মোটরসাইকেল নিরাপত্তা

মোটরসাইকেল নিরাপত্তা বলতে বোঝায় আধুনিক মোটর সাইকেল বাহনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এর সঠিক ব্যবহার এবং উক্ত বাহনের সঠিক চালনা সম্পর্কে যথাযথ প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে তার সঠিক ব্যবহার সমন্ধে জ্ঞানলাভ।

ইম্পেরিয়াল বিচে ইউনাইটেড স্টেটস নেভি মোটোরসাইকেল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে

দূর্ঘটনার সংখা এবং ঝুকিসম্পাদনা

 
ক্যালিফোর্নিয়ার দ্যা ৯১ রাস্তায় কাল্ট্রান্স চিহ্ন
* উৎস, এনএইচটিএসএ[১]

একই দূরত্বে গাড়ির থেকে মোটরসাইকেলে আরোহণ করলে দুর্ঘটনার ঝুকি, এমনকি মৃত্যুঝুকিও অনেক বেশি থাকে। ২০০৬ সালে আমেরিকায় গাড়ির থেকে মোটরসাইকেলে দুর্ঘটনার ঝুকি ৩৫ গুণ বেশি ছিলো, এমনকি প্রতি বিলিয়ন মাইলে ৩৯০ জন মোটরসাইকেলচালক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছিলো।[২] ২০১৬ সালে মোটরগাড়ির থেকে এর হার ২৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।[৩]

যখন এর সবগুলো মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার বিবরণ দেখা হয়েছে, তখন এর থেকে বোঝা গেছে যে ২০১৬ সালে আমেরিকায় ৬.৩১ মিলিয়ন মাইলে একটি করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে, যা গাড়ির থেকে অনেক বেশি।[৪] মোটরসাইকেল এর থেকে গাড়িতে দুর্ঘটনা আরো কমার প্রাথমিক কারণ হলো মোটরগাড়িতে আরো অনেক আধুনিক যন্ত্রাংশ লাগানো হয়েছে দুর্ঘটনা এবং এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য। মোটরগাড়িতে দুর্ঘটনা ঘটলে ৩১ শতাংশের ক্ষেত্রে আরোহণকারি সামান্য আহত হোন, এমনকি এর মাত্র ০.২৯% দুর্ঘটনা মারাত্মক হয়। মোটরসাইকেল এর ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৪.২৪% মারাত্মক হয় এবং ৭৮.৩% আরোহী মারাত্মকভাবে আহতত হয়।[৫][৬]

আমেরুকার এই তথ্য আরও দেশগুলো গ্রহণ করেছে। ইংল্যান্ড এর ট্রান্সপোর্ট বিভাগ বলে গাড়ির থেকে মোটরসাইকেলে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখা ১৬ গুণ বেশি।[৭] ২০১৭ সালে ইংল্যান্ড এর তথ্য অনুসারে প্রতি বিলিয়ন মাইলে ৬,০৪৩ টি মোটরসাইকেল হতাহতের ঘটনা ঘটে।[৮] এর মধ্যে ১১৬.৯ মোটরসাইকেল আরোহী মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হোন, যা গাড়ীর থেকে ৬১.৫ বার বেশি।[৮] আমেরিকার থেকে ইংল্যান্ডের তথ্যে দুর্ঘটনার পরিমাণ বেশি দেখাচ্ছে, কারণ আমেরিকার তথ্য প্রতি বাহন মাইল হিসেবে দেখানো হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার পরিবহন নিরাপত্তা ব্যুরো (এটিএস) জাতীয় শিক্ষার পর এটি পেয়েছে:

  • মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যুর হার সবথেকে বেশি এইরকম দলের প্রায় সকলের জন্ম ১৯৯৮ - ২০০০ সালের মধ্যে
  • অন্যান্য বাহনের থেকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার ৩০ গুণ বেশি।
  • ৪০ বছরের কম বয়সী মোটরসাইকেল চালকরা একই বয়সের অন্যান্য যানবাহন চালকের চেয়ে ৩৬ গুণ বেশি নিহত হবার সম্ভাবনায় থাকেন।
  • ৪০ বছরের বয়সী বা তার বেশি বয়সের মোটরসাইকেল চালকরা অন্যান্য বাহনের চালকদের থেকে ২০ গুণ বেশি নিহত হবার সম্ভাবনায় থাকেন।[৯]

পাবলিক রাস্তায় বাইসাইকেল চালক এবং পথচারীরাও গাড়ি সাথে ধাক্কা লাগা থেকে সুরক্ষিত নয়। ২০১৭ সালের তথ্য অনুযায়ী প্রতি বিলিয়ন মাইলে একই দূরত্ব ভ্রমণে ৫,৬০৪ টি বাইসাইকেল হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, যা গাড়ির থেকে ২৩.৫ গুণ বেশি, পথচারীদের ক্ষেত্রে যা গাড়ির থেকে ৭.৬ গুণ বেশি। কিন্তু বাইসাইকেল এবং পথচারীরা যেহেতু অনেক আস্তে চলে তাই এক্ষেত্রে মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুকি অনেক কম থাকে। তাই এখানে গাড়ীর থেকে মারাত্মক দুর্ঘটনার হার ০.৮৩ গুণ কম।[৮]

আমেরিকান মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৬ সালে যেখানে ১ লক্ষ গাড়ির মধ্যে ১৩.১০ টি গাড়ি মারাত্মক দুর্ঘটনার মাধ্যমে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়েছে, অন্যদিকে একই সংখ্যক মোটরসাইকেল এর মধ্যে ৭২.৩৪ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার মাধ্যমে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়েছে।[২]

গবেষণাসম্পাদনা

উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের দুটি বড় বৈজ্ঞানিক। গবেষণায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, নিচে এইচইউআরটি এবং এমএআইডিএস এর গবেষণার প্রতিবেদন উল্লেখ করা হলো:

এইচইউআরটি এর প্রতিবেদনসম্পাদনা

এইচইউআরটি প্রতিবেদনটির উপরে মার্কিন যুক্ত্ররাষ্ট্রে অনেক কাজ করা হয়েছে, ১৯৮১ সালে তথ্য সংগ্রহ করে লস এঞ্জেলেস এ তা প্রকাশ করা হয়।[১০] ইউএস এ দীর্ঘদিন ধরে নতুন নিরাপত্তা শিক্ষার ডাক দেওয়া হয় এবং কংগ্রেস এর জন্য অর্থ বরাদ্ধ করলেও তা যথেষ্ট ছিলো না যার জন্য কাজ সম্পূর্ণ করতে দেরি হয়।[১১]

৫৫টি তথ্যের মাধ্যমে এইচইউআরটি প্রতিবেদনের উপসংহার করা হয়। এর মধ্যে বলা হয়েছে, ৭৫% দুর্ঘটনা ঘটেছে অন্য বাহনের সাথে টক্করের মাধ্যমে। এমএআইডিএস এর প্রতিবেদনে এই সংখা ৬০% দেখানো হয়েছে।

এইচইউআরটি প্রতিবেদনের আরো তথ্যগুলো হলো:[১২]

  • ৭৫% মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দেখা গেছে চালকের সাথে আরো যাত্রী ছিলো এবং ২৫ শতাংশ দুর্ঘটনায় চালক একাই বাহনটি চালাচ্ছিলো।
  • একক বাহন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল চালক তার গতি ঠিক রাখতে পারেনি বা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে, দুই তিন ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে চালক তার প্রচন্ডবেগে চালাতে গিয়ে মোটরসাইকেলের ভারসাম্য ঠিক রাখতে পারে নি।
  • কিছু মারাত্মক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দেখা গেছে চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলো।
  • আরো দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার কারণ ছিলো গতি, মদ্যপান এবং মোটরসাইকেলের আকার।
  • দুই তিন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে বিপরীত বাহনের চালক মোটরসাইকেল চালকের চালানোর ধরন দেখে বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং দুর্ঘটনা ঘটে গেছে কিছু বুজে উঠার পূর্বেই।
  • প্রতিবেদনে আরও দেখানো হয়েছে চালকের যথেষ্ট নিরাপত্তা সরঞ্জাম যেমন: হেলমেট, চালনার কাপড়, চালনার জুতো প্রভৃতি জিনিসের অভাব ছিলো। যার জন্য অনুমানের চেয়েও ক্ষতি বেশি বলে মনে হয়েছে।
  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটার হার ৩% এরও কম এবং এর মধ্যে বেশিরভাগ দুর্ঘটনার কারণই চাকা ফেটে যাওয়ার দরুন হয়েছে।
  • ৯৮% ক্ষেত্রেই আবহাওয়া দুর্ঘটনায় কোনো প্রভাব ফেলে নি।
  • মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো বেশিরভাগ মোটরগাড়ি চালক ট্রাফিক এ মোটরসাইকেল সনাক্ত এবং চিনতে পারেননি। দর্শণীয় কথা হলো বাহন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা হলো সবথেকে গুরুতর উপাদান এবং এর প্রতিকার এর জন্য মোটরসাইকেল চালকের উচিত দিবালোকেও মোটরসাইকেল হেডল্যাম্পস ব্যবহার করা এবং দৃষ্টিগোচরতার জন্য হলুদ, কমলা অথবা উজ্জল লাল রঙ্গের জ্যাকেট পরে মোটরসাইকেল চালনা করা।

এমএআইডিএস এর প্রতিবেদনসম্পাদনা

১৯৯৯-২০০০ সালে এমএআইডিএস ওইসিডি এর সাহায্যে পাচটি ইউরোপিয়ান দেশের ৯০০ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা এর উপর ভিত্তি করে বৃহৎ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এমএআইডিএস এর প্রতিবেদন অনুযায়ী তারা এইচইউআরটি এর তথ্যকে সমর্থন করে, উদাহরণস্বরুপ "৬৯% দুর্ঘটনা অন্য বাহনের সাথে টক্করের কারণে হয়েছে এবং#৯১;অন্যান্য বাহন এবং#৯৩; চালক ইচ্ছাকৃতভাবে বাহনের সাথে টক্কর দেয়নি," তারা বলেছে তারা মোটরসাইকেল দেখতে পায়নি। এবং আরো বলা হয়েছে, "সবথেকে অধিক দুর্ঘটনা হয় বিপরীত বাহনের চালক মোটরসাইকেলের উপস্থিতি উপলব্দি করতে পারে না বলে, ইংরেজিতে একে পিটিডাব্লিউ [পাসওয়ার্ড টু-হুইলার] দুর্ঘটনা বলে" এবং "৬৮.৭% ক্ষেত্রে দুর্ঘটনাকৃত মোটরসাইকেল চালক হেলমেট পরিহিত অবস্থায় ছিলো না, হেলমেট না পড়ার কারণে চালকের মাথায় মারাত্মক আঘাতের হার ( ৩৩.২% + ৩৫.৫%)। ৩.৬% ক্ষেত্রে যারা হেলমেট পরিহিত অবস্থায় থাকে তাদের মাথায় কোনো আঘাত লাগে না" এবং "এমন কোনো প্রতিবেদন নেই যাতে বলা হয়েছে হেলমেট পড়ার কারণে ঘাড়ে সাংঘাতিক বা সামান্য আঘাত লেগেছে"।[১৩]

ওলসোন এর প্রতিবেদনসম্পাদনা

ক্ষুদ্রতর হিসেবে পরিচিত প্রতিবেদনকে ওলসোন রিপোর্ট/প্রতিবেদন বলা হয়, ১৯৭৯ সালের পূর্বে একে লেসার-ক্নওন বলা হতো, কিন্তু ১৯৭৯ সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় এই প্রতিবেদনগুলোকে ওলসোন রিপোর্ট নাম দেন,[১৪] এতে বলা হয়েছে চালক যদি দৃষ্টি আকর্ষণীয় কাপড পরে (বিশেষ করে হলুদ-সবুজ) তাহলে দুর্ঘটনার ঝুকি অনেকটাই কমে যাবে; আরো উপায় হলো দিনের বেলায় হেডলাইট ব্যবহার বিশেষ করে দোলায়িত হেডলাইট; এবং দৌড়ত্ব আলোর ব্যবহার এবং রাতে বিপরীতমুখি চিন্তাশিল কাপড় পরিধান করা।[১৫]:১৫৯–১৬১

চূড়ান্ত প্রসিদ্ধ তথ্যসম্পাদনা

১৯৯৩-৯৬ সালে নিউজিল্যান্ড এর অকল্যান্ড শহর হতে সংগ্রহীত তথ্য অনুসারে "বিশেষত শহুরে এলাকায়"।[১৬] এইচইউআরটি এর প্রতিবেদন সমর্থন করে এতে চালকের প্রসিদ্ধতা বৃদ্ধির দিকে ঝোর দেওয়া হয়েছে, এতে আরো বলা হয়েছে সাদা অথবা উজ্জল রং এর হেলমেট , উচ্চ দৃষ্টিপাত সম্পন্ন কাপড় অথবা দিনের বেলায় হেডলাইট ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা কিছুটা কমানো যেতে পারে। মারাত্মক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হাসপাতালে নেওয়ার পর প্রতি দুইজনের মধ্যে একজন ৫-২৪ ঘণ্টার মধ্যে মারা গেছেন। দুর্ঘটনার পর চালককে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার পর কোনো ফল আসেনি। এখানে চিন্তাশীল কাপড় হিসেবে বোঝানো হয়েছে "জ্যাকেট, ভেস্ট, হাতমোজা, কনুই বন্ধনী, অথবা ব্যাক প্যাক স্ট্রিপ্স, ডেক্যাল" প্রভৃতিকে। এখানে পুরো মুখ ডাকা হেলমেট এর কথা বলা হয়েছে। বেশিরভাগ দুর্ঘটনা শহুরে জাগায় হয়েছে "যেখানে সর্বোচ্চ গতি ৫০ কিমি/ঘ (৩১ মা/ঘ) (৬৬%), দিনের বেলায় (৬৪%) এবং ভালো আবহাওয়ায় (৭২%)"।

দ্যা এমএআইডিএস এর প্রতিবেদনে হেলেটের রং অথবা চিন্তাশীল অথবা দর্শণীয় কাপড় অথবা উজ্জল দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণকারী দল সম্পর্কে কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি এবং কোনো শুদ্ধ উপসংহারও দেয়া হয়নি, তাই একে উন্নত প্রতিবেদন বলা যায় না।

এমএআইডিএস তথ্য হিসেবে মোটরসাইকেল এর রং সাদাকে বেশি দায়ী করে এবং তা দুর্ঘটনার সাথে তুলনা করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।[১৭] কাপড় সম্পর্কে এমএআইডিএস শুদ্ধ বিষয় ব্যবহার করেছে এবং কিভাবে প্রসিদ্ধ কাপড় দুর্ঘটনা রুখতে সাহায্য করে তা প্রকাশ করেছে। এখানে ৪৬ টি মামলায় উজ্জল কাপড়ের কারণে চালক দুর্ঘটনার হাত থেকে বেচে গেছেন। ১২০ টি মামলায় কালো কাপড় পরার জন্য বিপরীত বাহনের চালক মোটরসাইকেল দেখতে পায়নি এবং দুর্ঘটনা ঘটেছে। এমএআইডিএস আরো একটি কালো কাপড় এর উদাহরণ দিয়ে উপসংহার টেনেছে, যেখানে বলা হয়েছে অন্ধকার কাপড় আলোকে প্রতিফলিত করতে পারে যার কারণে অপর বাহনটিও দুর্ঘটনায় পতিত হতে পারে।[১৮]

আচরনগত ঝুঁকিসম্পাদনা

 
কিছু চালক মোটরসাইকেল চালানোর ঝুঁকি উপশম করতে কিছু পদ্ধতি গ্রহণ করেন

পরিবহন ইতিহাসবিদ জেরেমি প্যাকার মোটরসাইকেল চালনোর ঝুঁকিকে চারটি ভাগে ভাগ করার কথা বলেন। প্রথম এবং চতুর্থ ভাগের মোটরসাইকেলের চালনা পরস্পর বিপরীত দিকে দেখে, কিন্তু মোটরসাইকেল এর প্রলুদ্ধ ভাগ্য সম্পর্কে তিনি অদৃষ্টবাদি ধারণা পোষণ করেন। ২য় এবং ৩য় ভাগের চালকগণ মোটরসাইকেল চালানোর ঝুকি মাপা সম্পর্কে ভিন্ন মাত্রা পোষণ করেন, কিন্তু কিছু চালককগণ চালানো দেখে মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ভাগ্যের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত হোন না।[১৯]

১। মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ করা অথবা এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা; এটা বিশ্বাস করতে হবে মোটরসাইকেল চালানো অত্যন্ত ভয়ানক। কিছু সাবেক মোটরসাইকেল চালক তাদের দুর্ঘটনার ঘটার পর অথবা এর ক্ষতি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর তারা এটি চালানো বাদ দিয়েছেন। কিছু চালক তাদের চালানো বন্ধ সমন্ধে দুর্ঘটনার পর তাদের শারিরিক এবং মানসিক ভয়ানক ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছেন। মৃত সংবাদপত্র লেখক ক্লেয়ার রায়নার তার বই "দ্যা পার্ফেক্ট বেহিকল" এ মোটরসাইকেল সমন্ধে বলেছেন "এটি খুবই যাতায়েতের অনেক ভালো মাধ্যম হতে পারতো যদি এটি সঠিকভাবে চালানো যেতো, কিন্তু তা অসম্ভব, কেননা আমি এর ক্ষতি সম্পর্কে অবগত হয়ে একে ঘৃণা করি এবং আমি হাসপাতালে থাকার সময়য় এর পরিণতি দেখার পর আমি একে ভয় পেতে শুরু করেছি"।[২০] কিছু নিরাপত্তা বিশারদ মোটরসাইকেল চালনোর ভয়াহতার কথা উল্লেখ করে এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য উকিল নিয়োগ দিয়েছিলেন।[২১][২২]

২। অধিচিন্তাশীল আত্মশাস্তিমূলক। এই আচরনটি আত্মসমালোচনা, ধ্রুব সতর্ক প্রহরা, চিরস্থায়ী প্রশিক্ষণ এবং অনুশীলনসহ বিভিন্ন কাজে ঝুঁকি তৈরি করে। এমনন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে চালককে বলা হয়েছে চালক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর দুর্ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বাস পেলেও তিনি দুর্ঘটনা ঘটিয়েছেন এবং এই কথা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জানালে তারা বলেছে যে দুর্ঘটনা মোটরসাইকেল চালানোই একটি অংশ, অর্থাৎ তারা বোজাতে চেয়েছে মোটরসাইকেল চালালে দুর্ঘটনা ঘটবেই।[১৯][২৩] ডেবিড এডয়ার্ড "সাইকেল ওয়ার্ল্ড এ লিখেছেন "এটা ভাবাই যায় মোটরসাইকেল ভয়ানক নয়", তিনি আরো বলেছেন "যদি চালক নিয়মিত প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন, চালানো শেখার পর নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখার অভিজ্ঞতা গ্রহণ করেন এবং চালানোর সময় তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সজাগ রাখেন তাহলে এটি একটি নিরাপদ বাহন হিসেবে গণ্য হবে এবং চালক কখনই দুর্ঘটনায় পতিত হবার কথা নয়"।[২৪] সাংবাদিক ক্যাবিন ক্যামেরোন "সাইকেল ওয়ার্ল্ড" এ লিখেছেন " বিচারক্ষমতায় সাথে চালান। যতো লম্বা রাস্তা আপনি অতিক্রম করবেন ততো বেশি সজাগ থাকুন। আপনি আপনার বাহনটির সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ করা শিখুন এবং ৪র্থ ধাপের পূর্বে আপনি আপনার ৩য় ধাপ সম্পূর্ণ করুন। এতে আপনি ভালো মোটরসাইকেল চালকের পূর্বে আপনি ভালো মোটরগাড়ির চালক হয়ে উঠবেন"।[২৫] এ ব্যপারে একজন মোটরসাইকেল প্রশিক্ষক তার মতামত পোষণ করে বলেছেন এইভাবে "তারা তাদের অভ্যাস পরিবর্তন না করে আরো বাড়াচ্ছে। অনেকে আবার দল গঠন করে চলেন, যা তাদের ক্ষোভকে আরো বাড়িয়ে দেয়। তারা ছুটির দিনে বাড়িতে থাকেন এবং কালো কাপড় না পরে চিন্তাশীল কাপড় পরেন।"[২৬]

৩। উচ্চমূল্য ঝুঁকি।[২৭] এটা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে কিন্তু যখন চালক তার পছন্দের সাথে জড়িয়ে যান তখন তার শুরু এবং শেষ এর পার্থক্য থাকে, তার কাছে ঝুকি মাপার থেকে চালানোটাই বেশি প্রাধান্য পায়।[১৯] মোটরসাকেল চালক উকিল এবং লেখক ওয়েন্ডি মুন বলেন এটা একটি কারণ মোটরসাইকেল চালানোর সময় স্বছন্দ থাকার কেননা আমি সেইসময় চিন্তাশীল কাপড় এবং পুরো মুখ ঢাকা থাকে এইরকম হেলমেট পড়ি, এর সাথে আমি কোনো আপোষ করি না, "এছাড়া আমি আমার মানসিক আচরণ সুরক্ষিত রাখি। আমি বর্তমানে বাচার জন্য মুক্ত নই কারণ আমি জানিনা ভবিষ্যৎ এ কি ঘটবে। আমাদের জীবনকে মুক্ত রাখা উচিত এবং পুরো জীবন এবং এটা আমরা জানি। সমাজের দিক থেকে আমাদের বাচ্চারা তুষারের বিপরীতে আটি বাধবে আমরা এর থেকে সরে আসতে পারি না...... ঝুঁকির সাথে লড়ে আমরা আমাদের মনকে পুনরায় তরুণ করতে পারি জীবনের শেষ অবধি যদি আমরা চাই"[২৮]

৪। সগর্বে ঝুঁকি। হান্টার এস. থোম্পসন এর বই হেলস এঞ্জেল এর একটি পরিচ্ছদ এ মোটরসাইকেল গ্যাঙ্গ এর বর্ণনা করা হয়েছে যেখানে দেখা যাছে "তারা তাদের সর্বনিম্ন সুরক্ষাই পরিহার করেছে এবং হেলস এঞ্জেলকেও ভালো হেলমেট পড়তে দেখা যায়নি। এমনকি ডিলানও চামড়ার জ্যাকেট পর্যন্ত পরেনি"।[২৯] থোম্পসন এই ব্যপার সম্পর্কে লেখেন "এটা মানসিক হিসেবে তৈরি, আমরা তাদের পরিণতি সম্পর্কে জানি, এটা নিম্নমান, নিম্ন পরিচ্ছদ, উচ্চ গতি এবং পরিশেষে ভয়ানক কর্তব্য" আমাদের সকলের নিরাপত্তা গ্রহণ করা উচিত নাহলে ডিলানের মতো পরিণতি নিশ্চয় কেও চাইবেন না।[৩০] প্যাকার একে "ভাগ্য চালিকা" হিসেবে সম্ভোধন করেন।[১৯]

প্যাকার ইতিহাসবিদ মিশেল ফুকো এর কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন, তিনি মোটরসাইকেল নিরাপত্তাকে জোর দিয়েছিলেন এবং একে মূলধারার খেলায় নিয়ে এসেছিলেন এবং এমএসএফ এর সমর্থনের মাধ্যমে মোটরসাইকেল মিডিয়া ভ্রমণকরণ শুরু করেছিলেন এবং ইউএস ন্যাশনাল এজেন্ডা এর মতোন পরিবহন সমিতিকে মোটরসাইকেল নিরাপত্তা সম্পর্কে অবগত করেছিলেন।[৩১] তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মোটরসাইকেল ঝুঁকির ব্যাপারে বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে এই বিষয়ে আরো নিরাপত্তা গ্রহণ করার কথা বলেছিলেন।[১৯] যেখানে প্যাকার প্রথম দুটি বক্তব্যকে সম্মান জানিয়েছেন এবং তিন নাম্বার বক্তব্যকে সহানুভূতি দেখালেও, ৪র্থ বক্তব্যকে তাচ্ছিল্যপূর্ণ বলেছেন। প্যাকার ২য় বিভাগে বিশ্লেষণ করেছেন এবং বলেছেন, "উচ্চচিন্তাশীল আত্মশুদ্ধি",এই বিষয়ের উপর গম্ভীরতা স্বীকার, অপ্রমাদ, উচ্চমানের প্রশিক্ষণ এবং নিরাপদ কাপড় পর্যন্ত ঠিক আছে কিন্তু বীমা শিল্পের মুনাফা উদ্দেশ্য সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ প্রান্তিককরণের উপর চিন্তা থেকেই যায়, তাছাড়া মোটরসাইকেলের নিরাপত্তা গিয়ার বিজ্ঞাপনদাতা এবং মোটর সাইকেল নির্মাতারা জনসংযোগ ইচ্ছা, সেইসাথে সরকারি আমলাতান্ত্রিক নিষ্ক্রিয়তার উপরও ভেবে দেখতে হবে।[১৯] তিনি দেখেন মোটরসাইকেলে অন্যান্য বাহনের মতো ঝুঁকির বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।[১৯]

বিএমডাব্লিউ মনস্তত্ত্বিক এবং গভেষক বারন্ট স্পাইগেল বলেন যারা মোটরসাইকেল চালায় তাদের থেকে যারা চালায় তাদের আচরণগত পরিবর্তন হয় যা মোটেও সাভাবিক নয়, এদের মধ্যে যারা উচ্চগতিতে মোটরসাইকেল চালায় তাদের মনোভাব এরকম যেমনটা একটি মুরগির খেলায় হয় বা রাশিয়ান রউলেট্টের মতোন, যেখানে চালক তার ভাগ্যে অভিশাপ নিয়ে আসে, ওনি জানেনো না দুর্ঘটনা ঘটলে তার সাথে কি ঘটতে পারে।[৩২] থম্পসনের ভাষায় "জাহান্নামের ফেরেশতা" এতে তিনি বলেছেন, "সমাপ্তিতে.... এখানে কোনো সৎ রাস্তা নেই বুজানোর জন্য কারণ একমাত্র সেই ব্যক্তি জানেন যিনি এর ভুক্তভোগী হয়েছেন, যিনি আর বেচে নেই।"[২৯][৩৩]

স্পাইগেল এখানে একমত নন তিনি বলেন "চলে যাওয়া", এতে দুর্ঘটনা বা মৃত্যু ঘটতে পারে তখনই যখন চালক সীমানার বাইরে চলে যায়। তিনি আরো বলেন মোটরসাইকেল রেসার অথবা অপেশাদার অভিজ্ঞ মোটরসাইকেল চালক যিনি স্পোর্ট বাইক চালান তারা যদি তাদের সীমা ভুলে অন্ধের মতো চালাতে থাকেন তবেই দুর্ঘটনা এবং মৃত্যু সম্ভব, এখানে অন্যথায় সাধারণ বাইকে দুর্ঘটনা ঘটলে অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যু হলেও সবসময় নয়। স্পাইগেল আরো বলেন যাদের উচ্চ প্রশিক্ষণ রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে উচ্চ গতিতে মোটরসাইকেল চালালেও দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম থাকে, এক্ষেত্রে চালক কোনো ক্ষেত্রে অসতর্ক হয়ে গেলে সেটা অন্য কথান। স্পাইগলের মনস্তাত্ত্বিক এবং মনস্তাত্ত্বিক পরিক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে একজন ভালো চালক কখনই তার নিয়ন্ত্রণ হারান না যতক্ষণ পর্যন্ত তার কোন বিক্ষেপ হচ্ছে বা কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি হচ্ছে।[৩২]

কিছু বিশেষজ্ঞ প্যাকার এর প্রথম এবং চতুর্থ বিভাগের ঝুঁকির সাথে একমত হয়েছেন, যেখানে চালকের নিরাপত্তার দিকে জোর দেওয়া উচিত, যেখানে ২য় এবং ৩য় বিভাগের ঝুকিকে অগ্রাহ্য করে এখানে স্পাইগেলের ভাষ্যকে দেখানো হয়েছে এখানে চালককে কখোনই অসতর্ক হতে নিষেধ করা হয়েছে বা বিক্ষিপ্ত মনে মোটরসাইকেল চালাতে মানা করা হয়েছে। তাছাড়া স্পাইগল চালককে সীমার মধ্যে থাকতে বলেছেন।[৩৪] কিন্তু বিশেষজ্ঞ কন্ডন বিখিপ্ততা সম্পর্কে বলেছেন এখানে বিক্ষিপ্ততার একটি সীমা রয়েছে, যেখানে চালক অতি সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন এরকম বিক্ষিপ্ততা কখনোই দুর্ঘটনার কারণ হবে না।[৩৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Motorcycles (DOT HS 810 620)", Traffic Safety Facts 2005 Data, Washington, DC: NHTSA's National Center for Statistics and Analysis 
  2. "Motorcycles (DOT-HS-810-990)", Traffic Safety Facts: 2007 Data, Washington, DC: NHTSA's National Center for Statistics and Analysis, ২০০৭, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-১৮ 
  3. "Traffic Safety Facts : Motorcycles"Crashstats। National Highway Traffic Safety Administration। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০১৯ 
  4. https://cdan.nhtsa.gov/tsftables/ts  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  5. Motorcycle Safety, NHTSA, অক্টোবর ১৯৯৯, সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৬-২৬ 
  6. Traffic Safety Facts Annual Report Tables 
  7. Clarke, David D.; Ward, Pat; Bartle, Craig; Truman, Wendy (নভেম্বর ২০০৪)। "In-Depth Study of Motorcycle Accidents" (পিডিএফ)Department for Transport, UK। ২০১১-০৫-০৪ তারিখে মূল (Adobe PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  8. Reported road casualties in Great Britain: 2017 annual report (পিডিএফ), Department for Transport, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮ 
  9. "Motorcyclists - Crashes"। Australian Transport Safety Bureau (ATS)। 
  10. Hough, David L. (২০০০)। Proficient Motorcycling: The Ultimate Guide to Riding Well (2nd সংস্করণ)। USA: BowTie Press। পৃষ্ঠা 20। আইএসবিএন 9781889540535 
  11. Carpenter, Susan (২০০৯-০৩-০১)। "U.S. motorcycle crash study stalls: MAIDS 2.0 may have to suffice"Los Angeles Times Blogs। মে ৪, ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। The long-awaited follow-up to the 1981 Hurt Study is short at least $2 million, and it's unclear whether that funding will come through any time soon. Or ever. 
  12. "H.H. Hurt, Jr., Traffic Safety Center, University of Southern California: Motorcycle Accident Cause Factors and Identification of Countermeasures Volume I: Technical Report" (পিডিএফ)। ২০১৪-০৮-২৩ তারিখে মূল (পিডিএফ) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২২ 
  13. "Main findings of the MAIDS report on accident characteristics"Maids – In-Depth Investigation of Motorcycle Accidents। The Association of European Motorcycle Manufacturers (ACEM)। ২০০৯। 
  14. Olson PL; Halstead-Nusslock R; Sivak M (১৯৭৯), Development and Testing of Techniques for Increasing the Conspicuity of Motorcycles and Motorcycle Drivers (পিডিএফ), Highway Safety Research Institute, University of Michigan 
  15. David L. Hough (২০১৩), The Good Rider, Seattle: Mixed Media, আইএসবিএন 978-0-9747420-3-8 
  16. Susan Wells; ও অন্যান্য (এপ্রিল ১০, ২০০৪)। "Motorcycle rider conspicuity and crash related injury: case-control study"BMJ328 (7444): 857। ডিওআই:10.1136/bmj.37984.574757.EEপিএমআইডি 14742349পিএমসি 387473 । সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৬-২৬  Abstract, Quick summary
  17. "Table 5.5: Predominating PTW colour"MAIDS (Motorcycle Accidents In Depth Study) Final Report 2.0। ACEM, the European Association of Motorcycle Manufacturers। এপ্রিল ২০০৯। পৃষ্ঠা 47। 
  18. "MAIDS (Motorcycle Accidents In Depth Study) Final Report 2.0"। ACEM, the European Association of Motorcycle Manufacturers। এপ্রিল ২০০৯: 100। 
  19. Packer, Jeremy (২০০৮), "Motorcycle Madness; The Insane, Profane, and Newly Tame", Mobility without mayhem: safety, cars, and citizenship, Duke University Press, পৃষ্ঠা 127–159, আইএসবিএন 978-0-8223-3963-2 
  20. Rayner, Claire (২০ জুন ১৯৯৭), "Sex and the Volvo", New Statesman, London, খণ্ড 10 নং 458, পৃষ্ঠা 45 
  21. Millward, David (২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), "Ban motorcycles, safety expert says", The Daily Telegraph 
  22. Constantine, Peggy (১৬ জুলাই ১৯৭৪), "Doctors Call Motorcycles Disaster Machines Geared to Kill", Sarasota Herald-Tribune, পৃষ্ঠা 4B 
  23. "TWIST-Motorcycle lifestyle; The truth about safety, learning to ride, and making motorcycles part of your life.", Cycle World, এপ্রিল ২০১০, ২০১০-০৬-০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৫-২৮ 
  24. Edwards, David (নভেম্বর ২০০১), "After the fall", Cycle World: 14 
  25. Cameron, Kevin (জুন ১৯৯৬), "New riders", Cycle World: 16 
  26. Sullivan, Julie (সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১০), "Older motorcyclists riding, dying on Oregon roadways; new state rules could help", The Oregonian 
  27. Compare: Valorisation, from Marxist theory.
  28. Moon, Wendy (Spring ২০১১), "Riding Half-Naked (Or The Conversion of a Safety Nazi)", International Journal of Motorcycle Studies, 7 (1), মে ৯, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৫-২৮ 
  29. Thompson, Hunter S. (১৯৬৬), Hell's Angels: The Strange and Terrible Saga of the Outlaw Motorcycle Gangs, New York: Ballantine Books, Random House, পৃষ্ঠা 78, 262, আইএসবিএন 978-0-345-41008-51996 reprint 
  30. Thompson, Hunter S. (মার্চ ১৯৯৫), "Song of the Sausage Creature", Cycle World, আইএসএসএন 0011-4286 
  31. National Agenda for Motorcycle Safety, National Highway Traffic Safety Administration, নভেম্বর ২০০০ 
  32. Spiegel, Bernt (২০০৯), The Upper Half of the Motorcycle: On the Unity of Rider and Machine, Hassall, Meredith কর্তৃক অনূদিত, Whitehorse Press, আইএসবিএন 978-1-884313-75-2  Translated by Meredith Hassall from জার্মান: Die obere Hälfte des Motorrads vom Gebrauch der Werkzeuge als künstliche Organe (1999) আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৬১৩-০১৯২২-৫
  33. Hunter S. Thompson's Hell's Angels on Wikiquote
  34. Condon, Ken (জুন ২০১১), "Proficient Motorcycling: Limits", Motorcycle Consumer News, Irvine, California: Aviation News Corp, খণ্ড 42 নং 6, পৃষ্ঠা 38–40, আইএসএসএন 1073-9408 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা