"শিশু দিবস" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

rm copyrighted texts: http://bangla.irib.ir/index.php/2010-04-21-08-15-03/2010-04-21-08-16-59/6390----.html
(→‎শিশুদের সুষ্ঠ বিকাশে বাধা: rm copyrighted texts http://bangla.irib.ir/index.php/2010-04-21-08-15-03/2010-04-21-08-16-59/6390----.html)
(rm copyrighted texts: http://bangla.irib.ir/index.php/2010-04-21-08-15-03/2010-04-21-08-16-59/6390----.html)
|relatedto=[[পিতৃ দিবস]], [[মাতৃদিবস]], [[আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস]], [[আন্তর্জাতিক নারী দিবস]], [[পিতামহ/মাতামহ দিবস]]
}}
'''বিশ্ব শিশু দিবস''' পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় পালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অক্টোবর এটি পালিত হয়। শিশুরাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের কর্ণধার, শিশুদের হাতেই আগামীর পৃথিবীর ভার। ১৯৯৬ সালে এই দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা হয়।<ref>[http://en.wikipedia.org/wiki/Children%27s_Day en.wikipedia.org]</ref><ref>[http://bangla.irib.ir/index.php/2010-04-21-08-15-03/2010-04-21-08-16-59/6390----.html bangla.irib.ir]</ref>
 
==প্রতিটি দিনই শিশুদের ==
অবশ্য একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে যে, বছরের প্রতিটি দিনই শিশু দিবস। কারণ শিশুদেরকে আদর্শ মানুষ হিসেবে, শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে এবং জাতির কর্ণধার হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি বাবা-মা প্রতিটি দিনই চেষ্টা করে থাকেন। বাবা-মা ও অভিভাবকের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনও শিশুদেরকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই প্রতি বছরের একটি দিনকে বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই শিশু। এই শিশুরাই বিশ্বের ভবিষ্যতের প্রতিনিধিত্ব করে। শিশুদের সংরক্ষণ, কল্যাণ ও শিক্ষার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্যে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন ধারাবাহিক ব্যবস্থা নিয়েছে।
 
==তথ্যসূত্র==
২৭,১০৯টি

সম্পাদনা