"টাইগার হিলের যুদ্ধ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

→‎প্রেক্ষাপট: ব্যাকরণ উন্নয়ন।
(তথ্য হালনাগাদ করা হলো।)
(→‎প্রেক্ষাপট: ব্যাকরণ উন্নয়ন।)
 
==প্রেক্ষাপট==
১৯৯৮ এর শীত ও ১৯৯৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ে পাকিস্তান সেনার নর্দান লাইট ইনফ্যান্ট্রি দখল করে রেখেছিল। অঞ্চলের সর্বোচ্চ চূড়া হওয়ায় পাহাড়টির প্রচন্ডরকমের সামরিক কৌশলগত গুরুত্ব ছিল এবং এখান থেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ভারত সেনার ৫৬ ব্রিগেড হেড কোয়াটার পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিল। এহেন পরিস্থিতিতে শৃঙ্গে থাকা পাকিস্তানি সেনা ভারতের দিক থেকে হওয়া যে কোনও আক্রমণকে সহজেই ধরে ফেলতে পারতো। শৃঙ্গটি থেকে ভারতের অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ [[জাতীয় সড়ক ১ (ভারত)|জাতীয় সড়ক ১-ও]] অনায়াসেই দেখা যেত। এমনকি এই জাতীয়রাজপথটিকে সড়ককোনক্রমে ১,দখল যেটিকরা কিছিল নাকার্গিল যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অন্যতম লক্ষ্য। এর কারণ জাতীয় সড়ক ১ [[সিয়াচেন হিমবাহ|সিয়াচেন হিমবাহের]] একটি কৌশলগত পথ তথা [[শ্রীনগর|শ্রীনগরকে]] লাদাখের লেহ-এর সাথে সংযুক্ত করে,করে। এইফলে রাজপথটিকেটাইগার কোনক্রমেহিলকে দখল করা ছিল কার্গিল যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অন্যতম লক্ষ্য। এ-তে পাকিস্তানি সৈন্যরামানে খুব সহজেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর গতিবিধির ওপর সর্বদা লক্ষ্যনজরদারি রাখতে এবং আক্রমণ করতে পারতো।পারা।
 
পাকিস্তান ভারতে প্রথম অনুপ্রবেশ শুরু করার দরুণপাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের কারণে ভারতের জন্যেজন্য টাইগার হিলের দখল নেওয়া খুব জরুরি হয়ে পড়েছিল। টাইগার হিলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ভারতকে মুশকো এবং আশেপাশের শিখরে পাকিস্তানি সেনার অবস্থানগুলিতে আক্রমণ করার রাস্তা করে দিতো।
 
==যুদ্ধ==