সারা সিগার

কানাডীয়-মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী, বহির্গহ অনুসন্ধানী

সারা সিগার (ইংরেজি: Sara Seager, জন্ম ২১শে জুলাই, ১৯৭১) একজন কানাডীয়-মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গ্রহীয় বিজ্ঞানী।[৪] তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অভ টেকনোলজির একজন অধ্যাপিকা। তিনি বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহসমূহ ও তাদের আবহমণ্ডলের উপর গবেষণাকর্মের জন্য পরিচিত। এ বিষয়ে তিনি দুইটি পাঠ্যপুস্তক রচনা করেছেন।[৫][৬] তাঁকে বিশ্বের বেশ কিছু বিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে বিশ্বের সেরা তরুণ বিজ্ঞানীদের একজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।[৭][৮][৯][১০]

সারা সিগার
দাম্পত্য সঙ্গীচার্লস ড্যারো
বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন
সন্দর্ভসমূহএক্সট্রাসোলার জায়েন্ট প্ল্যানেটস আন্ডার স্ট্রং সোলার রেডিয়েশন ("শক্তিশালী সৌর বিকিরণাধীন বহিঃসৌর দানব গ্রহসমূহ") (১৯৯৯)
ডক্টরাল উপদেষ্টাদিমিতার সাসেলভ[১][২]
বহিঃস্থ ভিডিও
 
Sara Seager, “The search for planets beyond our solar system”, TED2015
“Space Experts Discuss the Search for Life in the Universe at NASA”, NASA 2014
“Sara Seager ”, Origins 2011

সারা সিগার বহির্গ্রহসমূহের (যেসব গ্রহ সূর্য ব্যতীত অন্য নক্ষত্রকে ঘিরে আবর্তন করে) আবহমণ্ডলীয় তাত্ত্বিক প্রতিমানসমূহ নির্মাণ করেছেন। ২০১৩ সালে তিনি এমন একটি গাণিতিক প্রতিমান নির্মাণ করেন, যার মাধ্যমে মানুষের বাসযোগ্য গ্রহসমূহের সংখ্যা নির্ণয় করা সম্ভব। তাঁর এই প্রতিমানটি বর্তমানে সিগার সমীকরণ নামে পরিচিত। এই প্রতিমানে বহির্গ্রহের আবহমণ্ডলে জৈবস্বাক্ষরধারক গ্যাসসমূহের (জীবদের দ্বারা উৎপন্ন গ্যাসসমূহ) উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপরে উপাত্তগুলি গণনায় ধরা হয়। এছাড়া তিনি গ্রহসমূহের পারস্পরিক অতিক্রমণের ঘটনাগুলি পর্যবেক্ষণ করার জন্য স্বল্প খরচে মানমন্দির নির্মাণের কাজেও জড়িত আছেন। এই দুই বিষয়ে তাঁর অবদানের কথা উল্লেখ করে তাঁকে ২০১৩ সালে ম্যাকার্থার ফেলোশিপ নামক গবেষণা বৃত্তিটি প্রদান করা হয়।[১১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. ইউটিউবে Back to the thesis: Sara Seager
  2. Smith, Kerri; Baker, Noah (২০১৬)। "Back to the thesis: Late nights, typos, self-doubt and despair. Francis Collins, Sara Seager and Uta Frith dust off their theses, and reflect on what the PhD was like for them."। Nature535 (7610): 22–25। ডিওআই:10.1038/535022a পিএমআইডি 27383967বিবকোড:2016Natur.535...22S 
  3. "Curricula Vitae – Professor Sara Seager" (PDF)। ২০১৩। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ 
  4. Jones, Chris (৭ ডিসেম্বর ২০১৬)। "'The World Sees Me as the One Who Will Find Another Earth' – The star-crossed life of Sara Seager, an astrophysicist obsessed with discovering distant planets."The New York Times। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  5. Seager, Sara (২০১০)। Exoplanet Atmospheres: Physical Processes। Princeton University Press। আইএসবিএন 9781400835300 
  6. Seager, Sara (২০১০)। Exoplanets। University of Arizona Press। আইএসবিএন 978-0-8165-2945-2 
  7. "The Fifth Annual Brilliant 10: Worms, planets, extra dimensions: just a few of the things that inspire the most creative young scientists of the year"Popular Science। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৬। ২১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০২১ 
  8. Witman, Sarah; Grant, Andrew; Svoboda, Elizabeth (২০ নভেম্বর ২০০৮)। "20 Best Brains Under 40: Young innovators are changing everything from theoretical mathematics to cancer therapy"Discover (magazine)। ৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০২১ 
  9. Hand, Eric (২১ ডিসেম্বর ২০১১)। "Sara Seager: Planet seeker"Nature480 (7378): 437–45। ডিওআই:10.1038/480437a পিএমআইডি 22193082 
  10. Bjerklie, David (2012)। "The 25 Most Influential People in Space" (PDF)Time Magazine। 15 May 2013  তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |আর্কাইভের-তারিখ= (সাহায্য)
  11. "MacArthur Fellows: Meet the Class of 2013: Sara Seager"MacArthur Foundation। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩। ২১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩