কাল নাগিনী

সরীসৃপের প্রজাতি

কাল নাগিনী বা কালনাগ এক ধরনের সাপ[১][২][৩] এরা লাফিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত গ্লাইডিং করতে পারে।

Chrysopelea ornata
Chrysopelea ornata.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: কর্ডাটা
উপপর্ব: Vertebrata
শ্রেণী: Reptilia
বর্গ: Squamata
উপবর্গ: Serpentes
পরিবার: Colubridae
উপপরিবার: Colubrinae
গণ: Chrysopelea
প্রজাতি: C. ornata
দ্বিপদী নাম
Chrysopelea ornata
(Shaw, 1802)
কাল নাগিনী সাপ

বর্ণনাসম্পাদনা

 
কাল নাগিনী

উপপ্রজাতিসম্পাদনা

এই সাপের তিনটি উপপ্রজাতি আছেঃ

  • Chrysopelea ornata ornata ( দক্ষিণ পশ্চিম ভারতে প্রাপ্ত)
  • Chrysopelea ornata ornatissima (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়াতে প্রাপ্ত)
  • Chrysopelea ornata sinhaleya (শ্রীলংকাতে পাওয়া যায়)

সাধারণ নামসম্পাদনা

 
Head of C. ornata with brilliantly coloured tongue exposed
  • ইংরেজি - গোল্ডেন ট্রি স্নেক,[৪][৫][৬] গ্লাইডিং স্নেক,[৪] অর্নেট ফ্লাইয়িং স্নেক, গোল্ডেন ফ্লাইয়িং স্নেক, সোনালি এবং কাল গাছ সাপ,[৭] উড্ডুক্কু গাছ সাপ[৮]
  • হিন্দি - কালা জিন[৪]
  • সিংহলি ভাষা - পোল-মাল-কারওয়ালা, মাল কারাওয়ালা[৪]
  • জার্মান - Gelbgrüne Schmuckbaumnatter, Gewöhnliche Schmuckbaumnatter.[৯]
  • বাংলা - কালনাগিনী (Kaalnagini), উড়ন্ত সাপ, উড়াল মহারাজ সাপ, সুন্দরী সাপ, কালসাপ, কালনাগ
  • Konkani - Naneto
  • Nepali Name - Seerise

রঙসম্পাদনা

 
সবুজাভ কালনাগিনী

এরা সাধারণত সবুজাভ হলুদের মাঝে লাল ও কালো ডোরাকাটা দাগযুক্ত হয়ে থাকে।

আকারসম্পাদনা

এরা আকারে ছোট হয়। এরা ২-৪.৫ ফুট লম্বা হয়। এদের দেহ হাল্কা ও এরা ভাল গাছ বাইতে পারে।

বিষসম্পাদনা

এরা সামান্য বিষাক্ত, তবে সেই বিষ মানুষের কোন ক্ষতি করে না। এরা কলুব্রিড জাতীয় সাপ। তাই এটি নিরাপদ একটি সাপ।

স্বভাব ও প্রজননসম্পাদনা

স্বভাবসম্পাদনা

এরা দিবাচর। এরা শান্ত স্বভাব এর সাপ। এগুলো লাজুক প্রকৃতির, দ্রুত চলতে পারে এবং ভয় পেলে পালাবে এমন স্বভাবের তবে বেশি বিরক্ত হলে কামড়াতে পারে। এরা সহজে কামড়ায় না। তাই সাপুড়েরা এদের সহজেই খেলা দেখাতে পারে। এরা ছোট জাতের গিরগিটি, বাদুড়, ইদুর খায়। পাশাপাশি পাখির ডিম এবং ছোট কীটপতঙ্গও খায়। শিকার করার পূর্বে শিকারকে এরা দীর্ঘক্ষন অনুসরণ করে। পরে ঘাড়ের দিকে কামড়ে শিকার ধরে।

প্রজননসম্পাদনা

এরা যখন ১ মিটার বা ৩.৩ ফিট এর মত লম্বা হয়, তখন থেকে এরা বয়োঃপ্রাপ্ত হয়। এরা সর্বোচ্চ ১১.৫ থেকে ১৩০ সেমি বা .৩৮ থেকে ৪.২৭ ফুট লম্বা হয়।

বাসস্থানসম্পাদনা

বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমারসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের জঙ্গলে এদের পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Daniels,J. C. (2002) The Book of Indian Reptiles and Amphibians, BNHS & Oxford University Press, Mumbai, pp 106–107.
  2. Ecology Asia - Snakes of Southeast Asia: page on Golden Tree Snake[১].
  3. Encyclopædia Britannica online [২] Accessed 07 Sep 2007
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Daniels2 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; EcologyAsia2 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  6. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Brittanica2 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  7. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Sri Lanka নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  8. "Mangrove flora and fauna of Sungei Buloh Nature Park, Singapore"। ৮ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০১৯ 
  9. The Reptile Database [৩] Accessed 08 September 2007.

১০. https://en.wikipedia.org/wiki/Chrysopelea_ornata