শামসুর রাহমানের গ্রন্থাবলি

বাংলা ভাষার কবি শামসুর রাহমানের গ্রন্থের তালিকা নিম্নে প্রদত্ত হল:

কাব্যগ্রন্থসম্পাদনা

  • প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০)
  • রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩)
  • বিধ্বস্ত নিলীমা (১৯৬৭)
  • নিরালোকে দিব্যরথ (১৯৬৮)
  • নিজ বাসভূমে (১৯৭০)
  • বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২)
  • দুঃসময়ে মুখোমুখি (১৯৭৩)
  • ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাটা (১৯৭৪)
  • আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি (১৯৭৪)
  • এক ধরনের অহংকার (১৯৭৫)
  • আমি অনাহারী (১৯৭৬)
  • শূন্যতায় তুমি শোকসভা (১৯৭৭)
  • বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখে (১৯৭৭)
  • প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে (১৯৭৮)
  • প্রেমের কবিতা (১৯৮১)
  • ইকারুসের আকাশ (১৯৮২)
  • মাতাল ঋত্বিক (১৯৮২)
  • উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে (১৯৮৩)
  • কবিতার সঙ্গে গেরস্থালি (১৯৮৩)
  • নায়কের ছায়া (১৯৮৩)
  • আমার কোন তাড়া নেই (১৯৮৪)
  • যে অন্ধ সুন্দরী কাঁদে (১৯৮৪)
  • অস্ত্রে আমার বিশ্বাস নেই (১৯৮৫)
  • হোমারের স্বপ্নময় হাত (১৯৮৫)
  • শিরোনাম মনে পড়ে না (১৯৮৫)
  • ইচ্ছে হয় একটু দাঁড়াই (১৯৮৫)
  • ধুলায় গড়ায় শিরস্ত্রাণ (১৯৮৫)
  • এক ফোঁটা কেমন অনল (১৯৮৬)
  • টেবিলে আপেলগুলো হেসে উঠে (১৯৮৬)
  • দেশদ্রোহী হতে ইচ্ছে করে (১৯৮৬)
  • অবিরল জলভ্রমি (১৯৮৬)
  • আমরা ক'জন সঙ্গী (১৯৮৬)
  • ঝর্ণা আমার আঙুলে (১৯৮৭)
  • স্বপ্নেরা ডুকরে উঠে বারবার (১৯৮৭)
  • খুব বেশি ভালো থাকতে নেই (১৯৮৭)
  • মঞ্চের মাঝখানে (১৯৮৮)
  • বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় (১৯৮৮)
  • হৃদয়ে আমার পৃথিবীর আলো (১৯৮৯)
  • সে এক পরবাসে (১৯৯০)
  • গৃহযুদ্ধের আগে (১৯৯০)
  • খন্ডিত গৌরব (১৯৯২)
  • ধ্বংসের কিনারে বসে (১৯৯২)
  • হরিণের হাড় (১৯৯৩)
  • আকাশ আসবে নেমে (১৯৯৪)
  • উজাড় বাগানে (১৯৯৫)
  • এসো কোকিল এসো স্বর্ণচাঁপা (১৯৯৫)
  • মানব হৃদয়ে নৈবদ্য সাজাই (১৯৯৬)
  • তুমিই নিঃশ্বাস তুমিই হৃৎস্পন্দন (১৯৯৬)
  • তোমাকেই ডেকে ডেকে রক্তচক্ষু কোকিল হয়েছি (১৯৯৭)
  • হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল (১৯৯৭)
  • ছায়াগণের সঙ্গে কিছুক্ষণ (১৯৯৭)
  • মেঘলোকে মনোজ নিবাস (১৯৯৮)
  • সৌন্দর্য আমার ঘরে (১৯৯৮)
  • রূপের প্রবালে দগ্ধ সন্ধ্যা রাতে (১৯৯৮)
  • টুকরা কিছু সংলাপের সাঁকো (১৯৯৮)
  • স্বপ্নে ও দুঃস্বপ্নে বেচে আছি (১৯৯৯)
  • নক্ষত্র বাজাতে বাজাতে (২০০০)
  • শুনি হৃদয়ের ধ্বনি (২০০০)
  • হৃদপদ্মে জ্যোৎস্না দোলে (২০০১)
  • ভগ্নস্তূপে গোলাপের হাসি (২০০২)
  • ভাঙাচোরা চাঁদ মুখ কালো করে ধুকছে (২০০৩)
  • গন্তব্য নাই বা থাকুক (২০০৪)
  • কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমার দিকে (২০০৪)
  • গোরস্থানে কোকিলের করুণ আহবান (২০০৫)
  • অন্ধকার থেকে আলোয় (২০০৬)
  • না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন (২০০৬)

শিশু কিশোর সাহিত্যসম্পাদনা

  • এলাটিং বেলাটিং (১৯৭৪)
  • ধান ভানলে কুঁরো দেব (১৯৭৭)
  • গোলাপ ফোটে খুকীর হাতে (১৯৭৭)
  • স্মৃতির শহর (১৯৭৯)
  • রংধনুর সাঁকো (১৯৯৪)
  • লাল ফুলকির ছড়া (১৯৯৫)
  • নয়নার জন্য (১৯৯৭)
  • আমের কুঁড়ি জামের কুঁড়ি (২০০৪)
  • নয়নার জন্য গোলাপ (২০০৫)

উপন্যাসসম্পাদনা

  • অক্টোপাশ (১৯৮৩)
  • অদ্ভুত আঁধার এক (১৯৮৫)
  • নিয়ত মন্তাজ (১৯৮৫)
  • এলো সে অবেলায় (১৯৯৪)

আত্মস্মৃতিসম্পাদনা

  • স্মৃতির শহর (১৯৭৯)
  • কালের ধুলোয় লেখা (২০০৪)

অনুবাদ কবিতাসম্পাদনা

  • ফ্রস্টের কবিতা (১৯৬৬)
  • রবার্ট ফ্রস্টের নির্বাচিত কবিতা (১৯৬৮)
  • খাজা ফরিদের কবিতা (১৯৬৮)

অনুবাদ নাটকসম্পাদনা

  • হৃদয়ের ঋতু (মূল: টেনেসি উইলিয়মস)
  • মার্কোমিলিয়ান্‌স্‌ (মূল: ইউজিন ও'নীল; ১৯৬৭)
  • হ্যামলেট (মূল: উইলিয়ম শেক্সপিয়র; ১৯৯৫)

প্রবন্ধসম্পাদনা

  • আমৃত্যু তাঁর জীবনানন্দ (১৯৮৬)
  • শামসুর রাহমানের প্রবন্ধ (২০০১)
  • কবিতা এক ধরনের আশ্রয় (২০০২)

নিবন্ধসম্পাদনা

  • কবে শেষ হবে কৃষ্ণপক্ষ (২০০৬)

কলামসম্পাদনা

  • একান্ত ভাবনা (২০০১)

গল্পসম্পাদনা

  • শামসুর রাহমানের গল্প (২০০২)

সংকলনসম্পাদনা

রচনাবলিসম্পাদনা

আমি বিশ্বাস ঘাতক কারণ তোমার ভিতরের সত্য গুলোকে খুবড়ে হঠাৎ একদিন সীমানার শেষ বন্দরে এসে টেনে হিঁচড়ে বের করে এনেছি। সে জন্যেই বলি আমাকে তোমরা বিশ্বাস করনা কারণ আমি তোমাদের মাঝে বিচরণ করা পাথুরে পদার্থ দিয়ে তৈরি বিশ্বাসের কোন ইজ্জত রাখতে পারবো না।

আমি ঠিকানা পেয়েও কোনো দিন ঠিকানার দুয়ারে পারিনি পৌছাতে তোমাদের নাঙ্গা ক্রন্দনে আর অসচ্ছ কোন্দলের কঠিন নির্মমতায় বার বার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে হয়েছি আহত কেউ নেই সেই সীমানায় কেউ নেই সেই ঠিকানার সামান্য দুয়ারে পৌছে দিতে ওরা শুধুই সার্থ পর হয়ে সার্থের সাথে করেছে আতিথিয়তা আমি নিরুপায় হয়ে জীবনের কঠিন ঠিকানা গুলো ফেলেছি হারিয়ে।

আজ আমার বিশ্বাস গুলো খুব অনাস্থা পোষন করে! আমার ভিতরের এই আমিকে বলেঃ তোমাকে বিশ্বাস করা যায় না। তোমাকে বিশ্বাস করলে আবার আরেকটি লজ্জার সাগরে ডুবে গিয়ে লড়তে হবে বাঁচার জন্যে। তখন তাকিয়ে থাকতে হবে আরেকটি সাহায্যের জন্যে কারণ আমি তা পারবো না।

পারবো না উপেক্ষিত সত্যের হিংস্র বেড়াজাল থেকে নিজেকে উদ্ধার করতে তোমাদের চারপাশের এলো মেলো হাওয়া গুলো আমার শরীরের শিরায় শিরায় ঢুকে গিয়ে নিজেকে খুব বেমানান করেছে, নিজেকে খুব অপরাধী করেছে। আমি আর আগের মতো করে নিজের অস্তিত্বকে নিয়ে কোনো রকম ভাবতে পারিনা কোনো অনাগত দিনের খোঁজে নিজেকে রেখেছি আড়াল করে

সত্যিই বিশ্বাস কর আর নাই কর। আমি কোনো পাপ করিনি শুধু দুঃখ হয় তোমাদের জন্যে তোমরা নির্বোধ এখনো তা বুঝে উঠোনি। ২৩শে ফেব্রুয়ারি-২০১১/ সকালঃ ০৯:২০মিঃ

তথ্যসূত্রসম্পাদনা