ক্লোরোপ্লাস্ট

সবুজ রঙের এই প্লাস্টিডগুলিতে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া ঘটে। এদের স্ট্রোমার মধ্যে ক্লোরোফিল অণুর উপস্থিতির জন্যেই এদের সবুজ রঙ হয়।ক্রোরোপ্লাস্ট দুইস্তর বিশিষ্ট। বাইরের দিকের স্তরটিকে বলা হয় বহিঃস্তর ও ভেতরের দিকের স্তরটিকে বলা হয় আন্তঃস্তর।ক্রোরোপ্লাস্ট এ গ্রানাম চাকতি নামক একটি স্তরিভূত অঙ্গ থাকে। গ্রানার সংখ্যা একের অধিক এবং এরা পরস্পর গ্রানাম ল্যামেলা নামক নালিকা দ্বারা সংযুক্ত থাকে।

অণুবীক্ষ্ণণ যন্ত্রে ক্লোরোপ্লাস্ট।

ক্লোরোপ্লাস্ট মূলত থাকে গাছের পাতায়, কচি কান্ডের ত্বকে, ফুলের বৃতিতে এবং কচি ফলের ত্বকে। সাধারণত যে সমস্ত কোষকলাতে সালোকসংশ্লেষ হয়, সেই সব কলার কোষে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে। এছাড়াও বীজের মধ্যে ভ্রূণে আর বড় গাছের প্যারেনকাইমা কলার কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট পাওয়া যায়।

নামকরণসম্পাদনা

ক্লোরোপ্লাস্ট শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "ক্লোরোস" এবং "প্লাস্টেস" থেকে। ক্লোরোস (χλωρός) অর্থ সবুজ এবং প্লাস্টেস (πλάστης) অর্থ যা গঠিত হয়।[১] ১৮৮৩ সালে Andreas Schimper এর নামকরণ করেন। [২][৩]

কাজসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা