প্রধান মেনু খুলুন

শিখ ধর্মের অনুসারীদেরকে শিখ বলা হয়। এই শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। মূলত সংস্কৃত শিষ্য শব্দ থেকে এই শব্দটি এসেছে। শিষ্য মানে শিক্ষার্থী বা শিক্ষানুরাগী। অথবা সংস্কৃত শব্দ শিক্ষা থেকে এই শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ হলো নির্দেশ, উপদেশ ইত্যাদি। ১৫ শতাব্দীতে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে এ ধর্মের গোড়াপত্তন হয়। একজন শিখ তার গুরুর অনুসারী হয়। একজন শিখকে চেনার উপায় হলো পাঁচটি "ক"। ১-কেশ (চুল)। ২-কারা (শিখদের ডানহাতে পড়ার বিশেষ বন্ধনী)। ৩-কৃপাণ (ছোট এক প্রকারের তরবারি)। ৪-কাশেরা(বিশেষ ধরনের অন্তর্বাস)। ৫-কঙ্গ(পাগড়ীর সাথে থাকা চিরুনী)। তবে এগুলো তাদের চিহ্ন যাদেরকে ধর্মীয় নিয়ম মেনে বিশেষভাবে পরিশুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া মুখভর্তি দাড়ি, পাগড়ি বা ডান হাতে ব্রেসলেট দেখে অনায়াসেই একজন শিখকে চিহ্নিত করা সম্ভব। ব্রেসলেটটিকে পাঞ্জাবি ভাষায় "কারা" বলা হয়। এছাড়া তাদের অধিকাংশ পুরুষের নামে "সিং" (সিংহ) এবং নারীদের নামে "কাউর" (রাজকন্যা) উপাধি থাকে। শিখদের অধিকাংশই বসবাস করে ভারতের পাঞ্জাব এলাকায়। অবশ্য পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলেও তাদের বিস্তৃতি রয়েছে।

শিখ
মোট জনসংখ্যা
২ কোটি ৬০ লাখ
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল
ধর্ম
শিখ ধর্ম
ধর্মগ্রন্থ
গুরু গ্রন্থ সাহিব
ভাষা
হিন্দি, পাঞ্জাবি

শিখ গুরুবৃন্দসম্পাদনা

# নাম জন্ম তারিখ গুরুত্ব অর্জন মৃত্যু তারিখ বয়স
নানক দেব এপ্রিল ১৫, ১৪৬৯ আগস্ট ২০, ১৫০৭ সেপ্টেম্বর ২২, ১৫৩৯ ৬৯
অঙ্গদ দেব মার্চ ৩১, ১৫০৪ সেপ্টেম্বর ৭, ১৫৩৯ মার্চ ২৯, ১৫৫২ ৪৮
অমর দাস মে ৫, ১৪৭৯ মার্চ ২৬, ১৫৫২ সেপ্টেম্বর ১, ১৫৭৪ ৯৫
রাম দাস সেপ্টেম্বর ২৪, ১৫৩৪ সেপ্টেম্বর ১, ১৫৭৪ সেপ্টেম্বর ১, ১৫৮১ ৪৬
অঞ্জন দেব এপ্রিল ১৫, ১৫৬৩ সেপ্টেম্বর ১, ১৫৮১ মে ৩০, ১৬০৬ ৪৩
হর গোবিন্দ জুন ১৯, ১৫৯৫ মে ২৫, ১৬০৬ ফেব্রুয়ারি ২৮, ১৬৪৪ ৪৮
হর রায় জানুয়ারি ১৬, ১৬৩০ মার্চ ৩, ১৬৪৪ অক্টোবর ৬, ১৬৬১ ৩১
হর কৃষান জুলাই ৭, ১৬৫৬ অক্টোবর ৬, ১৬৬১ মার্চ ৩০ ১৬৬৪
তেগ বাহাদুর এপ্রিল ১, ১৬২১ মার্চ ২০, ১৬৬৫ নভেম্বর ১১, ১৬৭৫ ৫৪
১০ গুরু গোবিন্দ সিং ডিসেম্বর ২২, ১৬৬৬ নভেম্বর ১১, ১৬৭৫ অক্টোবর ৭, ১৭০৮ ৪১

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" (PDF)। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা