লিংকন সাগর হল আর্কটিক সাগরের একটি জলভাগ যা শুরু হয়েছে কলাম্বিয়া কেপ, কানাডা, পশ্চিম থেকে মরিস জেসাপ কেপ, পুবে গ্রীনল্যান্ড পর্যন্ত। এই দুটো ভূখন্ড থেকে উত্তরের সীমানা গ্রেট সার্কেল হিসেবে অভিহিত করা হয়। এটি সারা বছরই বরফ আচ্ছাদিত থাকে। আর্কটিক সাগরের সবচেয়ে পুরু সাগরের বরফ পাওয়া যায় এখানে যেগুলো হতে পারে ১৫ মি (৪৯ ফু) পুরু। এর পানির গভীরতা ১০০ মি (৩৩০ ফু) থেকে ৩০০ মি (৯৮০ ফু)। বেশিরভাগ সময় লিংকন সাগরের জল এবং বরফ গলে মিশে রবিসন চ্যানেলে, যা নরিস স্ট্রেইটের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।

লিংকন সাগর
Lincoln Sea map.png
লিংকন সাগরের ম্যাপ
স্থানাঙ্ক৮৩° উত্তর ৫৮° পশ্চিম / ৮৩° উত্তর ৫৮° পশ্চিম / 83; -58স্থানাঙ্ক: ৮৩° উত্তর ৫৮° পশ্চিম / ৮৩° উত্তর ৫৮° পশ্চিম / 83; -58
ধরনসাগর
অববাহিকার দেশসমূহকানাডাগ্রীনল্যান্ড
পৃষ্ঠতল অঞ্চল৬৪,০০০ কিমি (২৫,০০০ মা)
গড় গভীরতা২৫৭ মি (৮৪৩ ফু)
পানির আয়তন১৬,০০০ কিমি (১.৩×১০১০ acre·ft)
হিমায়িতপ্রায় সারা বছর
তথ্যসূত্র[১]

এই সাগরের নামকরণ করা হয় রবার্ট টড লিংকনের নাম অনুসারে। অগাস্টাস গ্রিলির ১৮৮১-১৮৮৪ সালের আর্কটিক লেডি ফ্রাংলিন বে'র যাত্রায় যিনি যুক্তরাস্ট্রের যুদ্ধ সচিব ছিলেন। [২]

এলার্ট, হল কানাডার সবচেয়ে উত্তরের স্টেশন এবং লিংকন সাগরের তীরবর্তী একমাত্র বসতি।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. R. Stein, Arctic Ocean Sediments: Processes, Proxies, and Paleoenvironment, p. 37
  2. "Lincoln Sea, a sea in the Arctic Ocean"। deepseawaters.com, Phoenix, Arizona। ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০১২ 

বহিঃ সংযোগসম্পাদনা

টেমপ্লেট:সাগরের তালিকা