কমলার বনবাস স্বপন সাহা পরিচালিত ১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রটি সঙ্গীত প্রদান করেছেন সুরকার অশোক ভদ্র

কমলার বনবাস
পরিচালকস্বপন সাহা
প্রযোজকনারায়ণচন্দ্র ঘোষ
শ্রেষ্ঠাংশেশতাব্দী রায়
তাপস পাল
শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়
লাবণী সরকার
অনামিকা সাহা
কুমকুম রায়
কৌশিক ব্যানার্জী
সুরকারঅশোক ভদ্র
চিত্রগ্রাহকশঙ্কর গুহ
পরিবেশকঅ্যাঞ্জেল সিনেমা
মুক্তি১৯৯৭
দেশভারত
ভাষাবাংলা

সংক্ষিপ্ত কাহিনিসম্পাদনা

কমলা হচ্ছে রাজা সাঁচি ও তাঁর স্ত্রী চিত্রার একমাত্র কন্যা। কলমা একদিন সখিদের সাথে প্রমোদভ্রমণে বের হয়, সেখানে কমলাকে দেখে রাজপুত্র কাঞ্চন কুমারের ভালো লেগে যায়। এরপর কমলা ও কাঞ্চন কুমার দুজনেই প্রেমে পড়েন। দুই পরিবারের সম্মতিতে কাঞ্চন ও কমলার বিয়ে হয়। বাসর রাতে একজন তপস্বী চামুণ্ডা তান্ত্রিক কাঞ্চন কুমারের সামনে প্রকট হন। তিনি তাকে নীল সরবরের কাছ থেকে নীল পদ্ম আনতে বলেন যা তার পিতা ভগবান ভোলানাথের কাছে মানত করেছিলেন। কাঞ্চন কুমার তার পিতার প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে বাসর রাতেই নীল পদ্মার সন্ধানে রওনা হন। যাত্রাপথেই কাঞ্চন কুমার অস্বস্তি বোধ করেন এবং তার স্ত্রীর সাথে দেখা করতে চান। এবার তপস্বী অলৌকিকভাবে তাকে স্ত্রীর সাথে দেখা করতে সাহায্য করলেন। সকালে কাঞ্চনের মা তার পুত্রবধূর অবস্থা দেখে বুঝতে পারেন রাতে তার ঘরে কোনও পুরুষ ছিল। কমলাকে তার আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু জল্লাদের দয়ায় কমলা প্রাণে বেঁচে বনে পালিয়ে যান। কিছুদিন পরেই তিনি বুঝতে পারেন যে, তিনি গর্ভবতী। তিনি মানিক কুমার নামে একটি পুত্রের জন্ম দেন। কিন্তু তার ছেলে অন্য এক মহিলার সাথে বিনিময় করে যে একটি মৃত সন্তানের জন্ম দেয়। একদিন কমলা তার ছেলেকে খুঁজে পান, তিনি তার ছেলেকে ফেরত পাওয়া দাবি করলেন। অবশেষে কমলা তার ছেলেকে ফিরে পেলেন; অন্যদিকে কাঞ্চন কুমার "নীল পদ্ম" নিয়ে তার সাম্রাজ্যে ফিরে আসেন এবং জানতে পারেন, যে তার স্ত্রী আর প্রাসাদে নেই। তিনি তৎক্ষণাৎ স্ত্রীর খোঁজে বের হন এবং অনেক দিন ধরে অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে অবশেষে স্ত্রী ও সন্তানের সন্ধান পান। সবাই আবার একত্রিত হয়ে তাদের প্রাসাদে ফিরে আসেন।

অভিনয়েসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে কমলার বনবাস (ইংরেজি)