ব্যবহারকারী:DelwarHossain/খেলাঘর

অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব বাংলাদেশী আইনজ্ঞ ও রাজনীতিবিদ। ১৯৭৩ সালে দালাল আইনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে জন্যে গঠিত আদালতের চিফ প্রসিকিউটর ছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।

খন্দকার মাহবুব হোসেন ১৯৩৮ সালের ২০ মার্চ জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। এরপর একই বছরের ২০ অক্টোবর তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

৫৪ বছরের আইন পেশায় দেশের প্রথম সারির সব রাজনীতিবিদের মামলা পরিচালনা করেছেন এ আইনজীবী। বর্তমানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন




বাহেরবালী এসইএসডিপি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, বাংলাদেশের হাওড় অঞ্চল কিশোরগঞ্জ কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি হাওড়ের মধ্যখাণে অনেকটা ভাসমান অবস্থায় পানি ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

dhhসম্পাদনা

বছরের ৯ মাস এ বিদ্যালয়ের চারপাশে জমে থাকে পানি। যাতায়াতের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি নৌকার ব্যবস্থা kore[১]



 

I edit articles that need to be updated with new information and I have created new articles. The majority of the work that I've done has been on Seventh-day Adventist articles.

Viewersসম্পাদনা

                             

             

                               




ঝিটকা আনন্দমোহন উচ্চ বিদ্যালয়



এমএ গফুর
 
কাজের মেয়াদ
১৯৭৯
কাজের মেয়াদ
১৯৭০ – ২০১৯
রাষ্ট্রপতিশেখ মুজিবুর রহমান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯৩৩-১০-২৮)২৮ অক্টোবর ১৯৩৩
সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম জেলা, বাংলাদেশ
মৃত্যু২৩ আগস্ট ২০১৯(2019-08-23) (বয়স ৮৫)
চাঁদপুর জেলা, বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
দাম্পত্য সঙ্গীমাহমুদা খাতুন

ডা. মো. আবদুল গফুর (২৮ অক্টেবার ১৯৩৩ - ২৩ আগস্ট ২০১৯) একজন বাংলাদেশী ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা ও চিকিসক। সমাজসেবক পেশায় একজন চিকিৎসক ও বাংলাদেশ রোটারি জেলা-৩২৮০- এর অন্যতম প্রবীণ রোটারিয়ান ছিলেন। একজন সুবক্তা এবং দক্ষ সংগঠক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম ও পরিচিতি আছে। চাঁদপুর জেলায় তার হাতে প্রতিষ্ঠিত একাধিক ধাতব্য ও চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে।


জন্ম ও শিক্ষা জীবনসম্পাদনা

গফুর ১৯৩৩ সালের ২৮ অক্টোবর চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার চর কোড়ালিয়া গ্রামে সরকার বাড়িতে গ্রামে সরকার জন্মগ্রহণ করেন| তার মরহুম পিয়ার আলী সরকার ও মাতা সৈয়দুন্নেছা। তিনি চাঁদপুর গণি হাই স্কুল থেকে ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিক, ১৯৫০ সালে ঢাকা জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে আইএসসি. ও ১৯৫৬ সনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস. পাস করেন। একজন মেধাবী চিকিৎসক হিসেবে তিনি স্নাতকোত্তর চিকিৎসাবিদ্যা ও রেডিওলজিতে অধ্যয়নের জন্য ১৯৬৫ সালে লন্ডন ও এডিনবার্গে গমন করেন।

পারিবারিক জীবনসম্পাদনা

ডা. এমএ গফুরের স্ত্রী প্রফেসর মাহমুদা খাতুন ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৬৭ পর্যন্ত চাঁদপুর সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন এবং ১৯৬৭ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রফেসর ছিলেন। এরপর তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। গফুরের শ্বশুর শাহেদ আলী পাটওয়ারী বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রাক্তন স্পিকার ছিলেন। ডাঃ এম.এ. গফুর ১ কন্যা ও ২ পুত্র সন্তান । কন্যা মাহফুজা হক, অর্থনীতিতে এমএ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)। বড় পুত্র ডাঃ শাকিল গফুর রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। ছোট ছেলে ড. শায়ের গফুর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এ স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক।

কর্মজীবনসম্পাদনা

গফুর চাঁদপুর রোটারি ক্লাবের চার্টারের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও প্রাক্তন সভাপতি এবং রোটারি দাতব্য চিকিৎসালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি রোটারি জেলা ৩২৮০-এর বিভিন্ন কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। রোটারি জেলার চক্ষু শিবির পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। গফুর ১৯৮২ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মাজহারুল হক বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি চাঁদপুর জেলা নাটাব জেলা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, আধুনিক ও বিএমএ (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন), চাঁদপুর শাখার প্রাক্তন সভাপতি। ১৯৮৭ সাল থেকে চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তিনি। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) জাতীয় পর্ষদের পরপর তিন বারের নির্বাচিত সদস্য তিনি। ডাঃ এম.এ. গফুর (১৯৮৭-২০১৫) সাল পর্যন্ত চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক| বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস)-এর জাতীয় পর্ষদের পরপর তিন বার নির্বাাচিত সদস্য।


ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাসম্পাদনা

এমএ গফুর ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নের সময় ভাষা আন্দোলনে ভাষা সংগ্রামী হিসেবে এবং স্বাধীনতা আন্দোলনে স্বীয় অবস্থানে থেকে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন| মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর পৈত্রিক বাড়ি পাক হানাদার বাহিনী আগুনে পুড়িয়ে দেয়। এমএ গফুর ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গাজীউল হক, আবদুল মতিন, অলি আহাদ, আতাউর রহমান খান, আবুল কাশেমের (অধ্যক্ষ আবুল কাশেম) ঠিক পেছনে ছিলেন তিনি। পুলিশ-ছাত্রদের সংঘর্ষের সময় গফুর ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের বারান্দায় গিয়ে দেখতে পান বুলেটবিদ্ধ সফিউর রহমানকে ধরাধরি করে নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে বাঁচানোর জন্য সেখান থেকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান গফুর।

অসুস্থতা ও মৃত্যুসম্পাদনা

আমানুল্লাহ ডায়াবেটিককিডনি জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ২৩ অক্টোব ২০১৯ সালে ঢাকায় মৃত্যু বরণ করেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "হাওরের আলো 'ভাসমান' বিদ্যালয়"সমকাল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-০৪ 

বহিংসংযোগসম্পাদনা