোচনশীল গহ্বরের সাহায্যে দেহের অতিরিক্ত জল দেহের বাইরে মুক্ত করে, অর্থাৎ দেহে জলের ভারসাম্য বজায় রাখে।
  • প্রোটোপ্লাজমের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কোষ অঙ্গাণু সৃষ্টি করে।
  • দেহ গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনিয়তাকার।
  • বিভিন্ন প্রকারের পরজীবী প্রাণী।