প্রধান মেনু খুলুন

খেলাধুলা হলো এমন একধরনের কাজ যা বিনোদনের জন্য অথবা কখনো কখনো জ্ঞান অর্জনের সরঞ্জাম হিসাবে গণ্য করা হয় । এটা বিনদনের একটি স্বতন্ত্র অংশ যা শুধু মাত্র আনন্দ উপভোগের জন্য অথবা পুরস্কার জন্য করা হয়। খেলাধুলা সাধারণত কাজের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন । এসব মূলত ঐতিহ্য, সৌন্দর্যোধ ও মিত্রতা রক্ষার্থে আয়োজন করা হয় । তবে কিছু কিছু খেলা কাজ বা পেশার ভেতর পরে । যে‍‍‍‍মন: পেশাদার ক্রীড়াবিদ যারা নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে অন‍্যদের আনন্দ দেয় ।‌‌ খেলাধুলা দুই ধরনের হয়, একটি হলো কাজের মাধ্যমে অন্যটি হলো বুদ্ধির মাধ্যমে। যেমন: (ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, টেনিস ঈত‍্যাদি) এবং (মাহজং, পাজ্ল, ভিডিও গেম ঈত‍্যাদি)। ‍‍‌‍‍‍‍‍‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ত‌বে আরো একধরনের খেলা রয়েছে যাকে বলে ভাগ‍্যের খেলা বা জুয়া খেলা ।

খেলাধুলা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এগুলো একক বা দলীয় ভাবে আবার নবীন বা পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে হতে পারে। আরো এক ধরনের খেলা রয়েছে যা অনলাইনে খেলা হয়। এধরনের খেলায় খেলোয়াড়দের প্রতিপক্ষের সামনে উপস্থিত না হয়েও খেলা যায়। খেলাধুলার সময় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি দর্শক‌ও থাকতে পারে, যারা খেলা দেখে উপভোগ করে। আবার কিছু কিছু খেলায় খেলোয়াড়রা নিজেরাই দর্শক হয়ে পালা বদলের মাধ্যমে খেলে। শিশুরা এভাবে খেলতে পছন্দ করে। তারা পালাবদলের মাধ্যমে ঠিক করে কে খেলবে আর কে দর্শক হবে।

খেলাধুলার মূল উপাদানগুলো হলো খেলার লক্ষ্য, নিয়ম-কানুন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং উপস্থিতবুদ্ধি। খেলাধুলা সাধারণত মানসিক বা শারীরিক অথবা উভয়ের ‌সাথেই সম্পর্কিত। অনেক ধরনের খেলা রয়েছে যা একজনের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে, শরীর চর্চার মতো কাজ করে, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো শিক্ষাক্ষেত্রে, মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও কাজ করে।

খ্রিষ্টপূর্ব ২৬০০ এর দিকে মানব সমাজের খেলাধুলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে প্রাচীন খেলাগুলোর মধ্যে উরদের রাজকীয় খেলা, সেনসেট এবং মানকালা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সংজ্ঞাসম্পাদনা

লাড‌উইগ উইটজেনস্টেইনসম্পাদনা


লাড‌উইগ উইটজেনস্টেইন-ই হলো প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক দার্শনিক যে শব্দের খেলার সংঙ্গা দিয়েছেন। তিনি তার দার্শনিক অভিজ্ঞতা এবং অনুসন্ধানের দ্বারা যুক্তি দেখিয়েছেন যে নিয়ম, প্রতিযোগিতা, খেলায় করণীয় কাজ, এসব খেলা সম্পন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।