ভিতালী দাস (৬ জুন ১৯৭৯ - ২১ এপ্রিল ২০২১) আসামের গুয়াহাটির বিখ্যাত বিহু গায়ক ছিলেন। তিনি তার সুরেলা কণ্ঠের জন্য জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি জুবিন গার্গ এবং বিভিন্ন শিল্পীর সাথে ৫০০০টিরও বেশি বিহু গান গেয়েছিলেন।[১] তিনি জানমনি, জোনবাই, রংধালী, রোহেদোই, বগিটোড়া, এনাজোরি এবং আরও অনেক সংগীত অ্যালবামে গান গেয়েছিলেন। ভিতালী দাস মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ৪১।

ভিতালী দাস
Assamese singer Vitali Das.jpg
জন্ম(১৯৭৯-০৬-০৬)৬ জুন ১৯৭৯
আসাম, ভারত
মৃত্যু২১ এপ্রিল ২০২১(2021-04-21) (বয়স ৪১)
জাতীয়তাভারতীয়
পেশাগায়িকা

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষাসম্পাদনা

ভিতালী দাস উত্তর গুয়াহাটির মাজগাঁওয়ের বাসিন্দা ছিলেন এবং সেখানে বেড়ে ওঠেন। তিনি গুয়াহাটির সেনাইরাম উচ্চ মাধ্যমিক ও বহুমুখী বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ থেকে স্নাতক লাভ করেন।[২]


কর্মজীবনসম্পাদনা

ভিতালী দাস প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অসমীয়া গান গেয়েছেন এবং তাঁর গানগুলি আসামে খুব জনপ্রিয়। ভিতালী একাই জুবীন গার্গের সাথে ৩০০০-এরও বেশি গান রেকর্ড করেছিলেন। তিনি অনেক জনপ্রিয় শিল্পী যেমন বোর্নালী কলিতা, তারালী সারমা, নির্মালী দাস প্রমুখের সাথে অনেক বিহু অ্যালবামে এবং এককে গানে গেয়েছেন। তার গাওয়া কিছু অ্যালবাম হল:

  • টিপ টপ
  • ধোনিরি নুমনি
  • আহিলে বোহাগী
  • রংধালী
  • রোহেদোই
  • এনাজোরি
  • নাংসেং
  • কোপো ফুল
  • মইনা সোরাই মইনা ম্যাট
  • বগিটোড়া
  • জোনবাই
  • জানমনি
  • টগর

মৃত্যুসম্পাদনা

২০২১ সালের এপ্রিলে, ভিতালী দাস সংক্রামক করোনাভাইরাস (কোভিড ১৯) এ আক্রান্ত হন এবং তাকে ২০ এপ্রিল গুয়াহাটির কালাপাহার সিভিআইডি কেয়ার সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ২১ এপ্রিল জানা যায় যে কোভিড ১৯-এর জটিলতায় তিনি গুরুতর অবস্থার মধ্যে আছেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তরিত করা হয়। ঐদিন সন্ধায়, ২১ এপ্রিল ২০২১ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Bihu Singer Bhitali Das Laid to Rest at Nabagraha Crematorium, Guwahati"www.sentinelassam.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২২ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২১ 
  2. "Vitali Das (Singer)"biographyinsider.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০২১ 
  3. "জনপ্ৰিয় কণ্ঠশিল্পী ভিতালী দাস আৰু নাই...কোৰোণাই কাঢ়ি নিলে প্ৰাণ"assam.news18.com (অসমীয়া ভাষায়)। ২১ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২১