এনসিয়েন্ট সায়াম

এনসিয়েন্ট সায়াম (Thai: เมืองโบราณ, Mueang Boran) হচ্ছে একটি মুক্ত-উদ্যান যাদুঘর যা থাইল্যান্ডের শেপ এলাকায় প্রায় ২০০ একর (০.৮১ বর্গ কিলোমিটার) যায়গা জুড়ে বিস্তৃত। ২৯৬/১ মূ 7, সুখুমভিট রোড, বাং পু মাই মহকুমায় অবস্থিত প্রায় ৮০০ রাই বা অঞ্চল সমৃদ্ধ এই বাগানকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় উম্মুক্ত উদ্যান যাদুঘর ধরা হয়।[১] সামুট প্রাকান প্রদেশের কুমির খামারের কাছাকাছি এর অবস্থান। প্রায় ৩২০ হেক্টর আয়তনের ছোট উদ্যান শহরের মধ্যে থাইল্যান্ডের বিখ্যাত ১১৬ টি সৌধ এবং স্থাপত্য কাঠামোর প্রতিলিপি আছে। পার্কের ভূমির আকারও কিছুটা থাইল্যান্ড রাজ্যের আকৃতির। চোখের দেখায় কুঠার আকৃতির মতো লেআউট রয়েছে।[২] দেশের যে স্থাপনা যেখানে পার্কের মধ্যে সেভাবেই বিন্যাস করা হয়েছে। তাই এর ভূমি পরিকল্পনা যেমন উত্তর, মধ্য, দক্ষিণ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের সাথে মোটামোটি মিলে যায়। থাইল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক বিভিন্ন প্রকল্পগুলিকে এখানে তৈরী করে প্রদর্শন করা হয়েছে। থাই সাহিত্য এবং বৌদ্ধধর্মীয় বিভিন্ন নিদর্শনও রয়েছে।

এনসিয়েন্ট সায়াম (প্রাচীন শহর)
Ancient City.jpg
মুক্ত উদ্যান যাদুঘর
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিহিন্দুধর্ম
অবস্থান
অবস্থানBangpoo
রাজ্যসমুত প্রাকান প্রদেশ
দেশথাইল্যান্ড
ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক১৩°৩২′২১.৪৯৮″ উত্তর ১০০°৩৭′২২.৫১৫″ পূর্ব / ১৩.৫৩৯৩০৫০০° উত্তর ১০০.৬২২৯২০৮৩° পূর্ব / 13.53930500; 100.62292083
স্থাপত্য
সৃষ্টিকারীলেক ও প্রফাই বিরিহাফ্যান্ট
প্রতিষ্ঠার তারিখ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
সম্পূর্ণ হয়১৯৬৩
ওয়েবসাইট
ancientcitygroup.net/ancientsiam/en/

এর মধ্যে কিছু কিছু স্থাপনা একদম মুল আকৃতিতেই তৈরী করা হয়েছে। বাকীগুলো স্কেল হ্রাস করে ছোট আকারের প্রতিলিপি। এই সব প্রতিলিপিগুলোর ঐতিহ্যবাহী চেহারা অক্ষুন্ন রাখার জন্য দেশের যাদুঘরের সাথে জড়িত দক্ষ ব্যক্তিদের সাহায্য নেয়া হয়েছে। পুরাতন ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনার মধ্যে রয়েছে গ্রান্ড প্যালেস অব অথায়া (Grand Palace of Ayutthaya) যা বর্মিজ বাহিনীর হাতে ১৭৬৭ সালে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। আরো আছে ফিমাই ঐতিহ্য উদ্যান (Phimai Historical Park) , ওয়াট খাও ফ্রা বিহার (Wat Khao Phra Viharn) ইত্যাদি।

ইতিহাসসম্পাদনা

 
থাই সাহিত্যে বর্নিত বাগান, বাগানের চতুর্দিকে বৃক্ষ সহ আলোকিত প্যাভিলিয়ন

লেক বিরিয়াফান্ত শৈশবকাল থেকেই শিল্পের প্রতি আগ্রহী ছিলেন, যা তাকে একটি প্রাচীন ধাচের শহরের অনুলিপি প্রতিষ্ঠার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল। প্রাথমিকভাবে, তিনি একটি থাই মানচিত্রের আকারের গল্ফ কোর্স তৈরির পরিকল্পনা করেন যেখানে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রাচীন জায়গাগুলির ছোট প্রতিলিপি স্থাপন করা হবে, যার লক্ষ্য হবে শুধুমাত্র পর্যটন এবং ইতিহাস শিক্ষা।

সেই আলোকে ১৯৬৩ সালে ৭৬টি প্রাচীন স্থাপত্যকর্মের প্রতিলিপি সাজিয়ে এনসিয়েন্ট সায়াম যাত্রা শুরু করে।[২] এর শুরুর পূর্বে প্রাচীন শহর ও স্থাপত্য কর্ম নিয়ে নিয়ে গবেষণা শুরু করেন লেক। তিনি দেখতে পেলেন যে অনেক প্রাচীন স্থান ক্ষয় হয়ে গেছে। সুতরাং, তিনি প্রাচীন শহরের ধারণাটি পর্যটন আকর্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের ঐতিহ্যের শিক্ষার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করেছেন। ক্রমাগতভাবে এনসিয়েন্ট সায়ামকে তিনি সমৃদ্ধ করেন এবং ১৭ নভেম্বর’ ২০০০ সালে তাঁর জীবনের শেষ অবধি পাতায়ায় সত্যের অভয়ারণ্য এবং সামুট প্রাকাণে ইরাওয়ান যাদুঘরের মত শিল্পকর্ম তৈরি করে গিয়েছেন।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিসম্পাদনা

২০০৬ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিয়েলিটি শো আমেরিকান নেক্সট টপ মডেল ৬ষ্ঠ পর্বের ফাইনাল অনুষ্ঠানের জন্য সেন্ট প্যাভিলিয়নকে রানওয়ে হিসাবে ব্যবহার করে। মডেল শো এর জগতে এই অনুষ্ঠানটি ছিলো একটি অন্যতম বৃহৎ অনুষ্ঠান। তাছাড়া স্যানফেট দুর্গের মডেলকে পটভূমিতে রেখে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিলো।

২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, গণতন্ত্রের জন্য গণজোট (পিএডি) থেকে ৫০০ জন কর্মী এনসিয়েন্ট সায়ামের প্রাহা বিহার মন্দিরের মডেলটিতে প্রতিবাদ করেছিলেন।[৩] তারা দাবি করেছিল যে মন্দিরটি থাইল্যান্ডের, যদিও হেগ এর আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিজে) রায় দিয়েছে যে মন্দিরটি কম্বোডিয়ার অন্তর্গত।

স্থাপত্য সময়ক্রমসম্পাদনা

এনসিয়েন্ট সায়ামে বিভিন্ন যুগের স্থাপত্য নিদর্শনগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে। সময়যুগগুলো পর্যায়ক্রমে নিম্নরূপ:[৪]

  • প্রগৈতিহাসিক
  • ভরভতী [Dvaravati] (১১শ-১৬শ শতাব্দী বুদ্ধযুগ)
  • শ্রিভিছায়া [Srivichaya] (১৩শ-১৮শ)
  • খ্‌মের বা প্রাচীন খেমার (১৬শ-১৮শ)
  • লানা [Lanna] (১৬শ-২৫শ)
  • ল্যান চ্যং [Lan Chang] (১৬শ-২১শ বুদ্ধযুগ)
  • হারিপুনচাই [Hariphunchai] (১৭শ-১৯শ)
  • সুখথাই [Sukhothai] (১৭শ-২০শ )
  • অথং [Authong] (১৭শ-২০শ )
  • উথ্থায়া [Ayutthaya] (১৯শ-২৪শ)
  • থনবুরি [Thonburi] (২৪শ)
  • রত্নাকোসিন [Rattanakosin] (২৫শ)

বর্ণনাসম্পাদনা

 
এনসিয়েন্ট সায়ামের ভাসমান বাজার অঞ্চল

এনসিয়েন্ট সায়ামের কাঠামোর বিন্যাস হয়েছে থাইলান্ডের বিন্যাসের অনুকরনে। তাই প্রবেশদ্বার থেকে থাইল্যান্ডের মানচিত্রের সাদৃশ্যপূর্ণ দক্ষিণ অঞ্চল থেকে যাত্রা শুরু করে মধ্য অঞ্চল পার হয়ে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল পর্যন্ত ঘুরে আসতে হয়। ভ্রমনের সুবিধার্থে ৮০০ রাইয়ের বেশি অঞ্চলে এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক সাইটগুলিতে শ্রেণিবদ্ধ করা রয়েছে। বিভাগগুলি কেন্দ্র, উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৫ টি অঞ্চলে বিভক্ত।[৫] দক্ষিণ অঞ্চল থেকে দেখা শুরু করতে হয়। দক্ষিণাঞ্চলে প্রাচীন কালের সুন্দর শিল্প ও সংস্কৃতির নিদর্শন পাওয়া যাবে যার মধ্যে রয়েছে ফোর বোরোমমাটহাট, নাখন সি ঠাম্মারত প্রদেশ, ফ্রে বোরম দ্যা ছাইয়া সুরত থানি প্রদেশ, মনোহরা মন্দির, পালওয়ান শিশির মন্দির, ফাং এনজিএ প্রদেশ ইত্যাদি। মধ্য অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ রয়েছে সি স্যানফেট আরশ হল, রুন খুন ফেন আরন হল, দুসিত মহা প্রসত আরশ হল, থোনবুরি হল, প্রাচীন ভাসমান বাজার ইত্যাদি। ভাসমান বাজারে অনেকগুলি দোকান এবং প্রাচীন রেস্তোঁরা রয়েছে।[২] রয়্যাল ট্রেলোককনাটের সময় নির্মিত সিংহাসনের চারপাশের সৌন্দর্য দেখার জন্য হেটে উত্তরে চলে যেতে হবে। প্রাসাদের ভিতরের ছাদের স্তম্ভগুলি থেকে খুলে নিয়ে আসা বিভিন্ন আলংকারিক নিদর্শন এবং দুর্দান্ত গিল্ডেড স্টুকো ডিজাইন সহ সুন্দর প্রাচীর রাখা আছে। আরো আছে নকশী কাচ দিয়ে সজ্জিত তারকা নকশার চমৎকার সিলিং। উত্তর-পূর্বে এসে যদি ভ্রমন শেষ হয় তাহলে কোরাটের নাথন ফানোম প্রদেশ, প্রসত হিন ফানম রুং, বুড়ি রাম, হিন ফিমাই প্রসাত, ইত্যাদি দেখার সুযোগ হবে।

প্রাচীন শহরে ভ্রমন করতে হলে একটি পুরো দিন, সকাল থেকে সন্ধ্যা বরাদ্দ হওয়া উচিত। ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো হচ্ছে হাঁটাচলা, কিংবা সাইকেল চালানো। তবে দ্রুত এবং সহজ চলাচলের জন্য ট্রাম রাইড এবং ব্যক্তিগত ড্রাইভিংয়ের সুযোগ আছে। যার হাঁটার শক্তি আছে, তার পক্ষেই সম্ভব প্রাহা বিহার মন্দির, দর্শনীয় ক্লাসিক পয়েন্ট ফ্রে নখোন সি থম্মারাত, বুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ সুরত থানি প্রদেশ ছাড়াও প্রাচীন শহরটির আরো কিছু রোমাঞ্চকর অংশকে পুরোপুরি উপভোগ করা।

মানচিত্রসম্পাদনা

 

প্রতিকৃতি তালিকাসম্পাদনা

ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার ছোট অনুলিপি পুন:নির্মিত ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা আরো নতুন কিছু স্থাপনা
দ্য রয়েল স্ট্যান্ড (The Royal Stand) খুন চ্যাং খনি পেন উদ্যান
ফ্যা দ্যাট চম কিটি (Phra That Chom Kitti), চিয়াং রাই ওয়াত নিমিট হল (Trat) ভরভতী বিহান
দ্য ফ্রুট শেপ টাওয়ার (Prang Mafuang), চাই নাত সমাধি তথ্য গ্যালারী
দ্য ইহান এট ওয়াত ফুমিন (The Wihan at Wat Phumin), Nan থাই হ্যামলেট সমাধি কেন্দ্রের বাগান
দ্য সিটি ওয়াল এন্ড গেট (The City Wall and Gate) সিটি পিলারের সমাধি নাও উদ্যান (Nao Garden)
ফুটপ্রিন্ট অব দ্য বুদ্ধ (বুদ্ধের পদচিহ্ন), সরাবুরি পুরাতন মার্কেট শহর দ্য সিটি সালা
ফেরা চেদি শ্রী সং রাক, লোই শাস্ত্রীয় সংগ্রহশালা দ্য ইয়ামাহা পাতিহার্ন
প্রসাদ সদোক কোক থম, Sa Kaeo বেল টাওয়ার মানোহরা উদ্যান
মন্ডপ(বুদ্ধের পদচিহ্ন যেখানে সংরক্ষিত), উত্তরাদিত প্রাসাদ উদ্যান ফ্রা আফাইমানির উদ্যান, রায়ং
এনসিয়েন্ট থিয়েট্রিক্যাল প্যাভিলিয়ন ভাসমান বাজার বাং রাচানের মানুষের জন্য স্মরনীকা
প্রাং সাম যোদ, লুপ বুড়ি নৃ যাদুঘর ক্রেই থং উদ্যান
দ্য বিহান অব ওয়াট ফো কাও টন দ্য বিহান এট ফ্রাও, টাক দশজন্ম শালা
প্রা দাট বাং ফুয়ান, নং খাই সুমেরু পর্বত
দ্য স্তুপা অব ফ্রা মাহা দাট থাই - সংদাম গ্রাম ইশ্বরের উদ্যান
পুরাতন সমুদ্র প্রাচীর (The Old Sea Wall) ওয়াত চং খাম (Wat Chong Kham),লামপাং ধ্যানমগ্ন বুদ্ধ
পল্লভ ছবি সমগ্র সা মোয়েং বিহান (The Wihan at Sa-Moeng), চিয়াং মাই ৮০ যোগীশালা (Sala of 80 Yogi)
ফা ড্যং নাং উদ্যান (The Garden of Pha Daeng-Nang Ai) (রকেট উৎসব ব্যবহারের জন্য) ওয়াত চং খং বিহান, চিয়াং মাই বোধিস্বত্ব অবলোকিতেশ্বর মন্দির
লাল দুর্গ , চান্থাবুরি ওয়াটার হল বোধিস্বত্ব অবলোকিতেশ্বর কর্মকান্ড প্রদর্শনী
নর্দান থাই গ্রাম ভরবতী যুগের বুদ্ধের প্রতিলিপি
ওয়াত ফো প্রথাপ চং এর গেটওয়ে (The Gateway of Wat Pho Prathap Chang), ফিচিত   পদ্মকুড়ের ফুল
ফ্রা দ্যাট নারাই চেং ওয়েং (Phra That Narai Cheng Weng) , সাকোন নাখোন   রামায়ন শালা
ল্রান চ্যং শাস্ত্রীয় সংগ্রহশালা ও বিহান (The Lan Chang styled Scripture Repository and Wihan)   ফ্যা দ্যট মন্ডপ (Phra That Mondop)
টাইগার কিং প্যালেস , ফিটছাবুরি   সোনালী সঙ্খ যুবরাজের উদ্যান (The garden of the Prince of the Golden Conch)
দ্য প্রাং অব ওয়াত চুলমানী (The Prang of Wat Chulamanee), ফিটছানুলক   থাই সাহিত্যে বর্নিত উদ্যান (The Botanical Garden of Thai Literature)
ফ্রা দ্যট ফ্রানোম (Phra That Phanom), নাখোন ফ্যানম   ইউথাহাথির ভয়ংকর যুদ্ধ (The Great Battle of Yuthahathi)
প্রধান ব্রাক্ষ্মন মন্দির [The Giant Swing and Brahmin Temple]   আলোকিত প্যাভিলিয়ন [Pavilion of the Enlightened]
সুখথাই বিহান [The Sukhothai Wihan]   Monument of Krom Phra Ratchawang Boworn Maha Surasinghanat
প্রাসাট ফ্রা বিহান [Prasat Phra Wihan (Preah Vihear)], ফ্রা ভিহার প্রদেশ কম্বোডিয়া   মুকুট সজ্জিত হিন্দু দেবতার ছবি [An Image of Hindu Deity with a Mitred Crown]
থনবুরি দর্শনার্থী হল [Audience Hall of Thonburi]   রংধনু সেতু [The Rainbow Bridge]
ভরবতী হাউজ   ফ্রা লো’র উদ্যান [Phra Lo's Garden]
জনদাবী মঞ্চ [The Bench of Public Appeals], সুখথাই   পুনর্বিবেচনার মণ্ডপ [Pavilion of Recallection]
প্রাসাট হিন নং কু [Prasat Hin Nong Ku], রই এট   সাতা মাথা নাগ ঘেরা বুদ্ধের ছবি [The Buddha image being protected by the seven headed Naga]
ফ্রা দ্যট ইয়া খু [Phra That Ya Khu], কালাসিন   থাই জাঙ্ক [Thai Junk]
ওয়াত মাহা থাই প্রধান হল [The Grand Hall of Wat Maha That] , সুখথাই   ২৪ কাটান্যু শালা [Sala 24 Katanyu], কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মন্ডপ
প্রাং এট সি থেপ [The Prang at Si Thep],ফেটছাবুন   ঝুগে লিয়াংস প্যাভিলিয়ন [Zhuge Liangs Pavilion]
কু খু মাহা দ্যট [Ku Khu Maha That], মাহা সারাখাম   ফ্রা সি থিট মন্ডপ [Mondop Phra Si Thit]
খুন ফায়েন হাউস [Khun Phaen House]   রামায়ন উদ্যান [The Ramayana Garden]
নোয়েন প্রাসাট [Noen Prasat], সুখথাই   The Octagonal Sala
মেইন চেদি অব ওয়াট মাহা দ্যট [The Main Chedi of Wat Maha That], সুখথাই   The Churning of the Ocean
থ্রি প্যাগোডা , কাঞ্চনবুরি   The Phra Kaew Pavilion
দুসিত মাহা প্রাসাত প্যালেস Dusit Maha Prasat Palace (The Grand Palace)    
হো খাম [Ho Kham], লাম পাং    
রত্নকোসিন আবাসিক [Rattanakosin Dwelling]    
চেদি অব চাম থিউ [The Chedi of Cham Thewi], লামফুন    
ওয়াট ফ্রে শ্রি সানফেট [The Wihan at Wat Phra Sri Sanphet], অত্থায়া    
ওয়াট ফ্রে দ্যট স্তূপা স্যাম মুইন স্তূপা [The Stupa of Wat Phra That Sam Muen], চিয়াফুম    
সানফেট প্রসাত প্যালেস [Sanphet Prasat Palace], অত্থায়া    
সপ্তচুড়া প্যাগোডা [The Seven Spired Pagoda], চিয়াং মাই    
ফ্যনম রাং স্যাঙ্কচুয়ারী [The Phanom Rung Sanctuary], বুরিরাম    
চম থং প্যালেস হল [The Chom Thong Palace Hall], অথ্থায়া    
কাম ইয়াদ প্যালেস হল [The Kam Yaad Palace Hall], অং থং    
প্রাসাট সিখোরাফুম [Prasat Sikhoraphum], সুরিন    
ফিমাই স্যাঙ্কচুয়ারী [The Phimai Sanctuary], নাখোন রাচাসিমা    

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. นั่งเรือชมเมืองโบราณ สมุทรปราการ ตามรอยละครบุพเพสันนิวาส, เว็บไซด์:https://www.govivigo.com/ .วันที่ 13/03/2018
  2. "Ancient city attractions Health path"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  3. "พันธมิตรฯ อ่านแถลงการณ์ทวงคืนแผ่นดินไทยที่เขาพระวิหาร(จำลอง)"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 
  4. "HISTORICAL TIMELINE"Ancient City Group। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৬-০৭ 
  5. "พาทัวร์เมืองโบราณ สถานที่ถ่ายทำหลักละคร "บุพเพสันนิวาส""। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৮ 

আরও পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

স্থানাঙ্ক: ১৩°৩২′৪৫″ উত্তর ১০০°৩৭′৪১″ পূর্ব / ১৩.৫৪৫৮৩° উত্তর ১০০.৬২৮০৬° পূর্ব / 13.54583; 100.62806