দ্য লাস্ট কিস ঢাকা থেকে নির্মিত প্রথম নির্বাক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।[১] ইস্ট বেঙ্গল সিনেমাটোগ্রাফ কোম্পানির প্রযোজনায় অম্বুজপ্রসন্ন গুপ্ত নির্মাণ করেন নির্বাক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র "দ্য লাস্ট কিস"। [২]

দ্য লাস্ট কিস
The Last Kiss.jpg
ললিতার খুঁজে পাওয়া একমাত্র স্থিরচিত্র
পরিচালকঅম্বুজপ্রসন্ন গুপ্ত
চিত্রগ্রাহকখাজা আজাদ
খাজা আজমল
প্রযোজনা
কোম্পানি
রয়েল ফ্যামিলি
মুক্তি
  • ১৯৩১ (1931)

নির্মাণ কালসম্পাদনা

১৯২৭ সালের দিকে "দ্য লাস্ট কিস" -এর চিত্রগ্রহণ শুরু হয়। [১]

চিত্রশিল্পীসম্পাদনা

নবাববাড়ির খাজা আজমল, খাজা আদিল, খাজা আকমল, খাজা নসরুল্লাহ, খাজা অজয়, খাজা আকিল, খাজা জহিরে, খাজা শাহেদ, শৈলেন রায় বা টোনা বাবু ছিলেন এই চলচ্চিত্রের অভিনেতা। [২]

দৃশ্যধারণসম্পাদনা

ঢাকা শহরের প্রাকৃতিক দৃশ্যসংবলিত দ্য লাস্ট কিস চলচ্চিত্রের দৃশ্যধারণ করা হয় মতিঝিল, দিলকুশা, শাহবাগ, নীলক্ষেত ও আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয়ের কাছে নবাবদের বাগানে। এ ছবির চিত্রগ্রহণের কাজ শেষ হতে প্রায় এক বছর সময় লেগেছিল।

নায়ক ও নায়িকাসম্পাদনা

দ্য লাস্ট কিস ছবিতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন ঢাকা নবাব পরিবারের সদস্য খাজা আজমল ও নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন ললিতা বা লোলিটা বা বুড়ি।[১] ললিতা ছিলেন বাদামতলী পতিতালয়ের একজন যৌনকর্মী। চারুবালা, দেববালা (দেবী) নামের আরও দুই যৌনকর্মী এতে অভিনয় করেন। হরিমতি নামে একজন অভিনেত্রীও এতে অভিনয় করেন। একবছর পর লোলিটা তার আগের পেশায় ফিরে যান।[১]

কারিগরি ব্যবস্থাপনাসম্পাদনা

ঢাকায় চলিচ্চিত্রটির শুটিং হলেও প্রিন্ট ও প্রসেসিং হয় কলকাতায়। ১২ রিলের এই চলচ্চিত্রটি ১৯৩১ সালে মুক্তি পায় ঢাকার মুকুল টকিজে (অধুনা আজাদ সিনেমা)। এর প্রিমিয়ার শো উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার (১৮৮৮-১৯৮০)। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (১৯৩৬-১৯৪২) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রিলিজের সময় নির্বাক এ ছবি বাংলা, ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় সাবটাইটেল করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় এক মাস এ ছবির প্রদর্শনী চলে। [২]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা