"দুর্বাসা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(হটক্যাটের মাধ্যমে বিষয়শ্রেণী:ঋষি অপসারণ; বিষয়শ্রেণী:রামায়ণের ঋষি যোগ)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
বর্তমান [[হরিয়ানা]] রাজ্যের [[পালওয়াল জেলা]]য় ঋষি দুর্বাসার একটি মন্দির আছে। হরিয়ানার তেহসিল-হোডাল অঞ্চলের আলি ব্রাহ্মণ গ্রামে এই মন্দির অবস্থিত। দিল্লী-মথুরা পথের সমীপে অবস্থিত এই অঞ্চলে দুর্বাসাকে শিবের [[অবতার]] হিসাবে পূজা-অর্চনা করা হয়।
 
== জন্ম ==
[[ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ]]ের ৪৪ সংখ্যক অধ্যায়ের বর্ণনা অনুসারে, একবার [[ব্রহ্মা]] এবং [[শিব]]ের কোনো এক কথাতে মনোমালিন্য হয়। এই সংঘাতের ফলেে শিব এত ক্রোধান্বিত হয়ে ওঠেন যে, দেবতারা তাঁর ভয়ে পালাতে আরম্ভ করে। এই সংবাদে শিবের পত্নী [[পার্বতী]] ক্ষুন্ন হন এবং মহাদেবের সাথে বাস করতে অক্ষমতা প্রকাশ করেন। নিজের ক্রোধাগ্নির ফলে সৃষ্টি হওয়া থেকে অথন্তরের কথা চিন্তা করে মহাদেব তা বর্জন করতে সম্মত হন এবং ঋষি অত্রির পত্নী অনুসূয়ার গর্ভে নিজর তপোগ্নি স্থাপন করেন। মহাদেবের এই তপোগ্নির থেকে ঋষি দুর্বাসা (যার সাথে বাস করা যায় না)-র জন্ম হয় বলে পুরাণ বর্ণিত আখ্যান উপস্থাপন করেছে। যেহেতু মহাদেবের ক্রোধের ফলে তাঁর জন্ম হয়েছিল, সেজন্য ঋষি দুর্বাসা সামান্য কথাতে ক্ষুন্ন হয়ে ক্রুদ্ধ হয়ে উঠতেন বলে জানা যায়। {{সত্যতা}}
[[File:Durvasa curse.jpg|thumb|250px|দুর্বাসা নারায়ণকে অভিশাপ দিচ্ছেন]]
== মহাভারতে মহাঋষি দুর্বাসা ==
কথিত আছে যে [[পাণ্ডব|পাণ্ডবদের]] ১২ বছররের বনবাসের সময় পাণ্ডবদের আশ্রম গৃহে শতাধিক শিষ্য নিয়ে আসেন। সেসময় পাণ্ডবদের গৃহে এতজনের অন্ন প্রদানের ব্যবস্থা ছিল না। এতে মহাঋষি দুর্বাসা ক্রোধিত হন ও অভিশাপ দেওয়ার হুমকি দেন।
 
==তথ্যসূত্র==