পিএসএলভি-সি৪২ হল ভারতীয় মেরু উপগ্রহ উৎক্ষেপণ যান (পিএসএলভি) কর্মসূচীর ৪৪তম অভিযান এবং কোর অ্যালোন (সিএ) রূপরেখার ১২তম অভিযান। পিএসএলভি-সি৪২ সফলভাবে ৫৮৮ কিলোমিটার (৩৬৫ মাইল) উচ্চতায় সূর্য-সমন্বয় কক্ষপথে ২টি পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী কৃত্রিম উপগ্রহকে সফলভাবে বহন ও স্থাপন করে। এটি ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় সতীশ ধবন মহাকাশ কেন্দ্রের প্রথম উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করে। ভারত সরকারের মহাকাশ বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সারে স্যাটেলাইট টেকনোলজি লিমিটেড (এসএসটিএল) এবং ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা অ্যান্ট্রিক্স কর্পোরেশন লিমিটেডের মধ্যে একটি বাণিজ্যিক চুক্তির অংশ হিসেবে এই দুটি আন্তর্জাতিক কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করা হয়।

পিএসএলভি-সি৪২
পিএসএলভি-সিএ উৎক্ষেপণ যানটি সি৪২ উড়ানের আগে শ্রীহরিকোটার প্রথম উৎক্ষেপণ মঞ্চে অবস্থান করছে
পিএসএলভি-সিএ উৎক্ষেপণ
উৎক্ষেপণ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (2018-09-16), ০৪:৩৮:০০ ইউটিসি
পরিচালনাকারীইসরো
উৎক্ষেপণ মঞ্চশ্রীহরিকোটা প্রথম
পে-লোড
  • নোভাএসএআর
  • এস১-৪
ফলাফলসফল
পিএসএলভি চালু হয়েছে

উৎক্ষেপণ সম্পাদনা

 
প্রথম উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এসটিএল কর্তৃক নির্মিত নোভাএসএআর ও এস১-৪ কৃত্রিম উপগ্রহ বহনকারী পিএসএলভি সি৪২ রকেটের উৎক্ষেপণ দৃশ্য।

২০১৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সময় দুপুর ১:০৮ টায় শুরু হওয়া ৩৩ ঘণ্টার কাউন্টডাউনের পরে ২০১৮ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সময় রাত ১০:০৮ টায় শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন মহাকাশ কেন্দ্রের প্রথম উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে পিএসএলভি-সি৪২ উৎক্ষেপণ করা হয়।[১][২] উৎক্ষেপণটি ছিল পিএসএলভি রকেটের ৪৪তম উড়ান এবং কোর অ্যালোন (সিএ) রূপরেখার ১২তম উড়ান।[২][৩] এটি ছিল ১২ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে শেষ উৎক্ষেপণের পাঁচ মাসের বিরতির পর ২০১৮ সালে পিএসএলভি রকেটের প্রথম সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ এবং ২০১৭ সালের ৩১ আগস্ট একটি বিরল উৎক্ষেপণ ব্যর্থতার পর এটি মাত্র তৃতীয় উৎক্ষেপণ।[১][২][৪]

পিএসএলভি-সি৪২ যুক্তরাজ্যের দুটি পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী কৃত্রিম উপগ্রহ নোভাএসএআরএস১-৪কে সূর্য-সমন্বয় কক্ষপথে পৌঁছেদেয়।[১] উৎক্ষেপণের কিছুক্ষণ পরেই রকেটটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে যাওয়ার আগে একটি সংক্ষিপ্ত উল্লম্ব আরোহণ শুরু করে।[৫] রকেটের প্রথম পর্যায়টি উৎক্ষেপণের প্রায় দুই মিনিট পর আলাদা হয়ে যায়, যার পরপরই দ্বিতীয় পর্যায় প্রজ্বলিত হয়।[৩] উত্তোলন বন্ধের প্রায় ৩ মিনিট ২ সেকেন্ড পরে পেলোড ফেয়ারিং ও দ্বিতীয় পর্যায়টি প্রায় ১ মিনিট ২১ সেকেন্ড পরে আলাদা হয়ে যায়।[৩][৫]

এর পরপরই তৃতীয় পর্যায়ের জ্বলনটি ঘটে, যা রকেটটিকে প্রায় ৩ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডের জন্য ত্বরান্বিত করে, যতক্ষণ না এটি ৮ মিনিট, ৯ সেকেন্ড উত্তোলনের পর আলাদা হয়ে যায়।[৩][৫] এরপর চতুর্থ এবং চূড়ান্ত পর্যায়টি প্রায় ১০ সেকেন্ড পরে জ্বালানো হয়, যা প্রায় ১৬ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড পর্যন্ত রকেটে শক্তির সরবরাহ অব্যাহত রাখে।[৩][৫] উৎক্ষেপণের ১৭.৪৪ মিনিট পর উভয় কৃত্রিম উপগ্রহকে সূর্য-সমন্বয় কক্ষপথে স্থাপন করা হয়।[১][৩] পিএসএলভি সি-৪২ উৎক্ষেপণের অভিযান পরিচালক আর. হাটন বলেন, "এটি একটি চমৎকার অভিযান ছিল। আমরা কৃত্রিম উপগ্রহটিকে একটি অত্যন্ত, অত্যন্ত নিখুঁত কক্ষপথে স্থাপন করেছি"।[৬]

পিএসএলভি-সি৪২ উৎক্ষেপণ ছিল রাতের অভিযান এবং ইসরো প্রথমবারের মতো সারে স্যাটেলাইট টেকনোলজি লিমিটেডের (এসটিএল) অনুরোধে তাদের কৃত্রিম উপগ্রহকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপনের জন্য উৎক্ষেপণ করে।[৪][৭] ইসরোর সভাপতি কৈলাসবাদিভো সিবান বলেন "এই অনন্য অভিযান প্রধানত "দিনের বেলা নোড আরোহণ" উৎক্ষেপণের জন্য। এই প্রথম আমরা ভিন্ন ধরনের অভিযান সম্পন্ন করলাম।"[৬] এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ইসরো কর্তৃক উৎক্ষেপিত বিদেশী কৃত্রিম উপগ্রহের সংখ্যা ২৩৯ টিতে পৌঁছেছে, যেগুলি ২৮টি ভিন্ন দেশের।[৪][৮]

অভিযানের বর্ণনা সম্পাদনা

 
পর্যায় প্রস্তুতের সুবিধায় পিএসএলভি-সি৪২ এর দ্বিতীয় তরল পর্যায়
  • ভর:
    • মোট উত্তোলন ওজন:২,৩০,৪০০ কিলোগ্রাম (৫,০৭,৯০০ পা)
    • পেডলোড ওজন: ৮৮৯ কিলোগ্রাম (১,৯৬০ পা)
  • সামগ্রিক উচ্চতা: ৪৪.৪ মিটার (১৪৫.৭ ফু)
  • প্রপেল্যান্ট বা চালক যন্ত্ৰ:
  • প্রপেল্যান্ট বা চালক যন্ত্ৰের ভর:
    • পর্যায় ১:১,৩৮,২০০ কিলোগ্রাম (৩,০৪,৭০০ পা)
    • পর্যায় ২: ৪২,০০০ কিলোগ্রাম (৯৩,০০০ পা)
    • পর্যায় ৩: ৭,৬০০ কিলোগ্রাম (১৬,৮০০ পা)
    • পর্যায় ৪: ২,৫০০ কিলোগ্রাম (৫,৫০০ পা)
  • সর্বোচ্চ ভ্যাকুয়াম থ্রাস্ট:
    • পর্যায় ১: ৪৮৪৬.৯ কিলোনিউটন
    • পর্যায় ২: ৮০৩.৭৮ কিলোনিউটন
    • পর্যায় ৩: ২৩৯.6 কিলোনিউটন
    • পর্যায় ৪: ২ x ৭.৩৩ কিলোনিউটন
  • উচ্চতা: ৫৮৮ কিলোমিটার (৩৬৫ মা)
  • সর্বোচ্চ বেগ: ৭,৫৬৬.৬৯ মিটার প্রতি সেকেন্ড (২৪,৮২৫ ফুট/সে) (নোভাএসএআর ও এস১-৪ বিচ্ছেদের সময় নথিভুক্ত করা হয়েছে)
  • নতি: ৯৭.৮০৬°
  • দিগংশ: ১৪০°[৩]

পিএসএলভি সি-৪২ রকেটের চারটি পর্যায় ছিল; নিজস্ব চালকশক্তি ব্যবস্থার সঙ্গে প্রতিটি পর্যায় স্ব-নিয়ন্ত্রিত ছিল, যার ফলে এগুলি স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম।[৩][৪] প্রথম ও তৃতীয় পর্যায়ে যৌগিক কঠিন চালকশক্তি বা প্রপেল্যান্ট ব্যবহার করা হয়, যখন তৃতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ে পৃথিবী-স্টরোবল তরল চালকশক্তি বা প্রপেল্যান্ট ব্যবহার করা হয়।[৩] এটি ২,৩০,৪০০ কিলোগ্রাম (৫,০৭,৯০০ পাউন্ড) উত্তোলন ভর বিশিষ্ট এবং ৪৪.৪ মিটার (১৪৬ ফুট) উচ্চতাযুক্ত ছিল। [3 এটি দুটি ব্রিটিশ কৃত্রিম উপগ্রহকে কক্ষপথে স্থাপন করে, যার ওজন যথাক্রমে ৪৪৫ কিলোগ্রাম (৯৮১ পাউন্ড) ও ৪৪৪ কিলোগ্রাম (৯৭৯ পাউন্ড)।[৩]

দুটি কৃত্রিম উপগ্রহকে ৫৮৮ কিলোমিটার (৩৬৫ মাইল) উচ্চতা ও ৯৭.৮০৯° নতিতে একটি সূর্য-সমন্বয় কক্ষপথে স্থাপন করা হয়।[৩] ভারত সরকারের মহাকাশ বিভাগ ও এসএসটিএল এর তত্ত্বাবধানে ইসরোর বাণিজ্যিক শাখা অ্যান্ট্রিক্স কর্পোরেশন লিমিটেডের মাধ্যমে দুটি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের ব্যবস্থা করা হয়।[১] অ্যান্ট্রিক্স এই উৎক্ষেপণ থেকে ₹২২০ কোটি (৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) টাকার বেশি আয় করেছে।[৯] এসটিএল-এর গোষ্ঠী নির্বাহী সভাপতি মার্টিন সুইটিং বলেন "পিএসএলভি-সি৪২ আমাদের কাছ থেকে উচ্চ রেজোলিউশন অপটিক্যাল ও রাডার (এসএআর) কৃত্রিম উপগ্রহ সমন্বয়ের উৎক্ষেপণের সাথে ভারতযুক্তরাজ্যের মধ্যে সর্বশেষ প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতাকে চিহ্নিত করে"।[৪]

রকেট সম্পাদনা

 
পিএসএলভি সি-৪২ রকেট

এই উৎক্ষেপণের জন্য ছয়টি স্ট্র্যাপ-অন মোটর ছাড়া পিএসএলভি সি-৪২ রকেটের সিএ বিন্যাস ব্যবহার করা হয়।[৪][১০] ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে প্রথম পিএসএলভি রকেটের সবচেয়ে হালকা সংস্করণ এবং ছোট পেলোড উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহার করা হয়।[৪][১০] ইসরোর অনেক কেন্দ্র এই অভিযানের সাথে জড়িত: ভারতে তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার (ভিএসএসসি) দ্বারা রকেটটি নকশা ও উন্নয়ন করা হয়; দ্বিতীয় ও চতুর্থ পর্যায়ের তরল ইঞ্জিন তিরুবনন্তপুরমে ইসরোর লিকুইড প্রপালশন সিস্টেমস সেন্টার (এলপিএসসি) এবং মহেন্দ্রগিরিতে ইসরো প্রপালশন কমপ্লেক্স (আইপিআরসি) দ্বারা উন্নত করা হয়; রকেটের নির্দেশিকা ব্যবস্থা তিরুবনন্তপুরমের ইসরো ইনটারিয়াল সিস্টেমস ইউনিট (আইআইএসইউ) দ্বারা উন্নত করা হয়; যদিও সতীশ ধবন মহাকাশ কেন্দ্র (এসডিএসসি), শ্রীহরিকোটা রেঞ্জ (এসএইচএআর) কঠিন মোটর প্রস্তুতি, যানবাহন একত্রীকরণ ও উৎক্ষেপণ অবকাঠামোর দায়িত্ব গ্রহণ করে।[৪] ইসরো টেলিমেট্রি, ট্র্যাকিং এবং কমান্ড নেটওয়ার্ক অভিযানের জন্য ট্র্যাকিং সহায়তা সরবরাহ করেছিল।[৪] পিএসএলভি-এর প্রকল্প পরিচালক হলেন আর পি হুটন, যিনি এই উৎক্ষেপণটির অভিযান ডিরেক্টরও ছিলেন।[৪]

কৃত্রিম উপগ্রহ সম্পাদনা

নোভাএসএআর একটি এস-ব্যান্ড সিন্থেটিক-অ্যাপারচার রাডারযুক্ত (এসএআর) কৃত্রিম উপগ্রহ, যা এসএসটিএল দ্বারা যুক্তরাজ্যের গিল্ডফোর্ডে নকশাকৃত ও নির্মিত হয়।[১১][১২] এটির একটি স্বতন্ত্র পনির আঁচড়ার আকৃতি রয়েছে এবং এটি দিন বা রাতের আবহাওয়া নির্বিশেষে পৃথিবীর পৃষ্ঠের ছবি তুলতে সক্ষম।[১৩] এটিতে ইংল্যান্ডের পোর্টসমাউথের এয়ারবাস ডিফেন্স ও স্পেস দ্বারা তৈরি করা একটি এস-ব্যান্ড এসএআর পে-লোড রয়েছে এবং হনিওয়েল এয়ারস্পেস দ্বারা নির্মিত রেডিও সংকেত বাছাই করতে সক্ষম স্বয়ংক্রিয় সনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) বিশিষ্ট একটি রিসিভার রয়েছে।[১১][১৩] কৃত্রিম উপগ্রহের প্রধান প্রয়োগ ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে তেল ছড়িয়ে পড়াকে সনাক্তকরণ, বনজ ও বন্যা পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া, ফসলের মূল্যায়ন, জাহাজ সনাক্তকরণ এবং সামুদ্রিক নজরদারি।[৩][১১][১৩] একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসএসটিএল জানায় যে, "নোভাএসএআর-১ হল প্রথম এসএআর মহাকাশযান, যা সম্পূর্ণ ভাবে যুক্তরাজ্যে নির্মিত হবে এবং এটি একটি প্রযুক্তি প্রদর্শনের অভিযান, যা নতুন স্বল্প ব্যয়ের এস-ব্যান্ড এসএআর প্ল্যাটফর্মের ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য নকশাকৃত। নোভাএসএআর-১ হবে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক এসএআর উপগ্রহ যেটি ১০:৩০ নিরক্ষরেখা অতিক্রম সময়ে পরিচালিত হবে, যা রাতের দৃশ্যধারণের পাশাপাশি দিবালোকেও বর্ধিত চিত্রধারণের সুযোগ করে দিয়ে রাডার পর্যবেক্ষণের জন্য সময় বৈচিত্র্য সরবরাহ করবে"।[১১]

এস১-৪ হল এসএসটিএল দ্বারা নির্মিত একটি উচ্চ রেজোলিউশন অপটিকাল পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ।[১১] কৃত্রিম উপগ্রহটির জীবনকাল সাত বছরেরও বেশি এবং এটি এসএসটিএল দ্বারা নকশাকৃত এই কৃত্রিম উপগ্রহটি দুই মোডে পরিচালনা করতে সক্ষম এমন একটি উচ্চ-রেজোলিউশনের ইমেজার বহন করে: একটি মোড হল প্যানক্রোমেটিক মোড, এটি উপ-এক মিটার রেজোলিউশনের চিত্র প্রদান করে এবং অপরটি হল মাল্টিসেপেক্ট্রাল মোড, এটি প্রায় ২৫ কিমি প্রশস্ত প্রস্থ সহ উপ-চার মিটার রেজোলিউশনের চিত্র প্রদান করে।[১৪] কৃত্রিম উপগ্রহ দ্বারা সংগৃহীত উপাত্তগুলি 'টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি এরোস্পেস টেকনোলজি কোম্পানি, লিমিটেড' (২১এটি) নামের একটি চীনা সংস্থা ব্যবহার করবে।[১১][১৩] এটির প্রধান প্রয়োগের ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে নগর পরিকল্পনা, ভূমির শ্রেণিবিন্যাস, প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা, কৃষি এবং দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ।[১১]

তথ্যসূত্র সম্পাদনা

  1. Kumar, Chethan (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "Isro's PSLV successfully puts two UK earth observation satellites into orbit"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  2. D.S., Madhumathi (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "PSLV to launch two U.K. satellites today"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  3. "PSLV-C42 Brochure"ISRO। ২১ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৮ 
  4. "PSLV-C42 launches 2 foreign satellites" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ISRO। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  5. Nowakowski, Tomasz (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "British Earth-observing satellites launched atop India's PSLV booster"SpaceFlight Insider। ৮ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১৮ 
  6. Rohit, T.K. (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "ISRO's PSLV-C-42 launches two U.K. satellites"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৮ 
  7. Singh, Surendra (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "Isro to launch 18 missions in next six months"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  8. "ISRO to carry out fully-commercial launch of foreign satellites on 16 September- Technology News, Firstpost"Tech2। ২০১৮-০৯-১১। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০১-০৭ 
  9. "What is ISRO's PSLV-C42 mission?"The Indian Express। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৮ 
  10. Chaitanya, SV Krishna (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "PSLV-C42: ISRO all set for launch of two UK satellites"The New Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৮ 
  11. "SSTL confirms the successful launch of NovaSAR-1 and SSTL S1-4 satellites" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Surrey Satellite Technology Limited। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৮ 
  12. "NCEO welcomes successful launch of British-built radar satellite"National Centre for Earth Observation। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৮ 
  13. Amos, Jonathan (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "NovaSAR: UK radar satellite launches to track illegal shipping activity"BBC News। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৮ 
  14. "SSTL S1-4 – SATELLITE & LAUNCH DATA"। Surrey Satellite Technology Limited। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ সম্পাদনা