"মামুনুল হক" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সংশোধন
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা দৃশ্যমান সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
(সংশোধন)
}}
{{দেওবন্দি}}
'''আল্লামা মামুনুল হক''' (জন্ম: নভেম্বর ১৯৭৩) একজন [[বাংলাদেশি]] [[দেওবন্দি]] ইসলামি পণ্ডিত, [[অধ্যাপক]], রাজনীতিবিদ, এবং ইসলামি বক্তা ও সমাজ সংস্কারক। তিনি [[হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ|হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের]] যুগ্ম-মহাসচিব, [[বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস|বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের]] মহাসচিব, [[জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া, ঢাকা]]র শায়খুল হাদিস{{efn|হাদিসের প্রধান শিক্ষক, যিনি হাদিসের সর্বোচ্চ গ্রন্থ ''[[সহিহ বুখারী]]র'' শিক্ষাদান করেন।}}, বাবরি মসজিদ বাংলাদেশ, মাহাদুত তারবিয়্যাতুল ইসলামিয়া{{efn|উচ্চতর ইসলামি শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।}} ও তারবিয়্যাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, ''মাসিক রহমানী পয়গামের'' সম্পাদক, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের{{efn|[[বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস|বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের]] যুব শাখা।}} সভাপতি ও বায়তুল মামুর জামে মসজিদের [[খতিব]]। তিনি [[এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ|এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের]] অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। এছাড়াও তিনি [[বাংলাদেশের]] ইসলামি বক্তাদের সংগঠন [[রাবেতাতুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ|রাবেতাতুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশের]] উপদেষ্টাসহ কয়েকটি সংগঠনের নেতৃস্থানীয় পদে রয়েছেন। [[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]] সহ পাঁচটি ভাষায় তার দক্ষতা রয়েছে।{{তথ্যসূত্র প্রয়োজন}} ইসলামি নেতা হিসেবে তিনি দেশব্যাপী পরিচিত। [[নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]], [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী]] ও [[ইসলামবিদ্বেষী|ইসলাম বিদ্বেষীদের]] বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়ে তিনি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছেন এবং এ সংক্রান্ত আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন। [[ইসলামি মৌলবাদ]] প্রচারের অভিযোগে তাকে [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশে]] নিষিদ্ধ, গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে [[বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের]] সহযোগী সংগঠন [[ছাত্রলীগ]], [[যুবলীগ]], [[স্বেচ্ছাসেবক লীগ]]সহ ৬৫টি সংগঠন দেশব্যাপী ব্যাপক আন্দোলন করেছে।
 
==জন্ম ও বংশ==
২৫,২৪৯টি

সম্পাদনা