গার মসজিদ ও মিনার

ইরানের মসজিদ

গার মসজিদ ও মিনার ইরানের ইস্পাহান প্রদেশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। মসজিদটি ইস্পাহানের গার (একে জার বা ঘার নামেও ডাকা হয়) নামক গ্রামে দ্বাদশ শতাব্দীতে তৈরী করা হয়। তবে মসজিদ এবং মিনারের স্থাপনকাল ভিন্ন। এর মিনার তৈরী করা হয়েছিলো সেলজুক রাজবংশের আমলে। কিন্তু মসজিদ তৈরী হয় ইলখানিদ আমলে। পেস্তার লেপন দিয়ে তৈরি মসজিদের মিহরাব ছাড়া এর বাকি অংশ প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। এর তুলনায় মিনারটি অনেক ভালো অবস্থায় আছে। ১১২১ সালে আবোলঘাসেম এবনে আহমেদ মিনারটি স্থাপন করেন।[১][২]

গার মসজিদ ও মিনার
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিইসলাম
প্রদেশইসফাহান
অবস্থান
অবস্থানগার গ্রাম, ইসফাহান প্রদেশ, ইরান
গার মসজিদ ও মিনার ইরান-এ অবস্থিত
গার মসজিদ ও মিনার
গার মসজিদ ও মিনারের অবস্থান
স্থানাঙ্ক৩২°৩১′১৭″ উত্তর ৫১°৫০′২৫″ পূর্ব / ৩২.৫২১৩৫° উত্তর ৫১.৮৪০৩৩৩° পূর্ব / 32.52135; 51.840333
স্থাপত্য
স্থপতিআবোলঘাসেম আহমেদ বান্নার মিনার
ধরনমসজিদমিনার
নির্দিষ্টকরণ
গম্বুজসমূহ
মিনার

মিনারসম্পাদনা

ইরানের অন্যতম মিনারের মধ্যে এটি একটি। মূল মসজিদের বাম পাশে ইস্পাহান থেকে জিয়ার যাওয়ার পথে রাস্তার উত্তর দিকে মিনারটি অবস্থিত। এটি কুফিক শিলালিপি দ্বারা আবৃত করা আছে। মিনারটি গোলকার পরিধি বিশিষ্ট হয়ে উপরে উঠে গেছে। মিনারের পাশে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনা আছে।[৩][৪] সেলজুক স্থাপত্যরীতিতে পাথরের ব্যবহার অধিক লক্ষ্য করা যায়। গার মিনারের ডুবে যাওয়া পাথরের ভিত্তিটি ২ মিটার দূরত্বে অবস্থিত। ধীরগতিতে উঁচু হয়ে যাওয়া চূড়া ৪.৮ মিটার উচ্চ। এর সিঁড়ি স্বাভাবিক।[৫]

মসজিদসম্পাদনা

গার মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব ধার্মিক ও ইতিহাসবিদ ছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছেও অপরিসীম। এই মসজিদে কোন গম্বুজ নেই।

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Hosseyn Yaghoubi (২০০৪)। Arash Beheshti, সম্পাদক। Rāhnamā ye Safar be Ostān e Esfāhān(Travel Guide for the Province Isfahan) (Persian ভাষায়)। Rouzane। পৃষ্ঠা 146। আইএসবিএন 964-334-218-2 
  2. "Gar Minaret, Isfahan"Ancient History Encyclopedia। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৮ 
  3. "Gar Minaret and Mosque"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৮ 
  4. "Gar Minaret and Mosque | Detail of minaret, octagonal base | Archnet"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৮ 
  5. "The Style & Regional Differences of Seljuk Minarets in Persia"Ancient History Encyclopedia। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা