প্রধান মেনু খুলুন

পাভেল আলেক্সেইয়েভিচ চেরেংকভ

পাভেল আলেক্সেইয়েভিচ চেরেংকভ (রুশ ভাষা: Павел Алексеевич Черенков) (১৯০৪ - জানুয়ারি ৬, ১৯৯০) ছিলেন রুশ পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৫৮ সালে অন্য দুজন রুশ পদার্থবিজ্ঞানী ইলিয়া মিখাইলোভিচ ফ্রাংক এবং ইগর ইয়েভ্‌গেনিয়েভিচ তামের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। চেরেংকভ-ভাভিলভ ক্রিয়া আবিষ্কার এবং এর বিভিন্ন রুপ নির্ণয়ের জন্য তারা এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

পাভেল আলেক্সেইয়েভিচ চেরেংকভ
Cerenkov.jpg
জন্ম(১৯০৪-০৭-২৮)২৮ জুলাই ১৯০৪
Voronezh Oblast, রাশিয়ান সাম্রাজ্য
মৃত্যুজানুয়ারি ৬, ১৯৯০(1990-01-06) (বয়স ৮৫)
মস্কো, সোভিয়েত ইউনিয়ন
জাতীয়তারাশিয়া
কর্মক্ষেত্রনিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান
প্রতিষ্ঠানলেবেদেভ ফিজিক্যাল ইন্সটিটিউট
প্রাক্তন ছাত্রVoronezh State University
পিএইচডি উপদেষ্টাসের্গেই ভাভিলভ
পরিচিতির কারণCharacterizing Cherenkov radiation
উল্লেখযোগ্য
পুরস্কার
নোবেল পুরস্কার.png পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (১৯৫৮)

জীবনীসম্পাদনা

চেরেংকভ ১৯০৪ সালে রাশিয়ার ভরনেজ ওবলাস্ট অঞ্চলের নিঝনিয়াইয়া টিগলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আলেক্সেই চেরেংকভ এবং মা মারিয়া চেরেংকভ। তিনি ১৯২৮ সালে ভরনেজ স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়ে স্নাতক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। ১৯৩০ সালে লেবেদফ ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্স-এ একটি গবেষণা পদে কাজ শুরু করেন। একই বছর তিনি রুশ সাহিত্যের অধ্যাপক এ এম পুতিনসেভের মেয়ে মারিয়া পুতিনসেভকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে দুই সন্তানের জন্ম হয়; ছেলে আলেক্সেই এবং মেয়ে এলেনা।

১৯৪০ সালে চেরেংকভকে উক্ত ইনস্টিটিউটে সেকশন লিডার পদে পদোন্নতি পান এবং একই সময় তাকে পদার্থ-গাণিতিক বিজ্ঞানের ডক্টর ডিগ্রিতে ভূষিত করা হয়। ১৯৫৩ সালে তিনি পরীক্ষণমূলক পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি লেবেদেফ ইনস্টিটিউটিএর ফটো-মেস প্রক্রিয়া বিষয়ক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করে তার নেতৃত্ব দিতে থাকেন। ১৪ বছর তিনি অধ্যাপনায় নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৭০ সালে তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজ্ঞান একাডেমিতে একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে নিযুক্ত হন। চেরেংকভ ১৯৯০ সালের ৬ জানুয়ারি রাশিয়ার মস্কোতে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে নভোদেভিচি সমাধিক্ষেত্রে সমাধিস্থ করা হয়।

বিশেষ দ্রষ্টব্যসম্পাদনা

  • রবার্ট এ হাইনলাইন রচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী "চেরেংকভ ড্রাইভ" সম্ভবত চেরেংকভের গবেষণাকর্ম এবং তার সম্মানে লেখা হয়েছে।

বহিঃসংযোগসম্পাদনা