জোমো কেনিয়াত্তাপ্রোন (~১৮৮৯ - ২২শে আগস্ট ১৯৭৮) ১৯৬৩ সালে কেনিয়ার স্বাধীনতার সময়কাল থেকে ১৯৭৮ সালে তার মৃত্যু পর্যন্ত কেনিয়ার নেতা ছিলেন। তিনি ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৪ পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পরবর্তীকালে ১২ই ডিসেম্বর ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তাকে কেনিয়া জাতির প্রতিষ্ঠাতা জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি অত্যন্ত শিক্ষিত ছিলেন ও কয়েকটি বই লিখেছিলেন। এছাড়াও তিনি কেনিয়ার চতুর্থ ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি উহুরু কেনিয়াত্তার পিতা।

জোমো কেনিয়াত্তা
Jomo Kenyatta.jpg
কেনিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি
কাজের মেয়াদ
১২ই ডিসেম্বর ১৯৬৪ – ২২শে আগস্ট ১৯৭৮
উপরাষ্ট্রপতিজারামোগি ওগিংগা ওডিংগা
জোসেফ জুজার্তে মুরুম্বি
ড্যানিয়েল আরাপ মোই
উত্তরসূরীড্যানিয়েল আরাপ মোই
কেনিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১লা জুন ১৯৬৩ – ১২ই ডিসেম্বর ১৯৬৪
সার্বভৌম শাসকদ্বিতীয় এলিজাবেথ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মকামাউ ওয়া নাগেনগি
আনু. ১৮৮৯[১]
গাটানডু, ব্রিটিশ পূর্ব আফ্রিকা
মৃত্যু২২ আগস্ট ১৯৭৮(1978-08-22) (বয়স ৮৮)
মোমবাসা, কোস্ট, কেনিয়া
সমাধিস্থলনাইরোবি, কেনিয়া
জাতীয়তাকেনীয়
রাজনৈতিক দলকেনিয়া আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন
দাম্পত্য সঙ্গীগ্রেস ওয়াহু (এম. ১৯১৯)
ইডনা ক্লার্ক (১৯৪২-১৯৪৬)
গ্রেস ওঞ্জিকু (মৃ:১৯৫০)
মামা নাগিনা (১৯৫১-১৯৭৮)
সন্তান
প্রাক্তন শিক্ষার্থীলন্ডন স্কুল অফ ইকুনোমিক্স ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন ইউনিভার্সিটি অফ টয়লার্স দ্য ইস্ট
ধর্মপ্রেসবিটারিয়ান

নাইরোবির জোমো কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টার, নাইরোবির প্রধান সড়ক ও কেনিয়ার অনেক শহরের সড়ক, বহু বিদ্যালয়, দুটি বিশ্ববিদ্যালয় (কেনিয়াত্তা বিশ্ববিদ্যালয় ও জোমো কেনিয়াত্তা কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়), দেশের প্রধান হাসপতাল, মার্কেটসমূহ, হাউজিং এস্টেটের নামকরণ তার নামানুসারে করা হয় যা কেউ কেউ রাজতন্ত্রের শাসকদের মত বলে মনে করেন। নাইরোবি শহরের কেন্দ্রে ও কেনিয়ার প্রায় সকল স্থানে তার সম্মানে ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। কেনিয়াতে পূর্বে প্রতি বছরের ২০শে অক্টোবর কেনিয়াত্তা দিবস পালন করা হতো কিন্তু ২০১০ সালের সংবিধানে কেনিয়াত্তা দিবস লুপ্ত করে দিনটিকে মাসুজা (বীর) দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কেনিয়ার কাগোজে নোট ও মুদ্রায় কেনিয়াত্তার প্রতিকৃতি ব্যবহার করা হয়েছে যদিও ২০১০ এর সংবিধান সংশোধনীতে কেনিয়ার কেনিয়ার কোন মুদ্রায় কোন মানুষের প্রতিকৃতি ব্যবহার নিষেধের বিল পাশের কথা আশা করা হচ্ছিল।

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

জোমো কেনিয়াত্তা ব্রিটিশ পূর্ব-আফ্রিকার (বর্তমান কেনিয়া) গাতান্দুতে জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্ম নাম ছিলো কামাউ ওয়া জেনজি। তার পিতার নাম মুইগাই ওয়া কাংগু ও মাতার নাম ওয়াম্বুই। তার জন্ম তারিখ নিশ্চিত নয়; এমনকি কেনিয়াত্তা নিজেও তার জন্ম তারিখ সম্পর্কে নিশ্চিত ছিলেন না কারণ তার পিতামাতা ছিলেন নিরক্ষর এবং সেসময় কেনিয়ায় স্থানীয় আফ্রিকানদের জন্ম-মৃত্যু নথিভুক্ত করে রাখা হতো না।[২][৩] তবে মিনে করা হয় তিনি ১৮৯০-এর দশকের মাঝামাঝি জন্মগ্রহণ করেন। তার অল্প বয়সেই তার পিতা মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তার চাচা জেনজি তাকে দত্তক নেন ও তার মাকে বিয়ে করেন। সন্তান জন্মদানের সময় তার মাতা মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের মৃত্যুর পর তরুন কামাউ ওয়া জেনজি জেন্ডা থেকে মুথিগাতে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি তার দাদা কঙ্গো ওয়া মাগানার সাথে বসবাস করতে থাকেন ও তিনি ছিলেন তার দাদার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

   [pron.] – The name Jomo Kenyatta is pronounced /ˈm kɛnˈjɑːtə/ JOH-moh ken-YAH-tə in English.

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৩ 
  2. Kenya Factbook, 15th edition, 1997–1998.
  3. "Alistair Boddy-Evans-about.com"। Africanhistory.about.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০১০ 

বহি:সংযোগসম্পাদনা

রাজনৈতিক দপ্তর
নতুন পদবী কেনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী
১৯৬৩-১৯৬৪
শূন্য
অফিস বিলুপ্ত
Title next held by
রাইলা ওদিঙ্গা
২০০৮ থেকে
নতুন পদবী কেনিয়ার রাষ্ট্রপতি
১৯৬৪-১৯৭৮
উত্তরসূরী
ড্যানিয়েল আরাপ মোই