নিমাই ভট্টাচার্য: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
তিন বছর বয়সে তিনি মাতৃহীন হন। ১৯৪৮ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। এরপর তিনি কলকাতার রিপন কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। দেশভাগের পর তিনি পূর্ববঙ্গ থেকে পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী হন।<ref name=dd/>
 
==শিক্ষাজীবন==
==কর্মজীবন==
নিমাই ভট্টাচার্য ভাগ্যের নির্মম অদৃষ্ট সাড়ে তিন বছর বয়সে মাতৃহীন হয়ে ভীষণ কষ্টে পিতার সীমিত আয়ে অত্যন্ত কষ্টে ভর্তি হন কলকাতা কর্পোরেশনের ফ্রি স্কুলে। কলকাতা রিপন কলেজে কিছুদিন পড়ালেখা করার পর যশোরে ফিরে আসেন। ১৯৪১ সালে তিনি যশোরের সম্মিলনী ইন্সটিটউশনে চতুর্থ শ্রেনীতে ভর্তি হন এবং নবম শ্রেনী পর্যন্ত সেখানে পড়াশোনা করেন। নিমাই ভট্টাচার্যের পিতা সুরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য নিজেও যশোরের সম্মিলনী ইন্সটিটিউশনের ছাত্র এবং পরবর্তীতে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন কলকাতা গমনের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত। পরবর্তীতে দেশ বিভাগের পর নিমাই ভট্টাচার্য তাঁর পিতার সাথে পুনরায় কলতায় যান এবং সেখানে আবারো রিপন স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন এবং সেখান থেকেই তিনি আই.এ পাস করেন। এবং কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে ১৯৫২ সালে বি.এ পাস করেন।
 
==কর্মজীবন==
নিমাই সাংবাদিকতার মাধ্যমেই তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৬৩ সালে তার লেখা একটি উপন্যাস কলকাতার সাপ্তাহিক ‘অমৃতবাজার’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তা ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।<ref>{{সংবাদ উদ্ধৃতি |ইউআরএল=https://www.rokomari.com/book/author/14353/নিমাই-ভট্টাচার্য|শিরোনাম= নিমাই ভট্টাচার্য |কর্ম=রকমারি.কম |সংগ্রহের-তারিখ=২২ এপ্রিল ২০১৯}}</ref> এরপর, তার চারটি উপন্যাস একই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
 
বেনামী ব্যবহারকারী