স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি গবেষণা

স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি গবেষণা বলতে এক ধরনের চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বোঝায় যা কোনও জীব বা রোগকে এমনভাবে পরিবর্তিত করে যা সেটির রোগসৃষ্টিকারক ক্ষমতা, সংবহনযোগ্যতা বা পোষক পরিসীমা (কোনও অণুজীব কী কী ধরনের পোষককে সংক্রমিত করতে পারে) ইত্যাদি বৃদ্ধি করতে পারে। এই গবেষণার উদ্দেশ্য উদীয়মান সংক্রামক রোগগুলি সম্পর্কে উন্নততর পূর্বাভাস দেয়ার জন্য লক্ষ্য উন্মোচন করা এবং টিকা ও প্রতিষেধক ঔষধ সৃষ্টি করা। একে ইংরেজিতে "গেইন অভ ফাংশন রিসার্চ" (Gain of function research, সংক্ষেপে GoF research বা GoFR) নামে ডাকা হয়।

উদাহরণস্বরূপ, ইনফ্লুয়েঞ্জা বি ভাইরাসটি কেবলমাত্র মানুষ ও সাধারণ প্রজাতির সিলমাছে সংক্রমিত হতে পারে।[১] এমতাবস্থায় ইনফ্লুয়েঞ্জা বি ভাইরাসে যদি এমন কোনও পরিব্যক্তির সৃষ্টি করা হয় যাতে সেটি কোনও নিয়ন্ত্রিত গবেষণাগার পরিবেশে খরগোশেও সংক্রমিত হতে পারে, তাহলে সেই গবেষণাটিকে একটি "স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি" গবেষণা হিসেবে গণ্য করা হবে, কেননা এর আগে খরগোশে সংক্রমিত হওয়া ভাইরাসটির স্বাভাবিক ক্রিয়া বা ধর্ম ছিল না। তবে এই ধরনের পরীক্ষাতে ভাইরাসটির কোন কোন অংশ পোষকের ধরন বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত তা উন্মোচন করতে সাহায্য করে এবং এর ফলে এই স্বাভাবিক ক্রিয়াটিকে প্রতিরোধকারী ভাইরাস-নিরোধক ঔষধ সৃষ্টিতে সাহায্য করতে পারে।[২]

ভাইরাসবিজ্ঞানে স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি গবেষণার উদ্দেশ্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ মহামারী বা বৈশ্বিক মহামারীগুলি সম্পর্কে উন্নত জ্ঞান অর্জন করা।[৩] টিকা নির্মাণের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি গবেষণার উদ্দেশ্য হল কোনও ভাইরাসের বিবর্তন সম্পর্কে আগেভাগেই জ্ঞান অর্জন করা এবং নতুন বিবর্তিত ভাইরাস উদ্ভব হবার আগেই সেটির জন্য টিকা বা নিরাময়কারী ঔষধ নির্মাণ করা।[৩]

কখনও কখনও "স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি" পরিভাষাটির আরও সংকীর্ণ একটি সংজ্ঞাতে এটি দিয়ে এমন কোনও "গবেষণাকে বোঝায় যা কোনও সম্ভাব্য বৈশ্বিক মহামারী সৃষ্টিতে সক্ষম রোগজীবাণুকে অধিকতর দ্রুত পুনরুৎপাদিত হতে কিংবা মানুষ বা মানুষের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের উপরে অধিকতর ক্ষতি সাধনে সক্ষম করতে পারে।"[৪][৫]

স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি গবেষণার কিছু রূপ (বিশেষত যেসব গবেষণাকর্মের পাত্র কিছু বিশেষভাবে বিপজ্জনক রোগজীবাণু) স্বভাবগতভাবেই জৈব সুরক্ষাজৈব নিরাপত্তা ঝুঁকি বহন করে; একারণে এগুলিকে উদ্বেগজনক দ্বৈত ব্যবহার গবেষণা নামেও ডাকা হয়ে থাকে।[৬] এই ধরনের গবেষণার ঝুঁকি লাঘব করা ও এগুলির সুফল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকার হুকুম দিয়েছেন যে এইসব উদ্বেগজনক দ্বৈত ব্যবহার গবেষণা ও পরীক্ষণগুলিকে যেন কিছু প্রতিষ্ঠান (তথাকথিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্বেগজনক দ্বৈত ব্যবহার গবেষণা কমিটি) এবং সরকারি সংস্থা (যেমন মার্কিন জাতীয় স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের পুনর্যোজী ডিএনএ পরামর্শক কমিটি)[৭][৮][৯] দ্বারা অতিরিক্ত নজরদারির মধ্যে রাখা হয়।[১০] একই রকম একটি দৃষ্টিভঙ্গি ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বৈত ব্যবহার সমন্বয় দলের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়।[১১][১২][১৩]

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উভয়ের বিধিবিধানে হুকুম দেওয়া হয়েছে যে জনসাধারণ থেকে আগত এক (বা একাধিক) সম্বন্ধহীন এই নজরদারি প্রক্রিয়াতে "সক্রিয় অংশগ্রহণকারী" হিসেবে কাজ করবেন।[১৪][১৫][১৬][১৭] স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি গবেষণার ঝুঁকি ও সুফল কী করে মূল্যায়ন করতে হবে, কী করে এসব গবেষণার ফলাফল দায়িত্বের সাথে প্রকাশ করতে হবে ও কীভাবে জনগণকে এগুলির উন্মুক্ত ও সৎ পর্যালোচনায় জড়িত করতে হবে --- এসব ব্যাপারে বিজ্ঞানী সম্প্রদায়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে।[১৮][১৯][৬] ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্বাভাবিক ক্রিয়া বৃদ্ধি গবেষণার নিয়মগুলি পুনরায় পর্যালোচনা করার জন্য, এই ধরনের পরীক্ষা কীভাবে অনুমোদন পায়, সে ব্যাপারটি আরও স্বচ্ছ করার জন্য এবং এগুলিকে কখন জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত করা হবে, তা নির্ণয়ের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ সভার আয়োজন করা হয়।[২০]

উদ্বেগজনক স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি গবেষণাসম্পাদনা

ব্যাপক অর্থে স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি গবেষণা বলতে এমন এক ধরনের গবেষণাকে বোঝায় যা কোনও জৈব ঘটকের (biological agent) অভ্যন্তরে এমন পরিবর্তন সাধন করে যাতে এটি নতুন কোনও স্বাভাবিক ক্রিয়া অর্জন করে বা এটিতে ইতিমধ্যে বিদ্যমান কোনও স্বাভাবিক ক্রিয়ার উন্নতিসাধন হয়। কিছু বিজ্ঞানী এ ধরনের যেকোনও পরিবর্তন সাধনকারী গবেষণাকেই স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি গবেষণা হিসেবে বর্ণনা করেন। কিন্তু স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি হিসেবে বর্ণিত সব গবেষণাকর্মই একই মাত্রার ঝুঁকি বহন করে না। যেমন মানব ইনসুলিন উৎপাদনে সহায়তার উদ্দেশ্যে কোনও ব্যাকটেরিয়ার পরিবর্তন সাধন করা কিংবা কর্কটরোগের সিএআর-টি কোষ চিকিৎসায় ব্যবহৃত অনাক্রম্য কোষগুলির বংশাণু কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনার গবেষণাগুলিকে নিম্নঝুঁকিবিশিষ্ট গণ্য করা হয়। যেসব স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি গবেষণাতে (যা সমস্ত এরূপ গবেষণার একটি অংশমাত্র) সম্ভাব্য বৈশ্বিক মহামারী-উৎপাদক রোগসৃষ্টিকারী জীবাণুর সংবহনযোগ্যতা এবং/অথবা সংক্রমণ-প্রাবল্য (virulence) বৃদ্ধির প্রত্যাশা থাকে এবং এর ফলে মানুষের জন্য এগুলি আরও বিপজ্জনক হবার সম্ভাবনা থাকে, সেগুলিকে উদ্বেগজনক স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি গবেষণা (Gain-of-function Research of concern) বা সম্ভাব্য বৈশ্বিক মহামারী-সৃষ্টিকারী রোগজীবাণুর স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি গবেষণা (Gain-of-Function Research Involving Potential Pandemic Pathogens) বলা হয়। এগুলিকে সর্বদা তাৎপর্যপূর্ণ পরিমাণে বিচারবিবেচনা ও নিরীক্ষণের অধীনে রাখা হয়।[২১]

সম্ভাব্য বৈশ্বিক মহামারী-সৃষ্টিকারী রোগজীবাণু বলতে এমন সব ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও অন্যান্য অণুজীবকে বোঝায় যেগুলির উচ্চ সংবহনযোগ্যতা, মানব জনসমষ্টিসমূহে ব্যাপক ও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ার সক্ষমতা ও উচ্চ সংক্রমণ-প্রাবল্যের অধিকারী হবার সম্ভাবনা থাকে, এবং এর ফলে এগুলির দ্বারা মানুষের মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণরূপে উচ্চ পরিমাণে রোগীসংখ্যা ও মৃত্যুসংখ্যা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেসব রোগজীবাণু মানব সম্প্রদায়ে বৈশ্বিক মহামারী সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রাখে বা ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে বৈশ্বিক মহামারী সৃষ্টি করেছে, তাদের কয়েকটি দৃষ্টান্ত হল এইচ৫এন১ বা এইচ৭এন৯ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস (যেগুলি পক্ষী ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস নামেও পরিচিত), সার্স-কোভি (যা ২০০৩ সালে বহুসংখ্যক দেশজুড়ে বৈশ্বিক মহামারীর সৃষ্টি করেছিল) এবং সার্স-কোভি-২ অর্থাৎ গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকার ভাইরাস-২, যা ২০১৯-২০ সাল থেকে ২০১৯ করোনাভাইরাস রোগের (কোভিড-১৯) বৈশ্বিক মহামারীর জন্য দায়ী। প্রকৃতিতে নিয়মিতভাবে রোগজীবাণুর (বিশেষত যেসব ভাইরাসের বংশাণুগত উপাদান রাইবোনিউক্লিয়িক অ্যাসিড বা আরএনএ দিয়ে গঠিত) বংশাণুগত পরিবর্তন বা পরিব্যক্তি হয়ে থাকে। প্রকৃতিতে সংঘটিত পরিব্যক্তিগুলি রোগজীবাণুগুলিকে নতুন স্বাভাবিক ক্রিয়া অর্জনে বা বিদ্যমান ধর্মাবলি যেমন প্রতিলিপিকণ বা প্রজনন ক্ষমতা (fitness) ও রোগসৃষ্টিকারক ক্ষমতা (pathogenicity), ইত্যাদির উন্নতিসাধনে ভূমিকা রাখতে পারে। কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারীতে সার্স-কোভি-২ ভাইরাসের পরিব্যক্তিতে এরূপ বহু উদাহরণ দৃষ্ট হয়েছে।[২১]

এই ধরনের উদ্বেগজনক স্বাভাবিক ক্রিয়াবৃদ্ধি গবেষণাগুলিকে যথোপযুক্ত জৈব-সুরক্ষা ও জৈব-নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণবিশিষ্ট পরীক্ষাগারে সম্পাদন করা যুক্তিসঙ্গত বা ন্যায়সঙ্গত হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, যদি এগুলি বিজ্ঞানীদেরকে মানব-রোগজীবাণু আন্তঃক্রিয়ার মৌলিক প্রকৃতি বুঝতে, উদীয়মান সংক্রামক রোগজীবাণুসমূহ বা ঘটকসমূহের সম্ভাব্য বৈশ্বিক মহামারী সৃষ্টির ক্ষমতা যাচাই করতে, এবং জনস্বাস্থ্য ও প্রস্তুতিমূলক প্রচেষ্টাগুলিকে (যেমন কড়া নজরদারি, টিকা ও চিকিৎসামূলক প্রতিকার ব্যবস্থা নির্মাণ) তথ্য যোগান দিতে সাহায্য করতে পারবে বলে মনে করা হয়। এই ধরনের গবেষণা জৈব-সুরক্ষা ও জৈব-নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্ট করতে পারে, এবং সাবধানতার সাথে এই সব ঝুঁকির ব্যবস্থাপনা করতে হয়। যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তহবিলের অর্থে এই ধরনের গবেষণা সম্পাদনা করা হয়, তখন সেগুলিকে কেবলমাত্র কঠোর নজরদারিতে থাকা ও যথোপযুক্ত জৈব-সুরক্ষা ও জৈব-নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের সুবন্দোবস্তবিশিষ্ট পরীক্ষাগারে করতে হয়, যাতে গবেষকেরা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকেন এবং পরীক্ষাগার থেকে যেন বাইরের পরিবেশে অণুজীবসমূহের মুক্তি প্রতিরোধ করা যায়।[২১]

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Osterhaus, A. D.; Rimmelzwaan, G. F.; Martina, B. E.; Bestebroer, T. M.; Fouchier, R. A. (২০০০-০৫-১২)। "Influenza B virus in seals"Science288 (5468): 1051–1053। আইএসএসএন 0036-8075ডিওআই:10.1126/science.288.5468.1051পিএমআইডি 10807575বিবকোড:2000Sci...288.1051O। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২১ 
  2. Gain-of-Function Research: Background and Alternatives (ইংরেজি ভাষায়)। National Academies Press (US)। ২০১৫-০৪-১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২১ 
  3. Selgelid, Michael J. (২০১৬-০৭-০৬)। "Gain-of-Function Research: Ethical Analysis"Science and Engineering Ethics22 (4): 923–964। ডিওআই:10.1007/s11948-016-9810-1পিএমআইডি 27502512পিএমসি 4996883  
  4. "Recommended Policy Guidance for Departmental Development of Review Mechanisms for Potential Pandemic Pathogen Care and Oversight (P3CO)" (PDF)। Department of Health and Human Services। Office of the Assistant Secretary for Preparedness and Response। ৯ জানুয়ারি ২০১৭। 
  5. Gain of function: experimental applications relating to potentially pandemic pathogens (PDF)। Halle (Saale): European Academies Science Advisory Council। অক্টোবর ২০১৫। আইএসবিএন 978-3-8047-3481-4। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২১ 
  6. The Current Policy Environment (ইংরেজি ভাষায়)। National Academies Press (US)। ২০১৭-০৯-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  7. https://www.phe.gov/s3/dualuse/Pages/GainOfFunction.aspx
  8. https://easac.eu/fileadmin/PDF_s/reports_statements/Gain_of_Function/EASAC_GOF_Web_complete_centred.pdf
  9. Tools for the Identification, Assessment, Management, and Responsible Communication of Dual Use Research of Concern (PDF)। Prepared by the National Institutes of Health on behalf of the United States Government। সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  10. "Dual Use Research of Concern (DURC) Committee - NIH Office of Intramural Research"oir.nih.gov। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  11. Himmel, Mirko (সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "Emerging Dual-use Technologies in the Life Sciences: Challenges and Policy Recommendations on Export Control SIPRI"www.sipri.org64। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  12. REPORT FROM THE COMMISSION TO THE EUROPEAN PARLIAMENT AND THE COUNCIL on the implementation of Regulation (EC) No 428/2009 setting up a Community regime for the control of exports, transfer, brokering and transit of dual-use items (PDF)। Brussels: European Commission। ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  13. Enserink, Martin (২০১৪-০৫-০৭)। "German Ethics Council: Government Should Regulate Dangerous Research"Science (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  14. Competing Responsibilities?: Addressing the Security Risks of Biological Research in Academia (PDF)। AAAS। ২০ জানুয়ারি ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  15. "United States Government Policy for Institutional Oversight of Life Sciences Dual Use Research of Concern" (PDF)S3: Dual Use Research of Concern। Public Health Emergency office of the United States Department of Health and Human Services। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  16. Patrone, Daniel; Resnik, David; Chin, Lisa (সেপ্টেম্বর ২০১২)। "Biosecurity and the Review and Publication of Dual-Use Research of Concern"Biosecurity and Bioterrorism : Biodefense Strategy, Practice, and Science10 (3): 290–298। আইএসএসএন 1538-7135ডিওআই:10.1089/bsp.2012.0011পিএমআইডি 22871221পিএমসি 3440065  
  17. "The Deep Dish on Institutional DURC Policy: Calling All Stakeholders!"Office of Science Policy। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  18. Read "Potential Risks and Benefits of Gain-of-Function Research: Summary of a Workshop" at NAP.edu। ২০১৫। আইএসবিএন 978-0-309-36783-7ডিওআই:10.17226/21666পিএমআইডি 25719185 
  19. Schoch-Spana, Monica (এপ্রিল ১, ২০১৫)। "Public Engagement and the Governance of Gain-of-Function Research"Health Security13 (2): 69–73। ডিওআই:10.1089/hs.2015.0005পিএমআইডি 25813979পিএমসি 4394177  
  20. Subbaraman, Nidhi (২০২০-০১-২৭)। "US officials revisit rules for disclosing risky disease experiments"Nature (ইংরেজি ভাষায়)। Nature News। ডিওআই:10.1038/d41586-020-00210-5। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০২১ 
  21. "Gain-of-Function Research Involving Potential Pandemic Pathogens"। National Institute of Health। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুলাই ২০২১