দিলীপ ঘোষ

ভারতীয় রাজনীতিবিদ

দিলীপ ঘোষ একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি এবং মেদিনীপুর থেকে একজন লোকসভা সদস্য।[২][৩][৪][৫]

দিলীপ ঘোষ
সংসদ সদস্য, লোকসভা
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২৩ মে ২০১৯
পূর্বসূরীসন্ধ্যা রায়
সংসদীয় এলাকামেদিনীপুর
পশ্চিমবঙ্গ বিধানভার সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২০১৬
পূর্বসূরীজ্ঞান সিং সোহানপাল
উত্তরসূরীপ্রদীপ সরকার
সংসদীয় এলাকাখড়গপুর সদর
পশ্চিমবঙ্গ ভারতীয় জনতা পার্টি সভাপতি
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২০১৫
পূর্বসূরীরাহুল সিনহা
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1964-08-10) ১০ আগস্ট ১৯৬৪ (বয়স ৫৬)
কুলিয়ানা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত[১]
রাজনৈতিক দলভারতীয় জনতা পার্টি
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ
বাসস্থানকলকাতা
স্বাক্ষর

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

দিলীপ ঘোষ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোপীবল্লভপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ভোলানাথ ঘোষের দ্বিতীয় সন্তান ছিলেন তিনি।মাধ্যমিক পাশ করার পর ঝাড়গ্রামে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যান। ২০১৭ সালে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতাকে নিয়ে একটি মামলা করা হয় আদালতে । সেই মামলার শুনানি চলাকালীন নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দিলীপ ঘোষ যে শংসাপত্র জমা দেন, তার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মামলাকারী। এরপর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দিলীপ ঘোষের জমা দেওয়া সমস্ত তথ্য রিপোর্ট আকারে আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। নির্দেশ মোতাবেক এই সংক্রান্ত নথি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের কাছে জমা দেয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গিয়েছে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি ঝাড়গ্রাম পলিটেকনিক কলেজ থেকেই স্নাতক স্তরে পাস করেছিলেন। সেই রিপোর্ট দেখার পরে মামলাটি খারিজ করে দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। [৬] ১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য হন ও হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় দিলীপ ঘোষের।[৭][৮][৯]

রাজনীতিসম্পাদনা

২০০৭ সাল পর্যন্ত্য ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী হিসাবে আন্দামানে কাজ করেন তিনি। ২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন ও জ্ঞান সিং সোহনপালকে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন প্রথম। ২০১৯ সালে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন দিলীপ ঘোষ।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Dilip Ghosh(Bharatiya Janata Party(BJP)):"। myneta.info। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  2. "Dilip Ghosh appointed West Bengal BJP chief."The HinduPTI। ১১ ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০১৬ 
  3. "Dilip Ghosh WB BJP president"। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  4. "Dilip Ghosh Re-Named Bengal BJP Chief Amid Row over "Like Dogs" Remark" 
  5. "Dilip Ghosh re-elected West Bengal BJP chief"The Hindu। ১৬ জানুয়ারি ২০২০। 
  6. "High Court Dimisses Case That Challenged Educational Qualifications of Dilip Ghosh"Eisamay Indiatimes। ২০১৯-০১-১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-১০ 
  7. "RTI reply contradicts BJP Bengal president's education qualification claims"Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৭-০৪-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-১০ 
  8. Ali, Arshad (২০১৭-০৪-০৮)। "RTI reveals BJP Bengal chief Dilip Ghosh gave incorrect info about education in poll affidavit"DNA India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-১০ 
  9. "Fake Educational Credentials: Ex-BJP leader moves HC against Dilip Ghosh"The Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৭-০৫-০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-১০