প্রধান মেনু খুলুন

মিসাও ওকাওয়া (জাপানি: 大川 ミサヲ; ৫ই মার্চ, ১৮৯৮ – ১লা এপ্রিল, ২০১৫)[১] একজন জাপানি মহাশতবয়স্কা মানবী যিনি ১২ই জুন, ২০১৩-এ জিরোইমন কিমুরার মৃত্যুর পর পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্কা জীবিত মহিলা ছিলেন।[২]

মিসাও ওকাওয়া
স্থানীয় নাম
大川 ミサヲ
জন্ম(১৮৯৮-০৩-০৫)৫ মার্চ ১৮৯৮
মৃত্যুএপ্রিল ১, ২০১৫(২০১৫-০৪-০১)
(বয়স ১১৭ বছর, ২৭ দিন)
পরিচিতির কারণপৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্কা জীবিত ব্যক্তি, সর্বকালে সবচেয়ে বয়স্ক যাচাইকৃত জাপানি ব্যক্তি
দাম্পত্য সঙ্গীইয়ুকিও ওকাওয়া
সন্তান

ওকাওয়া ছিলেন সর্বকালে সবচেয়ে বয়স্ক যাচাইকৃত জাপানি ব্যক্তি, এশিয়ায় জন্মগ্রহণ করা সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি এবং সর্বকালের সবচেয়ে বয়স্ক যাচাইকৃত নথিভুক্ত পঞ্চম ব্যক্তি। ওকাওয়া ছিলেন যাচাইকৃত ত্রিশতম ব্যক্তি যিনি ১১৫ বছর বয়স পেরিয়েছেন, দশম যাচাইকৃত ব্যক্তি ১১৬ বছর বয়সে পৌঁছেছেন এবং পঞ্চম যাচাইকৃত ব্যক্তি ১১৭ বছর বয়সে পৌঁছেছেন।[৩][৪] এছাড়াও তিনি ঊনবিংশ শতকে জন্মগ্রহণ করা শেষ জীবিত জাপানি ব্যক্তি ছিলেন।[৫]

ওকাওয়া তার ১১৭ম জন্মদিনের ঠিক একমাসের মধ্যে ১লা এপ্রিল, ২০১৫ মারা যান।[১][৬][৭]

জীবনীসম্পাদনা

ওকাওয়া ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দের ৫ই মার্চ , জাপানের থেনমা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে জনৈক ইয়ুকিও ওকাওয়াকে বিবাহ করেন। মিসাও দুই কন্যা ও এক পুত্রের জন্ম দেন।[৮] ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দের ২০শে জুন তার স্বামী ইয়ুকিও মৃত্যুবরণ করেন।[৯]

১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে জাপানের ওসাকার হিগাশিসুমিইয়োশি-কু নামক স্থানে একটি হাসপাতালে ভর্তি হন,[১] যেখানে হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার কারণে[১০] ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ১লা এপ্রিল সকাল ৬:৫৮ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।[১][৭]

মৃত্যুকালে তার একজন পুত্র ও কন্যা ছাড়াও তার চারজন পৌত্র ও ছয়জন প্রপৌত্র জীবিত ছিলেন।[৮][১১]

রেকর্ডসম্পাদনা

২০১৩ খ্রিস্টাব্দে ১২ই জানুয়ারি ১১৫ বছর বয়স্ক জাপানী মহিলা কোটো ওকুবোর মৃত্যুর পর মিসাও ওকাওয়া বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্কা জীবিতা মহিলা হিসেবে গণ্য হন।[১২] ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ২৭শে ফেব্রুয়ারি গিনিস বিশ্ব রেকর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্কা জীবিতা মহিলা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন।[১১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. 世界最高齢大川ミサヲさん死去=117歳、老衰で-大阪 [Misao Osawa, world's oldest person, dies of old age in Osaka at 117]। Jiji.com (Japanese ভাষায়)। Japan: Jiji Press। এপ্রিল ১, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১, ২০১৫ 
  2. "Jiroemon Kimura, Oldest Man in Recorded History, Dies at 116"। ২০১৩-০৬-১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুন ১২, ২০১৩ 
  3. "Born In 1898: World's Oldest Living Person Celebrates Birthday"NPR.org। মার্চ ৪, ২০১৫। 
  4. Sam Frizell। "The World's Oldest Person is Totally Chill About Turning 117"TIME.com 
  5. 100歳以上生きる「一世紀人」が激増中! - 日経Bizアカデミー; retrieved August 27, 2014.(জাপানি)
  6. "World's oldest person Misao Okawa dies at 117"Mainichi। Japan: The Mainichi Newspapers। এপ্রিল ১, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ১, ২০১৫ 
  7. Okawa profile, bbc.co.uk; accessed April 1, 2015.
  8. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি" これまでの人生振り返り「短いな」世界最高齢女性の大川ミサヲさんが115歳の誕生日 [Birthday of the 115-year-old Misao Okawa's oldest women in the world "short" recalls life so far]। Sankei News (Japanese ভাষায়)। Japan। মার্চ ৫, ২০১৩। ২৯ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ এপ্রিল ২৯, ২০১৪ 
  9. Guinness World Records 2014। Guinness World Records। পৃষ্ঠা 59। আইএসবিএন 978-1908843357 
  10. Tanya Lewis, [১], Live Science, April 1, 2015. Retrieved April 1, 2015
  11. "Japan names world's oldest woman"USA Today। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৩ 
  12. Ryall, Julian (জানুয়ারি ১৪, ২০১৩)। "Oldest woman in the world dies"The Telegraph। Tokyo: Telegraph Media Group Limited। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৮, ২০১৩ 
রেকর্ড
পূর্বসূরী
কোটো ওকুবো
স্বীকৃত ও যাচাইকৃত সবচেয়ে বয়স্কা জীবিতা মহিলা
১২ জানুয়ারি ২০১৩ – ১ এপ্রিল ২০১৫
উত্তরসূরী
গার্ট্রুড উইভার
পূর্বসূরী
জিরোইমন কিমুরা
যাচাইকৃত সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি
১২ জুন ২০১৩ – ১ এপ্রিল ২০১৫
উত্তরসূরী
গার্ট্রুড উইভার
পূর্বসূরী
জিরোইমন কিমুরা
যাচাইকৃত সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত জাপানী
১২ জুন ২০১৩ – ১ এপ্রিল ২০১৫
উত্তরসূরী
নবি তাজিমা
পূর্বসূরী
তানে ইকাই
সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত জাপানী
28 August 2014 – বর্তমান
উত্তরসূরী
--