পোল্ট্রি (/ˈpltri/) হলো পোষা প্রাণী যেগুলো মানুষ তাদের ডিম, তাদের মাংস এবং তাদের পালকের জন্য পেলে থাকে। এই পাখিগুলো সাধারণত গ্যালোয়ানোসেরা বর্গের অন্তর্গত বিশেষ করে গাল্লিফর্মস বর্গের (যেটির মাঝে রয়েছে মুর্গী, কালি এবং টার্কি)।

পৃথিবীর সব পোল্ট্রি মুরগী

পোল্ট্রির মাঝে অন্যান্য পাখিও রয়েছে যেগুলোকে তাদের মাংসের জন্য মারা হয়, যেমন ছোট কবুতর। কিন্তু যেসকল বন্য পাখিকে শিকার করা হয় সেসকল পাখিকে পোল্ট্রি হিসেবে ধরা হয়না বরং তারা শিকারযোগ্য পাখি হিসেবে পরিচিত। "পোল্ট্রি" শব্দটি ফ্রেঞ্চ/নরমান শব্দ "পোলে" থেকে এসেছে, যেটির আবির্ভাব হয়েছে ল্যাটিন শব্দ "পুলুস" থেকে, যার অর্থ ছোর প্রাণী।

"পোল্ট্রি" শব্দটি এসেছে ইংরেজি "পুল্ট্রি" থেকে, পুরোনো ফ্রেঞ্চ "পুলেটিয়ার" থেকে pouletrie, পোল্ট্রি ডিলার শব্দটি এসেছে "পুল্লেট" থেকে।[১] "পুল্লেট" শব্দটি এসেছে মধ্য ইংলিশ "পুলেট" থেকে, যা এসেছে পুরোনো ফ্রেঞ্চ "পোলেট" এবং ল্যাটিন "পুলুস" উভয়টি থেকে, যার অর্থ এক ধরনের ছোট প্রাণী বা মুরগী।[২][৩] "ফাউল" শব্দটির মূল হলো জার্মানি।[৪]

সঙ্গাসম্পাদনা

"পোল্ট্রি" শব্দটি দ্বারা সবধরনের পোষ্য প্রাণীকে বুঝায় যেগুলোকে প্রয়োজনে বড় করা হয় ও পালা হয়, কিন্তু পোল্ট্রি বলতে খাঁচার পাখিকে বুঝানো হয়না যেমন টিয়া পাখি, ময়না। "পোল্ট্রি" কে বলা যায় একধরনের পোষ্য গেলোয়ানোসেরা, যাদের মাঝে রয়েছে মুগরী, টার্কি, হাঁস, যাদেরকে মাংস ও ডিমের জন্য পালা হয়।[১]

উদাহরণসম্পাদনা

পাখি বন্য পূর্বপুরুষ পোষ ব্যবস্থা ছবি
মুরগী লাল বন্যপাখী দক্ষীণপূর্ব এশিয়া ডিম এবং মাংস  
টার্কি বন্য টার্কি মেক্সিকো মাংস  
হাঁস ম্যালার্ড বিভিন্ন ডিম এবং মাংস  
রাজহাঁস গ্রেলেগ বিভিন্ন ডিম এবং মাংস  
ঘানা পাখি আফ্রিকা মাংস  
কবুতর রক ডাভ মধ্যপ্রাচ্য মাংস  

মুরগীসম্পাদনা

 
টিকলিসহ মোরগ

মুরগী হলো মাঝারি আকারের মোটা পাখি, যেগুলোকে তাদের মাথার উপর মাংসের মতো লাল রঙের টিকলি দ্বারা চেনা যায়। পুরুষরা, যেগুলোকে মোরগ বলা হয়, সাধারণত আকারে বড় হয় এবং এদের রঙ আরও ঘাঢ় হয়। মুরগীরা সাধারণত চারপাশে বিভিন্ন পাতা খোঁজে বেড়ায় বীজের জন্য এবং ছোট ছোট পোকার জন্য। তারা কোন বিপদ দেখতে পেলে উড়তে পারে, আর তাড়া করা হলে দ্রুত গতিতে ছুটতেও সক্ষম।[৫][৬] ৭,০০০ এবং ১০,০০০বছর পূর্বেই প্রাণীকে পোষ মানানো শুরু হয়, উত্তর-পূর্ব চীনে মুরগীর হাড় পাওয়া গিয়েছে যেগুলো ৫,৪০০ বিসি সময়কার। গবেষকরা বিশ্বাস করেন মোরগ লড়াই এর উদ্দেশ্যেই প্রাণীদের পোষ মানানো শুরু হয়, কারণ পুরুষ পাখিরা বিশ্বস্ত লড়াকু ছিলনা। ৪০০০বছর আগেই মুরগীরা ইন্দুস ভ্যালেতে পৌঁছে এবং ২৫০বছর পর মিশরে পৌঁছে। তাদেরকেও যুদ্ধের জন্য ব্যবহার করা হতো এবং শক্তির প্রতীক ছিল। রোমানরা এগুলোকে ভবিষ্যৎ বাণীর জন্য ব্যবহার করতো, আর মিশরীয়রা কৃত্রিমভাবে ডিম ফোটানোর পদ্ধতি আবিষ্কার করে। [৭] তখন থেকে, সারা পৃথিবীতে মুরগী রাখার ব্যবস্থা ছড়িয়ে গিয়েছে কারণ এগুলো মাংস ও ডিমের চাহিদা মেটায়।[৮]

মোরগ লড়াইসম্পাদনা

মোরগ লড়াই হলো পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো দর্শকদের খেলা যেটির উৎপত্তি হয়েছে ৬,০০০বছর পূর্বে পার্সিয়াতে। দুইজন পুরুষকে (মোরগ) লড়াই করার জন্য পাঠানো হয়, আর তারা ততক্ষন পর্যন্ত লড়াই করবে যতক্ষন পর্যন্ত অন্য মোরগ আহত বা মারা না যায়। এই খেলাটি প্রাচীন ভারত, চীন, গ্রীক এবং রোমানদের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে গিয়েছে।[৯] প্রাণীদের প্রতি নিশংসতার জন্য বর্তমানে কয়েকটি দেশে এই খেলাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।[১০]

হাঁসসম্পাদনা

হাঁস হলো মাঝারি আকারের জলজ প্রাণী, এদের মাথার দু'পাশে চোখ থাকে, লম্বা গলা থাকে এবং শরীরের নিচে ছোট পাঁ থাকে। পুরুষ হাঁস সাধারণত মহিলা হাঁস থেকে আকারে বড় হয়। হাঁস সাধারণত সর্বভোজী হয়, যা বিভিন্ন প্রকার প্রাণী ও উদ্ভিদ খেয়ে থাকে যেমন; বিভিন্ন জলজ পোকা এবং ঘাস। বেশিরভাগ হাঁসই উড়ার পক্ষে অনেক বেশি ভারী হয় এবং তারা সামাজিক পাখি যেগুলো দল আকারে ঘুরে বেড়ায়।

 
পেকিন হাঁস

চীনে ৪০০০বিসি সময়কার হাঁসের মাটির মূর্তি পাওয়া গিয়েছে, যার দ্বারা বুঝা যায় সেখানে হাস পালন শুরু হয়েছিল ইয়াংশাও সম্প্রদায়ে। এটি বাদেও পশ্চিম থেকে পূর্বে প্রায় ১৫০০বছর আগে হাঁস পালন শুরু হয়েছে।

রাজহাঁসসম্পাদনা

গৃহপালিত রাজহাঁসগুলো বন্য রাজহাঁস থেকে অনেক বেশি বড় হয়ে থাকে ও মোটা গলা থাকে। চীনা রাজহাঁসকে ডিম উৎপাদনের জন্য পালন করা হয়। তারা সাধারণত ঘাস ও গাঁজা খেয়ে থাকে। তাদের স্মৃতিশক্তি প্রখর এবং তাদেরকে বহু দূরে ঘুরতে যেতে দেয়া যায়, কারণ তারা সন্ধ্যা হওয়ার পূর্বেই ঘরে ফিরে আসতে পারে। চীনা রাজহাঁসগুলো অন্যান্য রাজহাঁস থেকে বেশি আগ্রাসী হয় ও প্রচুর শব্দ করে, যার কারণে অপরিচিত লোকের আগমন বুঝতে এটিকে ব্যবহার করা হয়। রাজহাঁসের মাংসের টুকরো ঘাঢ় রঙের হয়ে থাকে যাতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ বিদ্যমান। এই পাখিগুলোকে ১০ থেকে ২৪ সপ্তাহের মাঝে মেরে ফেলা হয়।

টার্কিসম্পাদনা

টার্কি হল এক ধরনের বড় পাখি, তাদের কাছাকাছি সম্প্রদায় হল ঘানাপাখি। পুরুষ টার্কিরা মহিলাদের থেকে আকারে বড় এবং তাদের পাখা ও লেজ ছড়ানো থাকে। বুনো টার্কিগুলি উড়তে পারে, তবে খুব কম উড়ে। তারা মাটিতে থাকা গাছ , বীজ, বাদাম, ঘাস, পাতাগুলি, টিকটিকি এবং ছোট ছোট সাপগুলিকে খেয়ে থাকে।

আধুনিক গৃহপালিত টার্কি বর্তমানে মেক্সিকান রাজ্য জালিসকো, গেরেরো এবং ভেরাক্রুজে পাওয়া বন্য টার্কির (মেলিয়াগ্রিস গ্যালোপাভো) ছয়টি উপ-প্রজাতির উৎস থেকে উদ্ভূত হয়েছে। দক্ষিণ-মধ্য মেক্সিকোতে প্রাক-অ্যাজটেক উপজাতিরা প্রথম খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ এর কাছাকাছি সময়ে পাখির প্রতিপালন শুরু করেছিল, এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কলোরাডো মালভূমিতে বসবাসকারী পুয়েবলো ইন্ডিয়ানরা একইভাবে খ্রিস্টপূর্ব ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এগুলো পালন করেছিল। তারা পোশাক, কম্বল এবং আনুষ্ঠানিক উদ্দেশ্যে পালক ব্যবহার করত। এক হাজারেরও বেশি বছর পরে তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উৎসে পরিণত হয়েছিল পাখি। প্রথম ইউরোপীয়রা এটিকে গিন্নি পাখি বলত, বর্তমানের "টার্কি পাখি" নামে পরিচিত পাখির নাম ইউরোপে তুরস্কের মাধ্যমে চালু হয়েছে।

বাণিজ্যিক টার্কিগুলি নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে সাধারণত বাড়ির অভ্যন্তরে লালন-পালন করা হয়। এগুলি প্রায়শই বড় বড় বিল্ডিংগুলিতে হয়, যা বায়ুচলাচল এবং কম আলোর তীব্রতা সরবরাহের উদ্দেশ্যে নির্মিত (এটি পাখির ক্রিয়াকে হ্রাস করে এবং এর ফলে ওজন বৃদ্ধির হার বাড়ায়)। ২৪ ঘণ্টা / দিনের জন্য লাইটগুলি স্যুইচ করা যেতে পারে, বা পাখিদের প্রায়শই খাওয়ানোর জন্য উত্সাহিত করতে এবং তাই দ্রুত বর্ধমান হওয়ার জন্য ধাপে ধাপে ধাপে ধাপে ধাপে হালকা আলোক বিস্তৃত করতে পারে। মহিলারা প্রায় ১৫ সপ্তাহ বয়সে এবং প্রায় ১৫ বছর বয়সে পুরুষদের বধের ওজন অর্জন করে পরিপক্ক বাণিজ্যিক পাখিগুলি তাদের বুনো অংশগুলির চেয়ে দ্বিগুণ ভারী হতে পারে। অনেক প্রজাতির বিকাশ ঘটেছে, তবে বেশিরভাগ বাণিজ্যিক পাখি সাদা, কারণ এটি পোশাক পরা শবটির চেহারা উন্নত করে, পিনের পালকগুলি কম দেখা যায় টার্কি এক সময় প্রধানত ক্রিসমাস (যুক্তরাজ্যের এক কোটি পাখি) বা থ্যাঙ্কসগিভিং (যুক্তরাষ্ট্রে মিলিয়ন পাখি) জাতীয় বিশেষ অনুষ্ঠানে খাওয়া হত। তবুও, তারা ক্রমশ বিশ্বের অনেক জায়গায় প্রতিদিনের ডায়েটের অংশ হয়ে উঠছে।

পোল্ট্রি চাষসম্পাদনা

 
চীনের হাইনান প্রদেশের হাঁস

সারা বিশ্বে, অন্যান্য পোল্ট্রি থেকে মুরগী সবচেয়ে বেশি পালা হয়, প্রতি বছর মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণের জন্য ৫০ বিলিয়নের বেশি পাখি পালা হয়।[১১] ঐতিহ্যগতভাবে, এই ধরনের পাখি ছোট খোপে রাখা হয়, দিনের বেলা এগুলো ছেড়ে দেয়া হয় এবং রাতে ঘরে তোলা হয়। উন্নত দেশগুলোতেও একই চিত্র, যেখানে মহিলারা পোল্ট্রির মাধ্যমে পরিবারের জীবিকায় ভূমিকা রাখে।[১২] উৎপাদনের লাভ মূলত খাবারের উপর নির্ভর করে যেটি সবসময় বেড়েই চলেছে।[১৩]

খাদ্য হিসেবে পোল্ট্রিসম্পাদনা

বাণিজ্যসম্পাদনা

 
হংকংয়ে বিক্রির জন্য হাস ও মুরগীর ডিম

পোল্ট্রি হলো বিশ্বের মাঝে সবচেয়ে বেশি খাওয়া মাংসের মাঝে দ্বিতীয়। বিশ্বে ৩৮% মাংসের চাহিদা মেটায় শুকর, যার পরেই রয়েছে পোল্ট্রি মাংস যা ৩০% মাংসের চাহিদা মেটায়। বার্ষিক ১৬বিলিয়ন পাখি পালন করা হয়, যার অর্ধেক শিল্পকারখানায়।[১৪] বৈশ্বিক ব্রয়লার মাংসের উৎপাদন ২০১৩সালে বেড়েছে ৮৪.৬ মিলিয়ন টন। সবচেয়ে বেশি উৎপাদক ছিল যুক্তরাষ্ট্র (২০%), চীন (১৬.৬%), ব্রাজিল (১৫.১%) এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (১১.৩%)।[১৫]

স্বাস্থ্য এবং রোগ (মানুষ)সম্পাদনা

 
মুরগীর পায়ের কাঁটা অংশ

পোল্ট্রি মাংশ ও ডিম খুবই পুষ্টিকর কারণ এতে উচ্চ মানের প্রোটিন থাকে। সাথে থাকে নিম্ন মানের ফ্যাট যেটিতে ফ্যাটি এসিডের মিশ্রণ থাকে।[১৬] ওজন হিসেবে লাল মাংস থেকে মুরগীর মাংসে ২ থেকে ৩গুণ বেশি পলিয়ানস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে।[১৭] যদিও, হাড়হীন, ত্বকহীন বুকের মাংসের জন্য এর পরিমাণ অনেক কম। একটি ১০০গ্রাম ভাজা মুরগীর বুকের মাংসে থাকে ৪গ্রাম ফ্যাট ও ৩১গ্ীাম প্রোটিন, যেখানে একই পরিমাণ সিদ্ধ হাড়সহ মাংসে থাকে ১০গ্রাম ফ্যাট ও ২৭গ্রাম প্রোটিন।[১৮][১৯]

২০১১সালে ট্রান্সলেশনাল জেনোমিক্স রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি জরীপে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্রের দোকানে পাওয়া ৪৭% মাংস ও পোল্ট্রি "স্টেফিলোকক্কাস অরেয়াস" দ্বারা ভেজাল করা হয়েছিল। যদিও এই পণ্যগুলোকে রান্না করলে ব্যাকটেরিয়া মরে যাবে, তবুও ভেজালের জন্য ঝুঁকি রয়েই যায়।[২০] এমনকি, পোল্ট্রি ব্যবসায়ীদের জন্যেও কিছু ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন হতে পারে যেমন "স্যালমোনেল্লা" এবং "ক্যাম্পিলোবেক্টার"। পোল্ট্রি পণ্যগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণের সময়, বাজারজাতকরণের সময় ও সংরক্ষণে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। যার কারণে ভালোভাবে রান্না না করা হলে নানা রোগ হতে পারে।[১৬]

সাধারণত, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা হলো পাখিদের অসুখ যেটি ইনফ্লুয়েঞ্জা নামক ভাইরাসে হয়ে থাকে। এটি মানুষের দেহে ছড়ায় না; যদিও, যারা পোল্ট্রির সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে তারা এটির সবচেয়ে ঝুঁকিতে। বিশেষ করে দক্ষিণপূর্ব এশিয়াতে।[২১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Poultry"The American Heritage: Dictionary of the English Language। 4th edition। Houghton Mifflin Company। ২০০৯। 
  2. "Pullet"The American Heritage: Dictionary of the English Language। 4th edition। Houghton Mifflin Company। ২০০৯। 
  3. "Fowl"Online Etymology Dictionary। Etymonline.com। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৪ 
  4. "Poultry"Online Etymology Dictionary। Ehitymonline.com। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৪ 
  5. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Card নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  6. Eriksson, Jonas; Larson, Greger; Gunnarsson, Ulrika; Bed'hom, Bertrand; Tixier-Boichard, Michele; Strömstedt, Lina; Wright, Dominic; Eriksson J, Larson G, Gunnarsson U, Bed'hom B, Tixier-Boichard M; Vereijken, Addie; Randi, Ettore; Jensen, Per; Andersson, Leif; ও অন্যান্য (২০০৮), "Identification of the yellow skin gene reveals a hybrid origin of the domestic chicken", PLoS Genetics, 4 (2): e1000010, ডিওআই:10.1371/journal.pgen.1000010, পিএমআইডি 18454198, পিএমসি 2265484  
  7. Adler, Jerry; Lawler, Andrew (জুন ১, ২০১২)। "How the Chicken Conquered the World"Smithsonian Magazine। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১৪, ২০১৪ 
  8. Storey, A. A.; Athens, J. S.; Bryant, D.; Carson, M.; Emery, K.; ও অন্যান্য (২০১২)। "Investigating the global dispersal of chickens in prehistory using ancient mitochondrial DNA signatures"PLoS ONE7 (7): e39171। ডিওআই:10.1371/journal.pone.0039171পিএমআইডি 22848352পিএমসি 3405094 বিবকোড:2012PLoSO...739171S 
  9. Nadeem Ullah। "History of Aseel"। ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৪ 
  10. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Britannica নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  11. "Compassion in World Farming: Poultry"। Ciwf.org.uk। ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৪ 
  12. "Animal production and health: Poultry"। FAO। সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৪ 
  13. Agritrade। "Poultry Brief 2013"। CTA। জুলাই ৯, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৪ 
  14. Raloff, Janet. Food for Thought: Global Food Trends. Science News Online. May 31, 2003.
  15. "USDA Livestock & Poultry: World Markets & Trade"। The Poultry Site। এপ্রিল ৩০, ২০১৩। ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৪ 
  16. "Poultry and human health"। FAO। আগস্ট ১, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০১৪ 
  17. "Feinberg School: Nutrition Fact Sheet: Lipids"। Northwestern University। জুলাই ২০, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ২৪, ২০০৯ 
  18. Nutrition Data - 100g Chicken Breast
  19. Nutrition Data - 100g Lean Skirt Steak
  20. The Translational Genomics Research Institute (এপ্রিল ১৫, ২০১১)। "US meat and poultry is widely contaminated with drug-resistant Staph bacteria, study finds"Science Daily। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৪ 
  21. "Information on Avian Influenza"Seasonal Influenza (Flu)। Centers for Disease Control and Prevention। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ৩, ২০১৪