ক্যালরিমিতি

পদার্থ বিজ্ঞানের একটি উপশাখা যার বিষয় তাপ পরিমাপ

ক্যালরিমিতি পদার্থ বিজ্ঞানের একটি উপশাখা যার বিষয় তাপ পরিমাপ। তাপ পরিমাপের অন্যতম একক ক্যালরি; এবং এরই ভিত্তিতে তাপ বিজ্ঞানের এই উপশাখার নামাকরণ করা হয়েছে ক্যালরিমিতি। স্কটিশ চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানী জোসেফ ব্ল্যাক, যিনি তাপ এবং তাপমাত্রার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করেন, তাঁকেই ক্যালোরিমিতির জনক হিসাবে ধরা হয়। [১]

The world’s first ice-calorimeter, used in the winter of 1782–83, by Antoine Lavoisier and Pierre-Simon Laplace, to determine the heat involved in various chemical changes; calculations which were based on Joseph Black’s prior discovery of latent heat. These experiments mark the foundation of thermochemistry.

মূলনীতিসম্পাদনা

ভিন্ন তাপমাত্রার একাধিক বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে আনা হলে তাদের মধ্যে তাপের আদান-প্রদান ঘটে। বেশি তাপমাত্রার বস্তুগুলো তাপ হারায় এবং কম তাপমাত্রার বস্তুগুলো তাপ গ্রহণ করে। তাপের এ গ্রহণ বা বর্জন তাপের পরিমাণের উপর নির্ভর করে না, এদের তুলনামূলক তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে। বস্তুগুলোর তাপমাত্রা সমান না হওয়া পর্যন্ত তাপ উচ্চ তাপমাত্রার বস্তু থেকে নিম্ন তাপমাত্রার বস্তুতে প্রবাহিত হয়। শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্র অনুসারে বেশি তাপমাত্রার বস্তুগুলো যে তাপ হারায় কম তাপমাত্রার বস্তুগুলো সেই তাপ গ্রহণ করে। এ থেকে আমরা তাপ পরিমাপের তথা ক্যালরিমিতির মূলনীতি পাই -

যদি একাধিক বস্তুর মধ্যে তাদের বাহিরের অন্য কোথাও থেকে তাপ এদের ভেতরে না আসে কিংবা এদের ভিতর থেকে কোন তাপ বাহিরে না যায়, তাদের মধ্যে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া না ঘটে, তাহলে শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্র হতে আমরা পাই, গৃহীত তাপ = বর্জিত তাপ।

ক্যালরিমিতির আলোচ্য বিষয়সমূহঃ

  1. তাপধারণ ক্ষমতা
  2. আপেক্ষিক তাপ
  3. তাপের পরিমাণ
  4. ক্যালরিমিটার
  5. আপেক্ষিক সুপ্ত তাপ


তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Laidler, Keith, J. (১৯৯৩)। The World of Physical Chemistry । Oxford University Press। আইএসবিএন 0-19-855919-4