ইলুমিনাতি

গুপ্ত সংঘঠন

ইলুমিনাতি /ɪˌlmɪˈnɑːti/ একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে ব্যাভারিয়া তে অ্যাড দাবী করে" অথবা "বিজ্ঞান বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান সম্পন্ন।[১]

ইতিহাসসম্পাদনা

উদ্ভবসম্পাদনা

ইলুমিনাতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ মে,১৭৭৬ সালে, ইঙ্গলস্ট্যাড (উচ্চ বাভারিয়া) এ। এটি প্রতিষ্ঠা করেন খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত অ্যাডাম ওয়েইশপ্ট, যিনি ছিলেন ইঙ্গলস্ট্যাড বিশ্ববিদ্যালয় এর "ক্যাথলিক গির্জা আইন" বিভাগের প্রথম (কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন) অধ্যাপক। সংগঠনটির সর্বপ্রথম সদস্য ছিলেন ওয়েইশপ্ট এবং তার ৪ জন ছাত্র। "আউল অব মিনার্ভা" ছিলো তাদের প্রতীক।[২][৩]

কার্যক্রমসম্পাদনা

প্রচুর ষড়যন্ত্র তত্ত্ব মতে, শক্তিমান সিক্রেট সোসাইটি ইলুমিনাতি মূলত এ বিশ্বের সকল প্রধান ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করে। ১. ফ্রেঞ্চ বিপ্লবের সূচনাও ইলুমিনাতির হাতেই।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

২. নেপোলিয়নের ওয়াটারলু যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারণ করে ইলুমিনাতি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

৩. শয়তানের উপাসনার মাধ্যমে স্বার্থ হাসিল করে ইলুমিনাতি। ইহুদিদের ষড়যন্ত্রতত্ত্ব মতে, ইলুমিনাতির এক চোখা প্রতীক প্রমাণ করে যে, ইলুমিনাতি হলো সেই সংঘ যারা একচোখা দাজ্জাল (কিংবা বাইবেল মতে ৬৬৬ বা অ্যান্টিক্রাইস্ট) এর আগমনের পথ সুগম করছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

ইলুমিনাতির অভুত্থানসম্পাদনা

ইলুমিনাতির সঠিক উদ্ভব কারণ এখনো বিশ্লেষকদের কাছে পরিষ্কার নয়। নতুন পৃথিবী গড়া তাদের মূল লক্ষ্য হলেও আপাতদৃষ্টিতে তারা ধর্মীয় কুসংস্কারাচ্ছান্ন সমাজের বিরুদ্ধে গুপ্তভাবে যথেষ্ট সোচ্চার। বিশেষভাবে ধারণা করা হয় মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার ধর্মীয় নৈতিক স্খলন গুলো এদের দ্বারাই প্রকাশ্যে আসে। ধারণা করা হয় এই ঘটনাগুলির সূত্রপাত থেকে ঘটনাপ্রবাহে জনসম্মুখে আসা- সকল ক্ষেত্রেই অদৃশ্যভাবে ভূমিকা পালন করে। যেমন ধরা যাক হিন্দুধর্মের একটি বিলুপ্ত কুসংস্কার হল সতীদাহ প্রথা। এই একবিংশ শতাব্দীতেও এমন কোন ঘটনা হয়ত ঘটবে তাও আবার ওই ধর্মের কোন এক পুরোহিতের(PRIEST) দ্বারা। এই সম্পূর্ণ ঘটনা এবং এর বিরুদ্ধে জনমত উথ্বাপনে এদের প্ররোচনাকে অনেকেই কলকাঠি হিসেবে ধারণা করেন। কিছু বিশেষজ্ঞ এরকম সংগঠনকে এবং এদের কার্যক্রমকে কাল্পনিক মনে করেন।

আধুনিক সংস্কৃতিতে ইলুমিনাতিসম্পাদনা

নতুন করে বর্তমান সময়ে এটি আবার আলোচিত হতে শুরু করেছে ড্যান ব্রাউন এর "অ্যাঞ্জেলস অ্যান্ড ডিমনস" উপন্যাসের মাধ্যমে। মানুষ মনে করে থাকে ইলুমিনাতি সদস্যরা পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করে। তবে তার কোনো বাস্তব প্রমাণ নেই।[৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Vernon Stauffer, New England and the Bavarian Illuminati, Columbia University Press, 1918, Chapter 3 The European Illuminati, Grand Lodge of British Columbia and Yukon, accessed 14 November 2015
  2. René le Forestier, Les Illuminés de Bavière et la franc-maçonnerie allemande, Paris, 1914, Book 1, Chapter 1, pp. 15–29
  3. Manfred Agethen, Geheimbund und Utopie. Illuminaten, Freimaurer und deutsche Spätaufklärung, Oldenbourg, Munich, 1987, p. 150.
  4. McKeown, Trevor W. (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "A Bavarian Illuminati Primer"। Grand Lodge of British Columbia and Yukon A.F. & A.M.। ২৮ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১১