আর্জুমন্দ আলী (১৮৭০-১৯১৪) ব্রিটিশ ভারতের একজন সাহিতিক ছিলেন।

সংক্ষিপ্ত জীবনীসম্পাদনা

আর্জুমন্দ আলী ১৮৭০ সালে ব্রিটিশ ভারতের ভাদেশ্বর ইউনিয়নের পূর্বভাগ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বিখ্যাত ফতেহ খানের বংশধর। তার পিতার নাম ছিল বন্দে আলী। তিনি ১৮৯০ সালে প্রবেশিকা পাশ করে শিক্ষাজীবনের ইতি টানেন। প্রবেশিকা পাশ করেই স্কুল ইন্সপেক্টরের চাকরি গ্রহণ করেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি ছিলেন ভাবুক এবং সঙ্গীতপ্রিয়। তিনি ৩০ বছর বয়সে অন্ধ হয়ে যান, কিন্তু বাংলা সাহিত্যাঙ্গণে ঔপন্যাসিক হিসাবে যে সকল ঔপন্যাসিক তাদের কর্মের দ্বারা অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন আর্জুমন্দ আলী তাদের মধ্যে একজন। ১৮৯১ সালে ‘প্রেম দর্পণ’ উপন্যাস রচনা করেন, যা মুসলমান রচিত প্রথম সামাজিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। তা’ছাড়া তিনি বহু কবিতা ও গান রচনা করেন। তাঁর একটি কাব্যগ্রন্থ ‘হৃদয় সঙ্গীত’। এটি প্রকাশিত হয় ১৯০৫ সালে। সেই সময়ে হাটে মাঠে তার সঙ্গীত গাওয়া হত। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অমায়িক এবং নিঃসন্তান। বাংলা সাহিত্যের এই কৃতিসন্তান ১৯১৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

সমাধিসম্পাদনা

এটি কবির সমাধি যা চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা গ্রামে অবস্থিত। তিনি রূপসা জমিদার পরিবারের সাথে শায়িত আছেন। কারণ তিনি বিয়ে করেছিলেন সম্ভ্রান্ত জমিদার উমেদ রেজা চৌধুরী ও সৈয়দা আফতাবেন্নেছা চৌধুরানীর কন্যা আমিনা খাতুন চৌধুরানীকে। স্বনামধন্য খান বাহাদুর আবিদুর রেজা চৌধুরী ছিলেন আমিনা খাতুনের ভাই।

 
কবি আর্জুমন্দ আলীর সমাধি

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

খান বাহাদুর আবিদুর রেজা চৌধুরী