ইরানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

গত ৩০ বছরে গবেষণার প্রায় সকল ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইরান শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যথেষ্ট অগ্রগতি করেছে।ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৯৭৯ সালে ১,০০,০০০ থেকে ২০০৬ সালে ২০ লক্ষে বৃদ্ধি পায়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, ইরানের বৈজ্ঞানিক উৎপাদন বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে। [১][২][৩]

ওমিড স্যাটেলাইট।ইরান হল পৃথিবীর ৯ম দেশ যারা নিজস্ব লঞ্চার ব্যবহার করে নিজেদের নির্মিত নির্মিত একটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করেছে এবং ৬ষ্ঠ দেশ যারা মহাকাশে প্রাণী পাঠিয়েছে।
কোভিরান বারেকাত হলো প্রথম স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ টিকা যা মধ্যপ্রাচ্যে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত হয়েছে।

ইতিহাস জুড়ে ইরান সর্বদাই বিজ্ঞান চর্চার কেন্দ্রস্থল ছিল। চিকিৎসা, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা এবং দর্শনে ইরানের অবদান অবিস্মরণীয়। ইরানের বিজ্ঞানীরা এখন ইরানের বিজ্ঞানের সেই সোনালী সময়কে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে।

প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ইরানে বিজ্ঞান (পারস্য)সম্পাদনা

প্রাচীন কালে পারস্য বিজ্ঞান চর্চার কেন্দ্রস্থল ছিল। এটি পূর্বের চীন ও ভারত থেকে পশ্চিমের গ্রীস এবং রোমে তথ্য ও জ্ঞান সরবরাহ করতো। ফার্সি-ভাষী পণ্ডিতরা জ্যোতির্বিজ্ঞান, রসায়ন, শারীরবিদ্যা, জীববিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যা, মহাকাশবিদ্যা, গণিত, প্রকৌশল ও স্থাপত্যের মতো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রসমূহে জ্ঞানকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।[৪]

ইরানে প্রাচীন প্রযুক্তিসম্পাদনা

কানাত (সেচের জন্য ব্যবহৃত একটি পানি ব্যবস্থাপনার প্রক্রিয়া) ইরানে আকিমিনীয় সাম্রাজ্যের পূর্বেই উদ্ভূত হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত জানা প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম কানাত ইরানের গোনাবাদ শহরে অবস্থিত। কানাতটি ২,৭০০ বছর পরেও প্রায় ৪০,০০০ লোকের পানীয় ও কৃষি জলের উৎস।[৫]

ইরানি দার্শনিক এবং উদ্ভাবকরা পার্থিয়ান বা সাসানীয় যুগে সম্ভবত প্রথম ব্যাটারি (যা বাগদাদ ব্যাটারি নামেও পরিচিত) তৈরি করেছিলেন।

আরও দেখুনসম্পাদনা

সাধারণসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. অ্যান্ডি কঘলান। "Iran is top of the world in science growth"নিউ সায়েন্টিস্ট। ২৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ এপ্রিল ২০১৬ 
  2. "Archived copy" (PDF)। ১৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১০-২১ 
  3. "Archived copy" (PDF)। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০১১ 
  4. কাজভিনি, জেমস; স্কিনার; খান, মির খালান; মুহাম্মাদজাই, সালিহ ইবনে সালিহ মুহাম্মাদ এবং গুল মুহাম্মাদ খান; মুহাম্মাদ, আব্দুস সবুর মির্জা; ইয়াকুত; হাসান-খান; মুহাম্মাদ। "Science and Technology - A Thousand Years of the Persian Book | Exhibitions (Library of Congress)" [বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - পারস্য বই প্রদর্শনীর হাজার বছর (লাইব্রেরি অব কংগ্রেস)]। www.loc.gov (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-০১ 
  5. ওয়ার্ড ইংশিল, পল (২১ জুন ১৯৬৮)। "The Origin and Spread of Qanats in the Old World" [পুরোনো বিশ্ব কানাতের উৎপত্তি এবং বিস্তৃতি]। Proceedings of the American Philosophical Society (ইংরেজি ভাষায়)। ১১২ (৩): ১৭০–১৮১। জেস্টোর 986162 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

প্রতিবেদন