শিখা

ঢাকা-ভিত্তিক পত্রিকা

শিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য সমাজ কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকা। এটি বিংশ শতকের বিশের দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হত। এর প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭) এবং এর প্রথম সংখ্যার সম্পাদক ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেন[১] এটি বাৎসরিক পত্রিকা ছিল ও ১৯৩১ সালে এর পঞ্চম ও শেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়। এর প্রধান কারণ ১৯৩২ সালের মার্চ মাসে আবুল হুসেনের ঢাকা ত্যাগ। তিনিই মূলত প্রকাশনার সামগ্রিক দায়িত্ব পালন করতেন ও প্রকাশনা-ব্যয়ের একটি বড় অংশও বহন করতেন।[১] এ পত্রিকার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মডার্ন লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন আবুল হুসেন। এ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। একে বলা হয়ে থাকে ঢাকার যুক্তিবাদী আন্দোলন[২]

ধরণসম্পাদনা

সমকালের অন্যান্য সাময়িকপত্র থেকে শিখা ভিন্ন ধরনের ছিল। মুসলিম সাহিত্য-সমাজের সারা বছরের কর্মকাণ্ডের পরিচয় বহন করত এটি। শিখার প্রতিটি সংখ্যার উপরে "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব" কথাটি লেখা থাকত।[১] এটি বাঙালি মুসলিম সমাজে নতুন যুগের হাওয়া বইয়ে দিতে চেয়েছিল। তাদের আদর্শ ছিল উনিশ শতকের নবজাগরণ, ইউরোপের নবজাগরণ, কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে তুরস্কের বুকে জন্ম নেওয়া নবজাগরণ।

সম্পাদকমন্ডলীসম্পাদনা

শিখা ১৯২৭ সাল থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত বছরে একবার প্রকাশিত হত। এর মোট পাঁচটি সংখ্যার সম্পাদকের নাম নিচে দেয় হলো :

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "শিখা"বাংলাপিডিয়া। ২০১৫-০৩-১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৩-১০ 
  2. "[পাঠকের ভাবনা] বাঙালির বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলন"। ৬ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৫ 
  3. "কাজী মোতাহার হোসেন : মুক্তচিন্তাদার এক সাধক"। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৫