সাবাশ বাংলাদেশ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র যোগ
(রচনাশৈলী, হালনাগাদ করা হল)
(তথ্যসূত্র যোগ)
| imperial_unit = ft
| condition = সচল
| city = [[রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়|রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস]], মতিহার, [[রাজশাহী]]<ref name="ekushey-tv.com">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=<!--স্টাফ লেখক--> |শিরোনাম= রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তারুণ্যের ‘সাবাস বাংলাদেশ’|ইউআরএল= https://www.ekushey-tv.com/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/82489|কর্ম= ekushey-tv.com|অবস্থান= |তারিখ= ২১ অক্টোবর ২০১৯ |সংগ্রহের-তারিখ= May 7, 2020}}</ref>
| museum =
| accession =
}}
 
'''সাবাশ বাংলাদেশ''' [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের]] স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতীকী ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ভাস্কর্য। শিল্পী [[নিতুন কুণ্ডু]] এর তৈরি এই ভাস্কর্যটি [[রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়|রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে]] অবস্থিত।<ref name="dw.com">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=<!--স্টাফ লেখক--> |শিরোনাম= মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় স্থাপনা |ইউআরএল= https://www.dw.com/bn/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE/g-41619615|কর্ম= dw.com|অবস্থান= |তারিখ= ১১ ডিসেম্বর ২০১৭ |সংগ্রহের-তারিখ= May 7, 2020}}</ref><ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=http://www.bssnews.net/bangla/newsDetails.php?cat=21&id=279756&date=2015-03-29|শিরোনাম=News Details|কর্ম=bssnews.net|সংগ্রহের-তারিখ=২০১৫-০৬-২৫|আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20150416120412/http://www.bssnews.net/bangla/newsDetails.php?cat=21&id=279756&date=2015-03-29|আর্কাইভের-তারিখ=২০১৫-০৪-১৬|অকার্যকর-ইউআরএল=হ্যাঁ}}</ref>
 
== স্থাপত্য তাৎপর্য ==
স্বাধীনতার জ্বলন্ত প্রমাণকে ধরে রাখার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয়েছে স্মারক ভাস্কর্য সাবাশ বাংলাদেশ। ১৯৬৯ সালের গণ আন্দোলনের সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র –শিক্ষক- কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বলিষ্ঠ সাহসী ভূমিকা ছিল। সে সময় এমন ঘটনার আর্বত সৃষ্টি হয় যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলই তাতে জড়িয়ে পড়েন এবং [[শহীদ শামসুজ্জোহা|অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা]] শাহাদাৎ বরণ করেন।<ref name="risingbd.com">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=শাহিনুর খালিদ |শিরোনাম= মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়|ইউআরএল= https://risingbd.com/campus-news/324312|কর্ম= risingbd.com|অবস্থান= |তারিখ= ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯|সংগ্রহের-তারিখ= May 7, 2020}}</ref> এরপর ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ নিশ্চিহ্ন করার যে ব্যর্থ প্রয়াসের সূচনা করে তাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও আক্রান্ত হয়। কয়েকদিনের মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর যে দল রাজশাহীতে সক্রিয় ছিল তা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অবশেষে স্থানীয় ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। রাজশাহী শহর তৎকালীন ই.পি.আর. নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি বিপুল অংশ শহরে প্রবেশ করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী ঘাটি স্থাপন করে। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবপূর্ণ অবদান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। তাদের বিতাড়িত করতে শাহাদৎ বরণ করেন অধ্যাপক [[হবিবুর রহমান]], অধ্যাপক সুখরঞ্জন সমাদ্দার, অধ্যাপক মীর আক্ষদুল কাউয়ুম, কর্মকর্তা- কর্মচারী ও ছাত্র।
 
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক শিক্ষক-ছাত্র শহীদ হওয়ায় এর স্মৃতিকে চির অম্লান করে রাখার জন্য উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। তারপর নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ হয় সিনেট ভবনের দক্ষিণে। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পর ১৯৯১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের উদ্যোগে শিল্পী নিতুন কুন্ডুর উপাস্থপনায় নির্মাণ কাজ শুরু হয়।<ref name="odhikar.news">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |লেখক=নুরুজ্জামান খান |শিরোনাম= হাজারো শহীদের রক্তের পূণ্যভূমি রাবি ক্যাম্পাস|ইউআরএল= https://www.odhikar.news/education/34821|কর্ম= odhikar.news|অবস্থান= |তারিখ= ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮|সংগ্রহের-তারিখ= May 7, 2020}}</ref> নির্মাণ কাজ শেষে হলে এর ফলক উম্মোচন করেন শহীদ জননী [[জাহানারা ইমাম]]।<ref name="cri.cn"/> ভাস্কর্যে স্থান পেয়েছে তরুণ কবি [[সুকান্ত ভট্টাচার্য|সুকান্ত ভট্টাচার্যের]] কবিতার কয়েকটি লাইন। যা হলো
 
{{pull quote|1=সাবাস বাংলাদেশ<br />এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়<br />জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার<br />তবু মাথা নোয়াবার নয়।}}