নাউ অ্যান্ড দেন: ফ্রম কোনি আইল্যান্ড টু হিয়ার

নাউ অ্যান্ড দেন: ফ্রম কোনি আইল্যান্ড টু হিয়ার মার্কিন লেখক জোসেফ হেলার রচিত স্মৃতিকথা। বইটি ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়, প্রকাশ করে নফ। বইয়ের প্রথম অর্ধেকে কোনি আইল্যান্ড এ হেলারের শৈশব ও এই স্থানের সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। হেলার তার বেড়ে ওঠা, তার মা ও সৎভাইদের সাথে তার সম্পর্ক, প্রতিবেশীদের সাথে আমোদ-প্রমোদের মত্ততা, ফুটবল, বিনোদন পার্কনাথান্‌স ফেমাস এর হট ডগের দোকানের কথা উল্লেখ করেছেন।[১]

নাউ অ্যান্ড দেন: ফ্রম কোনি আইল্যান্ড টু হিয়ার
নাউ অ্যান্ড দেন- ফ্রম কোনি আইল্যান্ড টু হিয়ার.jpg
লেখকজোসেফ হেলার
দেশযুক্তরাষ্ট্র
ভাষাইংরেজি
ধরনস্মৃতিকথা
প্রকাশিতনফ
প্রকাশনার তারিখ
ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৮
মিডিয়া ধরনমুদ্রণ (হার্ডব্যাক)
পৃষ্ঠাসংখ্যা২৫৯
আইএসবিএন৯৭৮-০-৬০৯-০০০০৪-৫
পরবর্তী বইপোট্রেট অফ অ্যান আর্টিস্ট, অ্যাজ অ্যান ওল্ড ম্যান (২০০০) 

সারসংক্ষেপসম্পাদনা

হেলার তার লেখার প্রতি আগ্রহের কথা বর্ণনা করেছেন এবং তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু খাতায় তার লেখার পূর্বাভাস পাওয়া যায়। হাই স্কুলের শেষের দিকে হেলার বিমান বাহিনীতে যোগদানের পূর্বে কিছু চাকরি করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল টেলিগ্রাম বার্তা প্রেরক, বীমা কোম্পানির কেরানী, জাহাজ নির্মানকারী কামারের সহকারী।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে হেলার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান বাহিনীতে গোলন্দাজ সৈনিক হিসেবে যোগ দেন। হেলার তার কয়েকজন সহকর্মী এবং কয়েকটি ঘটনার বর্ণনা দেন, যা তার ক্যাচ-টুয়েন্টি টু বইতেও লিপিবদ্ধ হয়েছে।

হেলার তার মিশন সম্পন্ন করার পর চাকরি থেকে অব্যাহতি লাভ করেন। পাঁচ মাসের মধ্যে তিনি প্রথম বিয়ে করেন। তার স্ত্রী তার সাথে কলেজে পড়েন, কিন্তু তার সম্পর্কে আর বেশি কিছু জানা যায় নি। হেলার ইংরেজির অধ্যাপক ও বিজ্ঞাপনের কপিরাইটার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন পূর্ণাঙ্গ বই লেখার প্রাথমিক চেষ্টা করেন।

হেলার তার জীবন সম্পর্কে যেমন বিস্তারিত লিখেন, তার বই সম্পর্কে বিস্তারিত তেমন কিছু লিখেন নি। ক্যাচ-টুয়েন্টি টুসামথিং হ্যাপেনড্‌ বই সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত লিখলেও, পিকচার, গড ন্যুজগুড অ্যাজ গোল্ড সম্পর্কে তেমন কিছু লিখেন নি। তিনি শেষের দিকের পরিচ্ছদে তার মনঃসমীক্ষণ সম্পর্কিত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। এই পরিচ্ছদে তিনি তার বাবার মৃত্যুর ব্যাপারে আলোচনা করেন।

গ্রন্থালোচনাসম্পাদনা

পাবলিশার উইকলি এই বইয়ের গ্রন্থালোচনায় বলে, হেলারের বই (ক্যাচ-টুয়েন্টি টু) সবসময় পড়ার জন্য উপযুক্ত, কিন্তু এই অসম্পূর্ণ স্মৃতিকথা, যার বেশির ভাগ অংশ তার ছেলেবেলা নিয়ে বিবৃত, কিছুটা প্রবঞ্চনামূলক। যদিও বইটি স্পীড ভোজেল ও তার লেখা নো লাফিং ম্যাটার এর অনুবর্তী পর্ব বলে বিবেচিত, তবুও তিনি ক্যাচ-টুয়েন্টি টু উপন্যাস লেখার পরবর্তী অংশ বাদ দিয়েছেন। এছাড়া বইয়ের "অন অ্যান্ড অন" ও "অ্যান্ড অন অ্যান্ড অন" পরিচ্ছদ দুটি অসম্পূর্ণ মনে হয়েছে।[২] লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস এ জোনাথান কির্চ্‌স লিখেন, হেলার তার উপন্যাসের মত সেয়ানা এবং দুষ্ট। তিনি ক্যাচ-টুয়েন্টি টু উপন্যাসে পাঠক যা জানতে চাচ্ছে তা জানতে না দিয়ে সেই গল্প তার এই স্মৃতিকথার জন্য বাঁচিয়ে রাখেন। এই বইতে তিনি সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সেই গল্প ও তার শৈশবের গল্প তুলে ধরেন।[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Kakutani, Michiko (২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮)। "BOOKS OF THE TIMES; A Memoirist Who Disregards the Details"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  2. "Now and Then: From Coney Island to Here"পাবলিশার উইকলি। ২৯ ডিসেম্বর ১৯৯৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  3. Kirsch, Jonathan (২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮)। "NOW AND THEN: From Coney Island to Here. By Joseph Heller"লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 

টেমপ্লেট:জোসেফ হেলার