প্রথম বাজিরাও (১৮ আগস্ট ১৭০০ – ২৮ এপ্রিল ১৭৪০) ছিলেন একজন প্রসিদ্ধ ভারতীয় সেনাপতি। তিনি মারাঠা সম্রাট শাহুর পেশওয়া (প্রধানমন্ত্রী) হিসেবে দাহিত্বপালন করেছেন। ১৭২০ থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি পেশওয়া ছিলেন। তার অন্যান্য নামের মধ্যে ছিল বাজিরাও বল্লাল এবং থোরালে (মারাঠি ভাষাও অর্থ "জ্যেষ্ঠ) বাজিরাও।[৩] তিনি ডাকনাম রাও (মারাঠি 'राऊ') নামেও পরিচিত।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]


প্রথম বাজিরাও

श्रीमंत बाजीराव बल्लाळ बाळाजी भट
Peshwa Baji Rao I riding horse.jpg
Flag of the Maratha Empire.svg মারাঠা সাম্রাজ্যের পেশওয়া
কাজের মেয়াদ
১৭২০ – ১৭৪০
সার্বভৌম শাসকছত্রপতি শাহু
পূর্বসূরীবালাজি বিশ্বনাথ
উত্তরসূরীবালাজি বাজিরাও
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৭০০-০৮-১৭)১৭ আগস্ট ১৭০০
মৃত্যু২৮ এপ্রিল ১৭৪০(1740-04-28) (বয়স ৩৯)
রাভেরখেদি
দাম্পত্য সঙ্গীকাশিবাই, মাস্তানি
সম্পর্কচিমনাজি আপ্পা (ভাই)
সন্তাননানাসাহেব পেশওয়া (বালাজি বাজিরাও), রঘুনাথরাওপ্রথম শমশের বাহাদুর (কৃষ্ণ রাও)
পিতামাতাবালাজি বিশ্বনাথ ও রাধাবাই
ধর্মহিন্দুধর্ম

বাজিরাও তার সেনাদের পরিচালনার দায়িত্ব হাতে নিয়েছিলেন। হিন্দু সাম্রাজ্যকে সবদিকে বিস্তারের জন্য তাকে কৃতিত্ব দেয়া হয়। বাজিরাও 41 টা যুদ্ধে অপরাজিত থাকেন যা পৃথিবীর আর কোন রাজা বা যোদ্ধাদের পক্ষে সম্ভব হয় নি। 1737 এ মুঘলদের হারিয়ে 48 দিনের পথ 2 দিনেই অতিক্রম করে লালকিল্লাতে গৈরিক পতাকা উত্তোলন করেন যা ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।

প্রথম জীবনসম্পাদনা

বাজিরাও একজন মারাঠী ব্রাহ্মণ ছিলেন। তার বাবার নাম হল বালাজি বিশ্বনাথ এবং মায়ের নাম হল রাধাবাই। তিনি ভাট পরিবার থেকে এসেছেন।

পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধসম্পাদনা

পর্তুগিজরা ভারতের পশ্চিম উপকূলের অনেক এলাকা নিজেদের দখলে এনেছিল ।তারা মারাঠাদের সাথে করা কিছু চুক্তির লঙ্ঘন করে এবং তাদের এলাকায় হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধে ষড়য্ন্ত্র করে। ফলে 1737 সালের মার্চ মাসে বাজিরাও পর্তুগিজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য চিমনাজিকে অধিনায়ক করে মারাঠা সেনাদের পাঠান।ভাসাইএর যুদ্ধে মারাঠারা থানা ফোর্ট নিজেদের দখলে এনেছিল।তবে মুঘল সাম্রাজ্য উত্তর দিকে বিস্তৃত হওয়ার কারণে মারাঠারা তাদের নজর পর্তুগিজদের ওপর থেকে সরিয়ে নেয়।

আরও পড়ুনসম্পাদনা

আরো দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

পূর্বসূরী
বালাজি বিশ্বনাথ ভাট
পেশওয়া
১৭২০–১৭৪০
উত্তরসূরী
বালাজি বাজি রাও
  1. Arvind Javlekar (২০০৫)। Lokmata Ahilyabai। Ocean Books (P)Ltd.। 
  2. James Heitzman (২০০৮)। The City in South Asia। Routledge। 
  3. Sandhya Gokhale (২০০৮)। The Chitpavans: social ascendancy of a creative minority in Maharashtra, 1818-1918। Shubhi। পৃষ্ঠা 82। আইএসবিএন 978-81-8290-132-2