আব্দুল হাই (মুন্সিগঞ্জের রাজনীতিবিদ)

রাজনীতিবিদ
(আব্দুল হাই থেকে পুনর্নির্দেশিত)

আব্দুল হাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধামুন্সিগঞ্জ জেলার একজন প্রবীন রাজনীতিবিদ। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি'র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মুন্সীগঞ্জ-৩ থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন।

আব্দুল হাই
প্যানেল স্পিকার, অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০০১
কাজের মেয়াদ
১৯৯১ – ১৯৯৬
রাষ্ট্রপতিআব্দুর রহমান বিশ্বাস
প্রধানমন্ত্রীখালেদা জিয়া
উপমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়[১]
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২০০১ - ২০০৫
মুন্সিগঞ্জ-৪ আসনের
সংসদ সদস্য
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম৫ জানুয়ারি ১৯৪৯
মুন্সিগঞ্জ জেলা,
 পাকিস্তান(১৯৭১ সালের পূর্বে) (বর্তমানে-  বাংলাদেশ)
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,বিএনপি
দাম্পত্য সঙ্গীজামিলা খাতুন
প্রাক্তন শিক্ষার্থীসরকারি হরগঙ্গা কলেজ,মুন্সীগঞ্জ
জীবিকারাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

আব্দুল হাই বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলা গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নে একটি সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাজী মনির উদ্দিন একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

তিনি দুই পুত্র সন্তান ও একটি কন্যা সন্তান এর জনক।

শিক্ষা জীবনসম্পাদনা

আব্দুল হাই মুন্সীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যলয় থেকে মাধ্যমিক ও মুন্সীগঞ্জ সরকারি হরগঙ্গা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক।এবং সরকারি হরগঙ্গা কলেজ,মুন্সীগঞ্জ থেকে বিএ পাস করেন।

ডিগ্রীর ছাত্র থাকা অবস্থায় মুন্সীগঞ্জের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন পঞ্চাসার ইউনিয়ন এর সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনসম্পাদনা

আব্দুল হাই ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,(বিএনপি)র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্টপতি জিয়াউর রহমান এর হাত ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,(বিএনপি)তে যোগদান করেন। এবং ১৯৭৯ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে অবিভক্ত ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন। বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি। এছাড়াও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকার নির্বাচিত হোন। এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির প্রতিষ্টাকালীন সময় কোষাধ্যক্ষ দায়িত্ব পালন করেছেন। কেন্দ্রীয় বিএনপির কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মুন্সিগঞ্জ-৪ (জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা) আসন থেকে পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০০৮ মুন্সিগঞ্জের পরিবর্তে তাকে ঢাকা-৪ মনোনয়ন দেয়া হয়। আর দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ বিএনপি অংশ না নেয়ায় তিনিও নির্বাচনে অংশ নেননি। এরশাদ সরকারের সময় ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালেও বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেননি। সেই সময়ও তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি।

১৯৭৯ সালে সংসদ সদস্য হওয়ার পূর্বে তিনি ডিগ্রী ছাত্র থাকাকালীন মুন্সীগঞ্জ জেলা বৃহত্তর ইউনিয়ন পঞ্চাসর ইউনিয়ন এর সর্বকনিষ্ট চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আরো দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "List of 5th Parliament Members"parliament.gov.bd। Bangladesh Parliament। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১৮