"বার্মায় ব্রিটিশ শাসন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা
[[File:Yangon Rangoon and Environ map 1911.jpg|thumb|300px|১৯১১ খ্রিস্টাব্দে রেঙ্গুন ও তৎসংলগ্ন মানচিত্র]]
শতাব্দী ঘোরার সাথে সাথে [[ইয়ং ম্যান খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন|ইয়ং ম্যান খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের]] আদলে বৌদ্ধদের মধ্যেও [[ইয়ং ম্যান বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশন (বর্মা)|ইয়ং ম্যান বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশন]] তৈরী হয়, যাদের ব্রিটিশ উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে নতুন আন্দোলন গঠন করতে দেখা যায়৷ তারা পরবর্তীকালে [[জেনারেল কাউন্সিল অব বর্মী অ্যাসোসিয়েশন]]-এর সাথে সংযোজিত হয়৷ সংগঠন দুটি "উন্থানু আথিন"-এর সাথে যুক্ত হয়ে মুল বর্মার গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে৷<ref name="ms">{{cite book|author=Martin Smith|year=1991|title=Burma – Insurgency and the Politics of Ethnicity|publisher=Zed Books|location=London and New Jersey|pages=49, 91, 50, 53, 54, 56, 57, 58–59, 60, 61, 60, 66, 65, 68, 69, 77, 78, 64, 70, 103, 92, 120, 176, 168–169, 177, 178, 180, 186, 195–197, 193, 202, 204, 199, 200, 270, 269, 275–276, 292–3, 318–320, 25, 24, 1, 4–16, 365, 375–377, 414}}</ref> ১৯০০ থেকে ১৯১০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে [[উ ধম্মলোকা]] নামে এক আইরিশ বৌদ্ধ ব্যাক্তি সরাসরি জনসমক্ষে খ্রিস্টধর্ম এবং সাম্রাজ্যবাদী ক্ষমতার ওপর প্রশ্ন করে এবং সমর্থকদের সাথে দুবার রাজদ্রোহ ঘোষনা করে৷
 
বিংশ শতাব্দীর শরুর দিকে বর্মী নেতাদের একটি নতুন প্রজন্মের উত্থান হয়৷ তাদের মধ্যে যারা শিক্ষিত পরিবার থেকে আসতো তারা লন্ডনে আইনবিষয়ক উচ্চশিক্ষা লাভ করতে যেত কারণ তারা মনে করেছিলো তাদের এই অভাজ্ঞতা তাদের স্বজাতীয় বর্মীদের বর্তমান অবস্থান উন্নতি ও পুণর্গঠনে সাহায্য করবে৷ সাংবিধানিক উন্নয়ন এবং ১৯২০ এর শুরুর দিকে তার পুণর্গঠনের ফলে আইনসভাতে ব্রিটিশ একাধিপত্য কমে আসে এবং ভারতে যুক্ত থেকেও বর্মাতে আংশিক স্বায়ত্ত্বশাসন প্রতিষ্ঠা পায়৷ বেসামরিক চাকুরীতে জাতিতে বর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টায় চাপ সৃষ্টি করা হয়৷ অনেকে মনে করেন পরিবর্তনের হার প্রয়োজনীয়তার তুলনায় কম হলেও এই চাপ সৃষ্টি ও সামান্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধিও বেশ কার্যকর ছিলো৷
 
==তথ্যসূত্র==