"মোদিবো কেইতা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

১৯৬০ সালে ফেডারেশন ভেঙে যাওয়ার পরে ইউএস-আরডিএ মালি প্রজাতন্ত্র হিসাবে সম্পূর্ণ স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। কেইতা মালি প্রজাতন্ত্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি হন এবং এরপরেই ইউএস-আরডিএকে দেশের একমাত্র আইনী দল হিসাবে ঘোষণা করেন।
সমাজতান্ত্রিক হিসাবে তিনি তার দেশকে অর্থনীতির প্রগতিশীল সামাজিকীকরণের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রথমে কৃষি ও বাণিজ্য দিয়ে শুরু করে ১৯৬০ সালের অক্টোবরে সোমিরেক্স (মালিয়ান আমদানি ও রফতানি সংস্থা) তৈরি করা হয়েছিল, যাদের মালির পণ্য আমদানি ও রফতানির উপর একচেটিয়া অধিকার ছিল। এমনকি খাদ্যপণ্য আমদানিতে (যেমন চিনি, চা, গুঁড়ো) দুধ) এবং দেশের মধ্যে তাদের বিতরণেও তাদের মুখ্য ভূমিকা ছিল। ১৯৬২ সালে ম্যালিয়ান ফ্র্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠা হয়, রেশনিং এবং গণবন্টন ব্যাবস্থার অব্যবস্থার ফলে দেশে মারাত্মক মুদ্রাস্ফীতি হয় এবং জনগণের বিশেষত কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তুষ্টি ঘটে।
 
===অন্যান্য দেশের স্বীকৃতি===
১৯৭১ সালের জুনে তিনি যুক্তরাজ্যে একটি রাষ্ট্রীয় সফর করেছিলেন, যেখানে রানী [[দ্বিতীয় এলিজাবেথ]] তাকে নাইট গ্র্যান্ড ক্রস অফ দ্য অর্ডার অফ সেন্ট মাইকেল এবং সেন্ট জর্জ উপাধিতে ভূষিত করেন। তার সমাজতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা সতর্কতার সাথে দেখেছিল, তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে তিনি ওয়াশিংটনের সাথে সুসম্পর্ক চেয়েছিলেন। ১৯৬১ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি [[সুকর্ণ]]র সাথে আমেরিকা যান এবং রাষ্ট্রপতি [[জন এফ কেনেডি]]র সাথে সাক্ষাত করেন।
 
===একনায়কতন্ত্র ও কারাবরণ ===
রাজনৈতিক স্তরে, মোদিবো কেইতা দ্রুতই ফিলি ড্যাবো সিসসোকোর মতো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বন্দী করে ফেলেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথম নির্বাচন, ১৯৬৪ সালে, প্রতিদ্বন্দিতার অভাবে ইউএস-আরডিএর ৮০ জন প্রার্থীই একক জাতীয় পরিষদে ফিরে আসে এবং কেইতা আইনসভা দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদে যথাযথভাবে নির্বাচিত হন। ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি 'বিদ্রোহ প্রতিরক্ষা জাতীয় কমিটি (সিএনডিআর)' গঠন করে সংবিধান স্থগিত করে দেন। মালিয়ান ফ্র্যাঙ্কের অবমূল্যায়নের ফলে এবং কেইতার একনায়কতন্ত্রের ফলে সাধারণ জনগণের মধ্যে অস্থিরতা ও বিদ্রোহ দেখা দেয়।
১৯৬৮ সালের ১৯শে নভেম্বর, জেনারেল মোসা ট্রোরি একটি অভ্যুত্থান ঘটিয়ে মোদিবো কেইতাটাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন এবং তাকে উত্তর মালিয়ান শহর কিদালের কারাগারে প্রেরণ করেন।
১৯৭৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর মুক্তির প্রস্তুতির জন্য তাঁকে রাজধানী বামাকোতে আনয়ন করা হয় যদিও ১৯৭৭ সালের ১৬ই মে মোদিবো কেইতা রাজনৈতিক বন্দী হিসেবেই মারা যান। ১৯৯২ সালে মুসা ট্রোয়ের পতন ও পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি আলফা ওমর কোনারির নির্বাচনের পরে কেইতা মালির ইতিহাসে পুনরায় সম্মান ফিরে পান। ১৯৯২ এর ৬ই জুন মোদিবো কেইতার একটি স্মৃতিস্তম্ভ বামাকোতে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
 
== Notes ==