স্কাই ক্যাপ্টেন অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড অফ টুমরো

স্কাই ক্যপ্টেন এন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড অফ টুমরো (ইংরেজি: Sky Captain and the World of Tomorrow) হচ্ছে ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি মার্কিন রোমাঞ্চকর চলচ্চিত্র। এটি মূলত একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীমূলক চলচ্চিত্র, যার পরিচালনায় ছিলেন কেরি কনরান। এটির মাধ্যমেই কনরানের চলচ্চিত্র অভিষেক ঘটে।

স্কাই ক্যাপ্টেন এন্ড
দ্য ওয়ার্ল্ড অফ টুমরো
স্কাই ক্যাপ্টেন অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড অফ টুমরো পোস্টার.jpg
পরিচালককেরি কনরান
প্রযোজকজন অ্যাভনেট
সাদি ফ্রস্ট
জুডি ল
মার্শা অগলেসবি
রচয়িতাকেরি কনরান
শ্রেষ্ঠাংশেজুড ল
গিনেথ প্যালট্রো
জিওভান্নি রিভিসি
মাইকেল গ্যাম্বন
বাই লিং
অমিড জালিলি
লরেন্স অলিভার
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
সুরকারএডওয়ার্ড শেয়ারমার
চিত্রগ্রাহকএরিক এডকিন্স
সম্পাদকসাবরিনা প্লিসকো
পরিবেশকপ্যারামাউন্ট পিকচার্স (যুক্তরাষ্ট্র এবং আরো কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে)
ওয়ার্নার ব্রাদার্স (নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশে)
মুক্তিযুক্তরাষ্ট্র:
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০০৪
দৈর্ঘ্য১০৬ মিনিট
দেশযুক্তরাস্ট্র
যুক্তরাজ্য
ইতালি
ভাষাইংরেজি, জার্মান, তিব্বতী
নির্মাণব্যয়৪৯০ কোটি টাকা (আনুমানিক)
আয়৩৯৯ কোটি টাকা (বিশ্বব্যাপী)

ছবিটির ক্ষেত্রে সরাসরি অ্যাকশন দৃশ্যের জন্য প্রায় ১০০ জন ডিজিটাল আর্টিস্ট, মডেলার, অ্যানিমেটর এবং কম্পোজিটর মিলে মাল্টি লেয়ার সমৃদ্ধ দ্বিমাত্রিক (টু-ডি) ও ত্রিমাত্রিক (থ্রি-ডি) ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করা হয়। পুরো ছবিটি হাতে আঁকা স্টোরিবোর্ডের সাহায্যে স্কেচ করা হয় ও পরবর্তীকালে কম্পিউটারে থ্রি-ডি অ্যানিমেটিক্স ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। অভিনয়শিল্পীদের সাহায্যে ছবিটির চিত্রধারণের দশ মাস আগে কনরান, লস অ্যাঞ্জেলসের একটি স্টুডিওতে এটির চিত্রধারণ করেন এবং পরবর্তীতে অ্যানিমেটিক্স দ্বারা ছবিটি তৈরি করা হয়। এর ফলে শিল্পীদের ধারণা ছিলো ছবিটি দেখতে কেমন ও তাদের ঠিক কী করতে হবে।

স্কাই ক্যাপ্টেন উত্তর আমেরিকায় প্রায় ২৬৪ কোটি টাকা আয় করে, কিন্তু তা ছিলো বাজেট অনুসারে যা অনুমান করা হয়েছিলো তার নিচে। কারণ ছবিটির বাজেট ছিলো ৪৯০ কোটি টাকা। যদিও এটি বক্স অফিসে প্রথম হয় হয় এবং বিশ্বব্যাপী আরো ১৪০ কোটি টাকা ব্যবসা করতে সমর্থ হয়, এবং এর সবমিলিয়ে এটি ৪০৫ কোটি টাকা ব্যবসা করে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরো পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা