জর্জ ফিলিপস বন্ড

মার্কিন জ্যোতির্বিদ

জর্জ ফিলিপস বন্ড (ইংরেজি: George Phillips Bond; জন্ম: ২০ মে, ১৮২৫ – ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৫) ছিলেন একজন মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তিনি ছিলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলিয়াম ক্র্যাঞ্চ বন্ডের পুত্র। কোনও কোনও সূত্রে তাঁর জন্মসন ১৮২৬ বলে উল্লিখিত হয়েছে।

জর্জ ফিলিপস বন্ড
জন্ম(১৮২৫-০৫-২০)২০ মে ১৮২৫
মৃত্যু১৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৫(1865-02-17) (বয়স ৩৯)
জাতীয়তামার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মাতৃশিক্ষায়তনহার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় (বিএ, ১৮৪৫) (এমএস, ১৮৫৩)[১]
পরিচিতির কারণজ্যোতিঃআলোকচিত্রশিল্প
পুরস্কাররয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি স্বর্ণ পদক (১৮৬৫)
বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন
কর্মক্ষেত্রজ্যোতির্বিজ্ঞান
প্রতিষ্ঠানসমূহহার্ভার্ড কলেজ মানমন্দির

প্রথম জীবনে তিনি প্রকৃতিপাখি বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু তাঁর জ্যেষ্ঠভ্রাতা উইলিয়াম ক্র্যাঞ্চ বন্ড জুনিয়রের মৃত্যুর পর তাঁর মনে হয়েছিল যে, তাঁর উচিত জ্যোতির্বিজ্ঞানের ধারায় তাঁর বাবাকে সাহায্য করা। হার্ভার্ড কলেজ মানমন্দিরের পরিচালক পদে তিনি তাঁর বাবার উত্তরসূরি হিসেবে আসীন হন। ১৮৫৯ থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন। তাঁর জ্ঞাতিভ্রাতা এডওয়ার্ড সিঙ্গলটন হোল্ডেন ছিলেন লিক মানমন্দিরের প্রথম পরিচালক।

১৮৫০ সালে বন্ডই প্রথম কোনও তারার (ভেগা) এবং ১৮৫৭ সালে কোনও দ্বৈত তারার (মাইজার) আলোকচিত্র গ্রহণ করেন। তিনিই প্রথম বলেন যে, কোনও তারার ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের ক্ষেত্রে আলোকচিত্রের ব্যবহার ঘটানো যেতে পারে। সেই সঙ্গে তিনি অসংখ্য ধূমকেতু আবিষ্কার করেন এবং সেগুলির কক্ষপথ গণনা করেন। বন্ড শনি গ্রহ ও কালপুরুষ নীহারিকাও পর্যেষণ করেছিলেন। তিনি ও তাঁর বাবা একত্রে শনির প্রাকৃতিক উপগ্রহ হাইপেরিয়ন আবিষ্কার করেছিলেন (উইলিয়াম লেসেলও স্বতন্ত্রভাবে হাইপেরিয়ন আবিষ্কার করেছিলেন)। জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবদান রাখার পাশাপাশি বন্ড নিউ হ্যাম্পশায়ারের হোয়াইট মাউন্টেইনস সমীক্ষাও করেছিলেন।

১৮৬৫ সালে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

সম্মাননাসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "George Phillips Bond"NNDBSoylent Communications। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৭ 
  2. Schmadel, Lutz D. (২০১২)। Dictionary of Minor Planet Names। Springer Science & Business Media। পৃষ্ঠা 115। আইএসবিএন 978-3642297182 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা