প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
প্রথম স্কন্দে ২০টি অধ্যায় রয়েছে। প্রথম তিনটি অধ্যায়ে ঋষি শৌনক সূতকে ব্যাসকৃত অষ্টাদশ পুরাণ অধ্যয়নের জন্য অভিনন্দিত করেছেন এবং তাঁর অনুরোধে সূত দেবীভাগবত পুরাণ পাঠ শুরু করছেন। ৪র্থ থেকে ১৯শ অধ্যায়ে শুকদেবের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। শেষ অধ্যায়ে [[শান্তনু]] ও [[সত্যবতী|সত্যবতীর]] বিবাহ থেকে [[ধৃতরাষ্ট্র]], [[পাণ্ডু]] ও [[বিদুর|বিদুরের]] জন্ম পর্যন্ত মহাভারতের কাহিনি বিবৃত হয়েছে।<ref name=a>Shastri, P. (1995). ''Introduction to the Puranas'', New Delhi: Rashtriya Sanskrit Sansthan, pp.132-38</ref> দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম স্কন্দ যথাক্রমে ১২, ৩০, ২৫, ৩৫, ৩১ ও ৪০টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত। সপ্তম স্কন্দের শেষ নয়টি অধ্যায় (৩১-৪০) ''দেবীগীতা'' নামে পরিচিত। এটি [[পার্বতী]] ও তাঁর পিতা [[হিমবান|হিমবানের]] সংলাপ। এই অংশের আলোচ্য বিষয় দেবীর বিশ্বরূপ, [[উপনিষদ|উপনিষদের]] বিভিন্ন অংশ, অষ্টাঙ্গযোগ, জ্ঞানযোগ, কর্মযোগ ও ভক্তিযোগের ব্যাখ্যা, দেবীর বিভিন্ন মন্দিরের অবস্থান এবং দেবীপূজার রীতিনীতি। অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ স্কন্দ যথাক্রমে ২৪, ৫০, ১৩, ২৪ ও ১৪টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত।
 
পঞ্চম স্কন্দের ২য় থেকে ১৮শ অধ্যায়ে দেবী কর্তৃক [[মহিষাসুর]] বধের বর্ণনা রয়েছে। এই বর্ণনা [[দেবীমাহাত্ম্যম্]] তথা [[মার্কণ্ডেয় পুরাণ|মার্কণ্ডেয় পুরাণে]] বর্ণিত মহিষাসুর বধের বর্ণনারই বিস্তারিত রূপ। বাংলায় বাৎসরিক [[দুর্গাপূজা|দুর্গাপূজার]] পৌরাণিক প্রেক্ষাপট এই উপাখ্যান।
 
== পাদটীকা ==